| |

মহিন্দার অমরনাথ

২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০ তারিখে পাঞ্জাবের পাতিয়ালায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। খেলায় অল-রাউন্ডার হিসেবে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

প্রায়শঃই সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে বিবেচিত হতেন; আবার খুব সহজেই সবচেয়ে বাজে ব্যাটসম্যানেরও তকমা পেয়েছেন। দলের সঙ্কটকালে ব্যাট হাতে প্রতিরক্ষা ব্যূহ গড়ে তুলতেন। পাশাপাশি ক্ষমার অযোগ্য ব্যর্থতারও প্রতিচিত্র হিসেবে আবির্ভুত হতেন। ১৯৬৬-৬৭ মৌসুম থেকে ১৯৮৮-৮৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে পাঞ্জাব, বরোদা ও দিল্লি এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডারহামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, উইল্টশায়ারের পক্ষে খেলেছেন।

১৯৮১-৮২ মৌসুমে দিল্লি দলের অধিনায়কত্ব করে রঞ্জী ট্রফির শিরোপা বিজয়ের ন্যায় অবিস্মরণীয় সফলতায় বিরাট ভূমিকা রাখেন। এ পর্যায়ে ছয়দিনব্যাপী খেলায় কর্ণাটকের প্রথম ইনিংসে সংগৃহীত পর্বতসম ৭০৫ রানের জবাবে দিল্লি ৭০৭/৮ রান তুলে। গুরুশরণ শিংয়ের ১০১ এবং তাঁর সংগৃহীত ১৮৫ রানের বদৌলতে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে যায় ও দল শিরোপা জয় করে।

ক্রীড়াপ্রেমী পরিবারের সন্তান। ভারতের পক্ষে ২৪ টেস্টে অংশগ্রহণকারী ও স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ভারতের প্রথম অধিনায়ক লালা অমরনাথ সম্পর্কে তাঁর পিতা। পিতা লালা অমরনাথ ও জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা সুরিন্দর অমরনাথ অভিষেক টেস্টে শতক হাঁকালেও তিনি এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারেননি। তবে, তাঁদের তুলনায় দশটি বেশী শতক হাঁকিয়েছিলেন। কনিষ্ঠ ভ্রাতা রাজিন্দর অমরনাথ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, মিডিয়াম-পেস সহযোগে বোলিং উদ্বোধনে নামতেন। তাঁর সাথে অপর প্রান্তে দলের প্রধান বোলার থাকতো।

১৯৬৯ থেকে ১৯৮৯ সময়কালে ভারতের পক্ষে সর্বমোট ৬৯ টেস্ট ও ৮৫টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১১টি শতরানের ইনিংস খেলেন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৩৮ রান সংগ্রহ করেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে মিডিয়াম-পেস বোলার হিসেবে খেলতেন। এ পর্যায়ে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। তবে, খেলোয়াড়ী জীবন শেষ করেন ভারতের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে।

১৯৬৯-৭০ মৌসুমে নিজ দেশে বিল লরি’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৯ বছর বয়সে ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে মাদ্রাজে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তিনি বোলিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন। ০/২১ ও ২/৩১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ১৬* ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলায় তাঁর দল ৭৭ রানে পরাজিত হলে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৭৬ সালের পূর্ব পর্যন্ত আর কোন খেলায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাননি। এ পর্যায়ে স্বীয় ভ্রাতা সুরিন্দর অমরনাথের সাথে একত্রে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অংশ নেন। ১৯৭৫-৭৬ মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে সুনীল গাভাস্কারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭৬ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৬ রান অতিক্রম করেন একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ৬৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৬ ও ০/৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয়লাভ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে আরও কলিঞ্জকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ২/৩১। খেলায় তিনি ৪/৬৩ লাভ করেন। এছাড়াও, ৪৫ ও ৩০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

