|

টেড মিউলি

২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৬ তারিখে টারানাকির হয়েরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংকর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে লেগ-ব্রেক বোলিং করতেন। ১৯৫০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৪৫-৪৬ মৌসুম থেকে ১৯৫৯-৬০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৪৫-৪৬ মৌসুমে অকল্যান্ডের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তাঁর অভিষেক ঘটে ও তিনটি খেলায় অংশ নেন। পরবর্তীতে ১৯৪৭-৪৮ মৌসুমে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসে যোগ দেন। এ পর্যায়ে দলটি ১৯৫০-৫১ মৌসুমে প্লাঙ্কেট শীল্ডে তাঁদের প্রথম খেলায় অংশ নিয়েছিল। ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে অবসর গ্রহণের পূর্ব-পর্যন্ত এখানে রয়ে যান।

১৯৫২-৫৩ মৌসুমে অকল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকান। নিম্নমূখী রানের খেলায় তাঁর দল ইনিংস ব্যবধানে জয় পায়। ঐ একই মৌসুমে ৫২.৮৩ গড়ে ৩১৭ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, ওতাগোর বিপক্ষে ৬/৬৭ পান।

১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে নিজ দেশে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজে খেলার উদ্দেশ্যে তাঁকে দলের সদস্যরূপে মনোনীত করা হয়। জ্যাক চিদামের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৬ মার্চ, ১৯৫৩ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেন। এরিক ফিশার, লরি মিলার ও বব ব্লেয়ারের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১৫ ও ২৩ রান তুলেন। সফরকারীরা ইনিংস ও ১৮০ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। দূর্ভাগ্যবশতঃ দ্বিতীয় টেস্টে বাদ পড়েন। এরপর আর তাঁকে নিউজিল্যান্ড দলে খেলানো হয়নি। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়েছিল।

ঐ টেস্টে অংশ নেয়ার ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত কোন প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নেননি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে উপেক্ষিত হলেও ঘরোয়া আসরে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের পক্ষে খেলা অব্যাহত রাখেন। ১৯৫৭-৫৮ মৌসুম থেকে তাঁর খেলার মান দূর্বলতর হতে থাকে। অবশেষে, ১৯৫৯-৬০ মৌসুম শেষে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

১৫ এপ্রিল, ২০০৭ তারিখে অকল্যান্ডে ৮১ বছর ৫৪ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • | | | |

    মাইক গ্যাটিং

    ৬ জুন, ১৯৫৭ তারিখে মিডলসেক্সের কিংসবারি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, কোচ ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী তিনি। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘গ্যাট’ ডাকনামে পরিচিতি পান। ইংল্যান্ডের তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পান। দ্রুত পদচালনায় অগ্রসর হওয়াসহ স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে বেশ আগুয়ান ছিলেন। ঘরোয়া…

  • | |

    জ্যাক নিউম্যান

    ৩ জুলাই, ১৯০২ তারিখে নেলসনের ব্রাইটওয়াটার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। নেলসন্স কলেজে বিদ্যালয় জীবন কাটান। ১৯২২-২৩ মৌসুম থেকে ১৯৩৫-৩৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    ফয়সাল হোসেন

    ২৬ অক্টোবর, ১৯৭৮ তারিখে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, কার্যকর স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। ২০০০-এর দশকে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘ডেকান্স’ ডাকনামে পরিচিতি পান। ২০০১-০২ মৌসুম থেকে ২০১৪-১৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে চট্টগ্রাম বিভাগ ও পূর্বাঞ্চলের পক্ষাবলম্বন…

  • | |

    জসপ্রীত বুমরা

    ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে গুজরাতের আহমেদাবাদে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জসবীর সিং ও দলজিৎ বুমরা দম্পতির সন্তান। সাত বছর বয়সে পিতৃহারা হন। মাতা দলজিৎ বুমরা বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল। জুলিকা নাম্নী…

  • |

    উইলিয়াম শল্ডার্স

    ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮০ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কিম্বার্লী এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্ট্রোকপ্লে খেলে দর্শকদের মনোরঞ্জন করতেন। তবে, দূর্ভাগ্যজনকভাবে শুরুটা বেশ ভালো করলেও প্রকৃতপক্ষে বড় ধরনের ইনিংসের সন্ধান পাননি। মিডিয়াম পেস বোলিং করলেও…

  • | |

    সাদিক মোহাম্মদ

    ৩ মে, ১৯৪৫ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গুজরাতের জুনাগড়ে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার। মূলতঃ ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৬০-৬১ মৌসুম থেকে ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে করাচী, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স ও…