|

টিম মারতাগ

২ আগস্ট, ১৯৮১ তারিখে লন্ডনের ল্যাম্বেথ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। ২০১০-এর দশকে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘ডায়াল এম’ ডাকনামে ভূষিত টিম মারতাগ ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। পার্লিভিত্তিক জন ফিশারে অধ্যয়ন করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স ও সারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ব্রিটিশ ইউনিভার্সিটিজের পক্ষে খেলেছেন। ২০০০ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবন চলমান রেখেছেন। এরপর থেকেই ইংরেজ ক্রিকেটের শীর্ষ খেলোয়াড়ে পরিণত করেন।

আয়ারল্যান্ড ও মিডলসেক্সের তারকা ব্যাটসম্যান এড জয়েসের পরামর্শক্রমে ২০১১ সালে দল পরিবর্তনে উৎসাহী হন। আইরিশ নাগরিকত্ব লাভের আবেদন করেন। অতঃপর, জানুয়ারি, ২০১২ সালে আইরিশ নাগরিকত্ব লাভের আবেদন মঞ্জুর হয়। লন্ডনে জন্মগ্রহণ করলেও ডাবলিনে পিতামহের জন্মগ্রহণের সুবাদে আয়ারল্যান্ডের খেলার সুযোগ পান। কয়েকমাস অপেক্ষার প্রহর গুণেন। ট্রেন্ট জনস্টনের অবসর গ্রহণ ও বয়েড র‍্যাঙ্কিনের ইংল্যান্ড দলে যুক্ত থাকার ফলে নিয়মিতভাবে খেলার সুযোগ পান। হঠাৎই আয়ারল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের দায়ভারের সাথে জড়িত হয়ে পড়েন। খুব বেশী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফলতার স্বাক্ষর না রাখলেও ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে পরিসংখ্যানগত কারণে আইরিশ দল নির্বাচকমণ্ডলীর আস্থা অর্জনে সমর্থ হন।

কিছুটা দৌঁড়ে সুইং বোলিং করে থাকেন। দর্শনীয় না হলেও বেশ সজীবমানের বোলিংয়ের অধিকারী। তুলনামূলকভাবে বেশ ক্ষাণিকটা বয়স নিয়ে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন। অবশেষে ত্রিশের বয়সে এসে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পান।

লর্ডসে দলের পক্ষে খেললেও সারের বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অংশ নিয়ে অগ্রসর হন। ১৯৯৯ সালে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ইংল্যান্ডের সদস্য ছিলেন। এরপর, ২০০২ সালে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন।

সারে দলে স্থান করতে বেশ হিমশিম খান। ২০০৫ সালে লর্ডসে মিডলসেক্সের বিপক্ষে টি২০ প্রতিযোগিতার একটি খেলায় ৬/২৪ পান। তাসত্ত্বেও, খেলায় আরও অংশগ্রহণের প্রত্যাশায় ২০০৭ সালে নদীর উত্তর অংশ থেকে লর্ডসে চলে আসেন। সকল স্তরের ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ২০০৮ সালে সকল স্তরের ক্রিকেট থেকে ১০৪ উইকেট লাভ করেছিলেন ও কাউন্টি দলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তৎপর হন। বিস্ময়করভাবে ইংল্যান্ড ডেভেলপম্যান্ট স্কোয়াড থেকে উপেক্ষিত হন। তাসত্ত্বেও ২০ বছর বয়সে অ্যান্টিগুয়ায় অনুষ্ঠিত ২০/২০ প্রতিযোগিতায় মিডলসেক্সের সদস্যরূপে নিজেকে পরিশীলিত করার সুযোগ পান। ২০১১ সালে স্টিভেন ফিনের সাথে নতুন বল নিয়ে মিডলসেক্সের বোলিং আক্রমণে নেতৃত্ব দেন। ২০.৯৮ গড়ে ৮০ উইকেট পান ও ক্লাবকে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে উত্তরণ ঘটান। তবে, ক্রমাগত ইংল্যান্ড দল থেকে উপেক্ষিত হচ্ছিলেন। ২০০১ সালে এনবিসি ডেনিস কম্পটন পুরস্কারে ভূষিত হন।

২০১২ সাল থেকে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২৩ জুন, ২০১২ তারিখে বেলফাস্টে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রবেশ করেন। সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সালে মালাহাইডে দশ হাজার দর্শকের সম্মুখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩/৩৩ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে মূলতঃ সীমিত-ওভারের ক্রিকেট খেলায় অংশ নিতেন।

তবে, মিডলসেক্স দলে ক্রমাগত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলতে বাধ্য হন। দলটির বোলিং আক্রমণে অন্যতম চালিকাশক্তি ছিলেন। কাউন্টি ক্রিকেটে দলের অন্যতম বিশ্বস্ত নতুন বল হাতে নিয়ে আক্রমণ কার্য পরিচালনা করে থাকেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে মারকুটে ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ২০১৪ সালে চ্যাম্পিয়নশীপে মিডলসেক্সের পক্ষে আবারও শীর্ষ উইকেট শিকারীতে পরিণত হন। ৫৮ উইকেট পেয়েছিলেন। তন্মধ্যে, ডারহামের বিপক্ষে দশ উইকেট দখল করেন। ২০১৫ সালে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের খেলার জন্যে মনোনীত হন ও ঐ মৌসুমে ৫০০ প্রথম-শ্রেণীর উইকেট পান। ২০১৬ সালে চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা বিজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। অতঃপর, ২০১৮ সাল পর্যন্ত পুণরায় দলের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন।