ঐ বছরই পোর্ট অব স্পেনে ভারতের স্মরণীয় বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলার চতুর্থ ও দলের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪০৬/৪ রান সংগ্রহকালে ৮৫ রান তুলেছিলেন।

১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ড সফরকালে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। রিচার্ড হ্যাডলি’র দ্রুত গতিসম্পন্ন বল মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হওয়ায় সরাসরি মাথা স্পর্শ করে। এরপর অবশ্য হেলমেট পরিধান করে স্বীয় আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট হয়েছিলেন। ১৯৮২ সালে সেন্ট্রাল ল্যাঙ্কাশায়ার লীগে ক্রম্পটনের পক্ষে সহস্রাধিক রান তুলেন। এ সময়ে টেস্টে আড়াই হাজার রান পেয়েছিলেন। লোয়ারহাউজ ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৮ ও ১৯৮০ থেকে ১৯৮২ সময়কালে খেলেছিলেন।

১৯৮২-৮৩ মৌসুমে কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। এ সফরে অপূর্ব ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। ২৮ এপ্রিল, ১৯৮৩ তারিখে সেন্ট জোন্সে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে ৫৪ ও ১১৬ রান সংগ্রহ করেন। তন্মধ্যে, প্রথম ইনিংসে দলের সংগ্রহ ৯৮/২ থাকাকালীন ৩৯ রানে রিটায়ার হার্টে মাঠের বাইরে অবস্থান করেন। পরবর্তীতে, ৩৩৭/৫ থাকাকালে পুণরায় মাঠে নেমেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয় ও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে। এ সিরিজে ৫৯৮ রান সংগ্রহসহ ২ উইকেট লাভ করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পান।

১৯৮৩ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত প্রুডেন্সিয়াল বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার তৃতীয় আসরের শিরোপা বিজয়ী ভারত দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। লর্ডসে পূর্বেকার শিরোপাধারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রোমাঞ্চপূর্ণ ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপন করে দলের শিরোপা বিজয়ে বিরাট ভূমিকা রাখেন। ঐ খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় নিজের খেলোয়াড়ী জীবনের সেরা অর্জনের সাথে যুক্ত থাকেন। ৩/১২ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন ও নিম্ন সংগ্রহের খেলায় ২৬ রান তুলে পূর্বেকার ডিসেম্বর মাস থেকে পরবর্তী ছয় মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে রান সংগ্রহের সফলতাকে ধরে রাখতে সমর্থ হন। এর পূর্বে সেমি-ফাইনালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২/২৭ ও ৪৬ রান নিয়ে দলকে জয় এনে দেন ও চূড়ান্ত খেলায় নিয়ে যান। এ খেলাতেও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছিলেন।

সব মিলিয়ে ১৯ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে খেলেছেন। তবে, এ সময়টি বেশ অদ্ভূতভাবে অতিবাহিত করেছিলেন। মাথার ওপর দিয়ে চলে আসা বলগুলোকে স্বাচ্ছন্দ্যে মোকাবেলা করেছেন ও প্রায়শঃই আঘাতের পর্যায়ে ছিল। একটিমাত্র সিরিজেই তিনি নিজেকে মেলে ধরেছেন ও ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হন।

১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে নিজ দেশে দিলীপ মেন্ডিসের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে নাগপুরে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। চমৎকার খেলেছিলেন। দলের একমাত্র ইনিংসে ১৩১ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, মনিন্দার সিংদিলীপ বেঙ্গসরকারের অনবদ্য ক্রীড়াশৈলীতে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১০৬ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে উপর্যুপরী সিরিজে পাঁচ শতক সহযোগে ১১৮২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ভীতিহীন চিত্তে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ফাস্ট বোলারদের বলগুলোকে হুকের সাহায্য খেলতেন। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে পাঁচটি টেস্ট থেকে ৬৬.৪৪ গড়ে প্রায় ছয়শত রান পেয়েছেন। এ পর্যায়ে সুনীল গাভাস্কার তাঁকে বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে বিবেচিত করতেন। তবে, এক বছর পরই নিজ দেশে একই বোলারদের বিপক্ষে ছয় ইনিংস থেকে ১ রান পেয়েছেন ০.১৭ গড়ে। রূপকথার পক্ষীর ন্যায় আসেন ও চলে যান যা তাঁর সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে বহমান ছিল। পুণরায় স্বর্ণশিখরে আরোহণ করেন।

