|

উদারা জয়সুন্দারা

৩ জানুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে মিনুওয়াঙ্গোদায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। ২০১০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

অনূর্ধ্ব-১৯ বয়সভিত্তিক খেলার আওতায় চিহ্নিত হন। ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ক্রমাগত রান সংগ্রহ করে সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করেন। ঐ প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক রান সংগ্রহকারীদের তালিকায় যুক্ত হন। এরপূর্বে নভেম্বর, ২০০৯ সালে ত্রি-দেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ৮২ রান তুলেছিলেন। মূলতঃ বামহাতে ব্যাটিং করে থাকেন।

আনন্দ কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। পছন্দের খেলোয়াড়দের তালিকায় ব্রায়ান লারাকে সর্বাগ্রে স্থান দিয়েছেন। কোন কারণে পেশাদারী পর্যায়ে ক্রিকেটার হতে না পারলে ব্যবসায়ী হবার ইচ্ছে ছিল তাঁর।

২০০৯-১০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে রাগামা ক্রিকেট ক্লাব ও শ্রীলঙ্কা নেভি স্পোর্টস ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ৩০ অক্টোবর, ২০০৯ তারিখে মোরাতুয়ায় অনুষ্ঠিত সেবাস্টিয়ানিটিস ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব বনাম শ্রীলঙ্কা নেভি স্পোর্টস ক্লাবের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

২০১৫ সালে সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতিমূলক খেলায় দূর্দান্ত শতরান করে জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর নজরে পড়েন। এরফলে, জাতীয় দলে খেলার পথ সুগম হয়।

২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। উভয় টেস্টই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছেন। ২০১৫-১৬ মৌসুমে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তেমন সুবিধে করতে পারেননি। উভয় ইনিংসেই এক অঙ্কের (১ ও ৩) রান সংগ্রহ করেছিলেন। মার্টিন গাপ্টিলের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১২২ রানে জয় পেয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, একই সফরের ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ২৬ ও ০ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, কেন উইলিয়ামসনের অসাধারণ ব্যাটিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে জয় পায় ও ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

Similar Posts

  • | |

    ট্রেভর গডার্ড

    ১ আগস্ট, ১৯৩১ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে মিডিয়াম বোলিং পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘকায় ও শক্ত-মজবুত গড়নের অধিকারী ছিলেন। চমৎকার কৌশল অবলম্বনে ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন। বল হাতে নিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সুইংয়ের উপর জোর দিতেন। ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে আউট-সুইঙ্গার মারতেন।…

  • |

    প্রসন্ন জয়াবর্ধনে

    ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বিশ্বের অন্যতম সেরা উইকেট-রক্ষকের গুণাবলী নিয়ে অগ্রসর হয়েছিলেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ব্যাটিংয়ের সমান যোগ্যতার অধিকারী ছিলেন। ১৯৯৮ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় সেরা উইকেট-রক্ষকের মর্যাদা লাভ করেন। সেন্ট সেবাস্টিয়ান্স কলেজ একাদশের পক্ষে তিন…

  • |

    জেমস ক্রান্সটন

    ৯ জানুয়ারি, ১৮৫৯ তারিখে ওয়ারউইকশায়ারের বোর্ডস্লে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, বামহাতে বোলিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। টানটন কলেজে পড়াশুনো করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ ক্রিকেটে গ্লুচেস্টারশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সতেরো বছর বয়সে দলটির সাথে প্রথম যুক্ত হন।…

  • | |

    জোনাথন অ্যাগ্নিউ

    ১৪ এপ্রিল, ১৯৬০ তারিখে চেশায়ারের ম্যাকলসফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ১৯৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী জোনাথন অ্যাগ্নিউ ‘স্পাইরো কিংবা ‘অ্যাজার্স’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। আপিংহাম স্কুলে…

  • |

    রুস্তমজী জামশেদজী

    ১৮ নভেম্বর, ১৮৯২ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মহারাষ্ট্রের বোম্বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। বামহাতি স্পিনার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯২২-২৩ মৌসুম থেকে ১৯৩৮-৩৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড় জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    আর্নি জোন্স

    ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৮৬৯ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অবার্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পাথরখোঁদাইকারক যোসেফ জোন্স ও মেরি দম্পতির পুত্র ছিলেন। স্থানীয় বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন পিতার সাথে চিত্রকর ও রাজমিস্ত্রী হিসেবে কুর্ন ও ব্রোকেন হিল এলাকায় সরকারী কাজে…