|

ট্রিস্টান স্টাবস

আগস্ট, ২০০০ তারিখে গটেংয়ের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন।

কেনিসনা প্রাইমারি স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। প্রতিভাবান ক্রিকেটার হিসেবে খুব দ্রুত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নেয়ার সুযোগ পান। খাঁটিমানের কৌশল অবলম্বনে বলে মারমুখী ভঙ্গীমায় অগ্রসর হন। এরফলে, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক উভয় অঙ্গনেই সংশ্লিষ্ট সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হন। উদীয়মান ক্রিকেটার হিসেবে তাঁর মাঝে যথেষ্ট সম্ভাবনা দেখা গেলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না।

২০১৯-২০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে সাউথ ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, সেন্ট কিটস ও নেভিস প্যাট্রিয়টস, সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপ, ওয়ারিয়র্স, ম্যানচেস্টার অরিজিনালস, এমআই নিউইয়র্ক, ইস্টার্ন প্রভিন্স, সাউথ ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টস অনূর্ধ্ব-১৩ দলের পক্ষে খেলেছেন। ১৬ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে অটশুর্নে অনুষ্ঠিত ২০১৯-২০ মৌসুমের সিএসএ থ্রী-ডে প্রভিন্সিয়াল কাপে সাউথ ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টস বনাম ইস্টার্ন প্রভিন্সের মধ্যকার খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। এভাবেই পেশাদারী জীবনে প্রবেশ করেন। এ পর্যায়ে স্বীয় প্রতিভা ও গতিশীল ব্যাটসম্যানের পরিচয় দিতে থাকেন।

২০২২ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০২৩-২৪ মৌসুমে নিজ দেশে রোহিত শর্মা’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ৩ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৩ ও ১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। মোহাম্মদ সিরাজের অসাধারণ বোলিং শৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা তিনদিন বাকী থাকতেই ৭ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এ পিচটিকে খেলার অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়।

২০২২ সাল থেকে অনেকগুলো টি২০আইয়ের সাথে যুক্ত থাকলেও মাত্র একটি টেস্ট ও সমসংখ্যক ওডিআইয়ে অংশ নিতে পেরেছেন। তবে, বিশেষ প্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্রিকেটে বেশকিছু দলের সাথে যুক্ত থেকেছেন। এসএ২০ প্রতিযোগিতার শিরোপা বিজয়ী সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপ দলের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিলেন।

২০২২ সালের আইপিএলকে ঘিরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে যুক্ত হন। আঘাতপ্রাপ্ত টাইমল মিলসের পরিবর্তে মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে খেলেন। তিনি ব্যাটিং, উইকেট-রক্ষণ ও বোলিংয়ে পারদর্শী। ওয়াংখেড়ের ব্যাটিং উপযোগী উইকেটে নিজেকে বেশ মেলে ধরেছেন।

২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর তেম্বা বাভুমা’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমন করেন। ৭ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ২০ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ২০ ও ৬৮ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে কেমার রোচের শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। কেশব মহারাজের দূর্দান্ত বোলিংশৈলী প্রদর্শন স্বত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে এইডেন মার্করামের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে বাংলাদেশ গমন করেন। ২১ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে মিরপুরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২৩ ও ৩০* রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। কাইল ভেরিনের অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকবার ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৬৮ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে টেস্টে নিজস্ব প্রথম শতরানের ইনিংস খেলেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১০৬ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তবে, টনি ডি জর্জি’র অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ২৭৩ রানে পরাজয়বরণ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে শান মাসুদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৯ ও ১ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে মোহাম্মদ আব্বাসের শিকারে পরিণত হন। পাশাপাশি, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এইডেন মার্করামের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে আগা সালমানের বলে শূন্য রানে বিদেয় নেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, রায়ান রিকেলটনের দূর্দান্ত দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয়লাভের পাশাপাশি ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের চূড়ান্ত খেলায় অংশ নিতে তেম্বা বাভুমা’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের অন্যতম সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১১ জুন, ২০২৫ তারিখে লর্ডসে অনুষ্ঠিত অপর প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হন। খেলায় তিনি ২ ও ৮ রান সংগ্রহ করেন। তবে, এইডেন মার্করামের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে ৫ উইকেটে জয়লাভ করলে তাঁর দল শিরোপা বিজয়ী হয়।

২০২৫-২৬ মৌসুমে তেম্বা বাভুমা’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবক দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ২২ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৪৯ ও ৯৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, মার্কো জানসেনের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে ঐ টেস্টে সফরকারীরা ৪০৮ রানের বিশাল জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

Similar Posts

  • |

    ডেভিড মারে

    ২৯ মে, ১৯৫০ তারিখে বার্বাডোসের মারেজ গ্যাপ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিং করতেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দৃঢ় প্রতিজ্ঞবদ্ধতা ও মনোযোগের কারণেই নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছিলেন। দারুণ উইকেট-রক্ষক ছিলেন। যতটুকু করা সম্ভব, ঠিক ততটুকুই করেছেন। সতর্ক অবস্থান, পায়ের কারুকাজ ও বাঁধার প্রাচীর…

  • |

    লেন জনসন

    ১৮ মার্চ, ১৯১৯ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের ইপ্সউইচ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে মারকুটে ব্যাটিং করতেন। ১৯৪০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুম থেকে ১৯৫২-৫৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে কুইন্সল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের…

  • |

    রচিন রবীন্দ্র

    ১৮ নভেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটিংয়ের দিকেই অধিক মনোসংযোগ ঘটিয়ে থাকেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়া, কার্যকর স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওয়েলিংটন ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডারহামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ৩০ অক্টোবর,…

  • | | |

    ড্যানিয়েল ভেট্টোরি

    ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি (১.৯১ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনেই খেলাকালীন চশমা পরিধান করে খেলতেন। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম…

  • | |

    হ্যারি জাপ

    ১৯ নভেম্বর, ১৮৪১ তারিখে সারের ডর্কিং এলাকায় জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণ কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, ডানহাতে শীর্ষসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৮৭০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। মূলতঃ রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন। খুব দ্রুত ক্রিকেটে সহজাত দক্ষতার বিকাশে তৎপর হন। ১৮৬১ সালে সারে কোল্টসের পক্ষে খেলেন। ১৮৬২ সালেও তেমন সফলতার স্বাক্ষর রাখেননি।…

  • | |

    আর্থার কার

    ২১ মে, ১৮৯৩ তারিখে সারের মিকলহাম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। দলে মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করেও সাফল্য পেয়েছেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি, ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯১০ থেকে ১৯৩৪ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে নটিংহ্যামশায়ারের…