২০১৪ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে দূর্দান্ত খেলার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় আয়ারল্যান্ড দলে অন্তর্ভুক্ত হন। কিন্তু, জানুয়ারিতে দূর্ভাগ্যজনকভাবে দুবাইয়ে প্রশিক্ষণ চলাকালীন পা ভেঙ্গে ফেলেন। এরফলে, বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় ও ম্যাক্স সোরেনসেনকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়। এছাড়াও, ২০১৬ ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এ পর্যায়ে অবশ্য নিজ দোষে বঞ্চিত হয়েছিলেন। কেননা, ২০১৫ সালের শুরুতে টি২০ আন্তর্জাতিক থেকে নিজের অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেছিলেন।

চার বছর টি২০ খেলায় বিরত থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ তারিখে লর্ডসে ভাইটালিটি ব্ল্যাস্ট প্রতিযোগিতায় মিডলসেক্স বনাম হ্যাম্পশায়ারের মধ্যকার খেলায় প্রথম অংশ নেন।

২০১৭-১৮ মৌসুমে নিজ দেশে সরফরাজ আহমদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে বয়েড র‌্যাঙ্কিন বাদে অন্য সকলের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১১ মে, ২০১৮ তারিখে ডাবলিনের মালাহাইডে অনুষ্ঠিত খেলাটিতে সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৪/৪৫ ও ২/৫৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। উভয় ইনিংসে ৫ রান করে সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ৫ উইকেটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল।

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের একাদশ খেলোয়াড় হিসেবে ১১ নম্বরে মাঠে নেমে দল ১৭২ রানে গুটিয়ে গেলেও তিনি অপরাজিত ৫৪ রান তুলে শীর্ষ রান সংগ্রাহকে পরিণত হয়েছিলেন। ২০১৮-১৯ মৌসুমে দেরাদুন টেস্টে আফগানিস্তান দলের বিপক্ষে এ কৃতিত্বের পরিচয় দেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় রহমত শাহের অনবদ্য ব্যাটিংয়ের কারণে তাঁর দল ৭ উইকেটে পরাজিত হয়।

ক্রিকেটের স্বর্গভূমি লর্ডসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক খেলায় অংশ নেয়ার পনেরো বছর পর ২৪ জুলাই, ২০১৯ তারিখে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে খেলে পাঁচ-উইকেট দখল করেন ও নিজেকে লর্ডস অনার্স বোর্ডে চিত্রিত করেন। ২০১৯ সালে উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের নেতৃত্বাধীন আইরিশ দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড সফরে যান। সবগুলো উইকেটই স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের উদ্বোধনী টেস্টের ও সবমিলিয়ে আয়ারল্যান্ডের তৃতীয় টেস্টের প্রথম অধিবেশনে লাভ করেন। রোরি বার্নস, জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টো, মঈন আলীক্রিস উকস তাঁর শিকারে পরিণত হন। ৫/১৩ নিয়ে মধ্যাহ্নভোজনের পূর্বেই ইংল্যান্ড দলকে মাত্র ৮৫ রানে গুটিয়ে দিতে বিরাট ভূমিকা রাখেন। তাসত্ত্বেও জ্যাক লিচের অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ঐ টেস্টে তাঁর দল ১৪৩ রানে পরাজয়বরণ করেছিল। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

Similar Posts

  • |

    ম্যাথু নিকোলসন

    ২ অক্টোবর, ১৯৭৪ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের সেন্ট লিওনার্ডস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারির কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ১৯৯০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘নিকো’ ডাকনামে ভূষিত ম্যাথু নিকোলসন ১.৯৭ মিটার উচ্চতার অধিকারী। নিউ সাউথ ওয়েলসে খেলা শিখতে শুরু করেন। বিদ্যালয়ের তারকা খেলোয়াড়…

  • |

    ডগলাস কার

    ১৭ মার্চ, ১৮৭২ তারিখে কেন্টের ক্রানব্রুক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯০০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বার্নার্ড বোসানকুয়েতকে যদি ‘গুগলির রূপকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, তাহলে তাঁকে ‘বাস্তবায়ক’ হিসেবে পরিগণিত করা হবে। সাটন ভ্যালেন্সের পর অক্সফোর্ডের…

  • | | |

    এইচডি অ্যাকারম্যান

    ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। শীর্ষসারির প্রভাববিস্তারকারী ব্যাটসম্যান ছিলেন। বেশ প্রতিভাবান খেলোয়াড় হলেও দূর্দান্ত সূচনা করলেও নিজের…

  • |

    ম্যালকম ওয়ালার

    ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে হারারে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান ছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ক্রিকেটপ্রেমী পরিবারের সন্তান। পিতা অ্যান্ডি ওয়ালার ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কাকাতো ভাই নাথান ওয়ালার জিম্বাবুয়ের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তবে নিজ…

  • |

    জর্জ রো

    ১৫ জুন, ১৮৭৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের গ্রাহামসটাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯৩-৯৪ মৌসুম থেকে ১৯০৬-০৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন…

  • মিলিন্ডা সিরিবর্ধনা

    ৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে নাগোদায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সচরাচর, শর্ট কভার অঞ্চলে ফিল্ডিং করেন। ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। মাঝারিসারির মারকুটে ব্যাটসম্যান ও কার্যকর বামহাতি স্পিনার। কালুতারা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। অল-রাউন্ডারের প্রাচুর্যতায় পরিপূর্ণ…