১ মার্চ, ১৯৭১ তারিখে পাঞ্জাবের শাহীওয়ালে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে কার্যকর মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ২০১০-১১ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে পাকিস্তান এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, ফয়সালাবাদ, হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, খান রিসার্চ ল্যাবরেজটরিজ, লাহোর, মুলতান, পাকিস্তান অটোমোবাইলস কর্পোরেশন, রাওয়ালপিন্ডি ও সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইন্স লিমিটেড এবং বাংলাদেশী ক্রিকেটে ঢাকা মেট্রোপলিসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও ১৪টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। উভয় টেস্টই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ৩ নভেম্বর, ১৯৯৬ তারিখে পেশাওয়ারে অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনের সূত্রপাত ঘটান। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে নিজ দেশে লি জার্মনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২১ নভেম্বর, ১৯৯৬ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। মোহাম্মদ ওয়াসিমের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ২২ ও ৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, সায়মন ডৌলের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে খেলায় তাঁর দল ৪৪ রানে পরাজয়বরণ করলে ১৯৬৯-৭০ মৌসুমের পর প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে হারায় ও দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, একই সফরের ২৮ নভেম্বর, ১৯৯৬ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সিরিজে নিজস্ব দ্বিতীয় ও সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন। একমাত্র ইনিংসে ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, মোহাম্মদ জাহিদের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে খেলায় স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৩ রানে জয় পেলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।