১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে নিজ দেশে ভিভ রিচার্ডসের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১১ জানুয়ারি, ১৯৮৮ তারিখে মাদ্রাজে অনুষ্ঠিত সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। ৩ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৮ ও ০/৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, অভিষেকধারী নরেন্দ্র হিরবাণী’র অসামান্য বোলিং নৈপুণ্যের কারণে ঐ টেস্টে তাঁর দল ২৫৫ রানে জয় পায় ও ১-১ ব্যবধানে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।

পরের বছর ৩০ অক্টোবর, ১৯৮৯ তারিখে বোম্বেতে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেন। ১৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন তিনি।

অবসর গ্রহণের পর ১৯৯০-এর দশকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন। তবে, ১৯৯৬ সালের আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দলকে উত্তরণ ঘটাতে ব্যর্থ হলে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। এরপর তিনি রাজস্থান ক্রিকেট দলের পাশাপাশি মরক্কোর জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিযুক্তি পেয়েছিলেন। ২০০৮ সালে রঞ্জী ট্রফির প্লেট বিভাগে বাংলা দলের অবনমন ঘটলে তাঁকে পরামর্শক হিসেবে নামাঙ্কিত করা হয়। ১৯৮২ সালে অর্জুন পদক লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বর্ষসেরা ক্রিকেটার ও ১৯৮৪ সালে উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে মনোনীত হন। এছাড়াও, ২০০৯ সালে সিকে নায়ড়ু আজীবন সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেন।

Similar Posts

  • | |

    গ্যারি সোবার্স

    ২৮ জুলাই, ১৯৩৬ তারিখে বার্বাডোসের চেলসী রোড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স কিংবা বামহাতে রিস্ট-স্পিন বোলিংয়ে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী তিনি। ১৯৫২-৫৩ মৌসুম থেকে ১৯৭৪ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন…

  • | |

    হরবিন্দর সিং

    ২৩ ডিসেম্বর, ১৯৭৭ তারিখে পাঞ্জাবের অমৃতসরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কিশোর বয়সে অত্যন্ত প্রতিভাবান মিডিয়াম পেসার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৬ সালে কানপুরে…

  • |

    পথুম নিসাঙ্কা

    ১৮ মে, ১৯৯৮ তারিখে গলেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কলম্বোভিত্তিক ইসিপাথানা কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ইনিংস উদ্বোধনে মাঠে নামেন। ২০১৬-১৭ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে বাদুরেলিয়া স্পোর্টস ক্লাব ও নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও,…

  • | |

    ললিত কালুপেরুমা

    ২৫ জুন, ১৯৪৯ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৭০-৭১ মৌসুম থেকে ১৯৮২-৮৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। এছাড়াও, সিলন দলের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট…

  • | |

    সাঈদ আনোয়ার

    ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৮ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। সময় নিয়ন্ত্রণ ও বল বাছাইয়ের মাধ্যমে নিজেকে স্মরণীয় করে রেখেছেন। আগ্রাসী ভূমিকার চেয়ে দৃষ্টিনন্দন স্ট্রোকপ্লের মাধ্যমে বিদ্যুৎগতিতে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন। তেমন পায়ের…

  • |

    ভিক স্টলমেয়ার

    ২৪ জানুয়ারি, ১৯১৬ তারিখে ত্রিনিদাদের সান্তা ক্রুজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩৫-৩৬ মৌসুম থেকে ১৯৪৫-৪৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত…