|

স্ট্যানলি ক্রিস্টোফারসন

১১ নভেম্বর, ১৮৬১ তারিখে কেন্টের কিডব্রুক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৮৮৩ থেকে ১৮৯০ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্ট দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কেন্টের দশ ক্রিস্টোফারসন ভ্রাতাদের মধ্যে তিনি সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। প্রায়শঃই পিতাকে সাথে নিয়ে পারিবারিক একাদশ দল মাঠে নামতো।

চমৎকার ফাস্ট-মিডিয়াম বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। দীর্ঘ দূরত্ব নিয়ে উচ্চ ভঙ্গীমায় বোলিং করতে অগ্রসর হতেন। বোলিংয়ে নিখুঁতভাব বজায় রাখতেন। চমৎকারভাবে ইয়র্কার মারতেন। ১৮৮৩ থেকে ১৮৮৮ সময়কালে কেন্টের পক্ষে খেলেন। তবে, ১৮৮৬ সালে হাতের আঘাতে খেলোয়াড়ী জীবনে বিঘ্নের সৃষ্টি করে। খুব সম্ভবতঃ ১৮৮৩ ও ১৮৮৪ সালে নিজস্ব স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেছিলেন। সম্ভবতঃ জেন্টলম্যানের সদস্যরূপে সফররত অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ৮/৭৮ লাভ করেছিলেন। এছাড়াও, কেন্টের পক্ষে বোলিং করে সফরকারীদের পরাজিত করতে ভূমিকা রাখেন।

১৮৮৪ সালে ইংল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ঐ বছর নিজ দেশে বিলি মারডকের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২১ জুলাই, ১৮৮৪ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁকে খেলানো হয়। একটি উইকেটের সন্ধান পান ও এগারো নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৭ রানের ইনিংস খেলেন। খেলায় তিনি ১/৫২ ও ০/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঐ খেলায় ইংল্যান্ড দল ইনিংস ও ৫ রানের ব্যবধানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর বাদ-বাকী দিনগুলোয় ক্রিকেটের সাথে যুক্ত ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন এমসিসি’র প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন। ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকলেও খুব কম সময়ই লর্ডসে অনুপস্থিত থাকতেন। ক্রিকেটের পাশাপাশি হকি খেলায়ও ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

৬ এপ্রিল, ১৯৪৯ তারিখে লন্ডনের সেন্ট জোন্স উড এলাকায় ৮৭ বছর ১৪৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। উইজডেনে তাঁকে সেরা পেশাদার ক্রিকেটার ও খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুরদিকের দিনগুলোয় আকর্ষণীয় চেহারার অধিকারীরূপে উল্লেখ করে।

Similar Posts

  • | |

    গুলাবরায় রামচাঁদ

    ২৬ জুলাই, ১৯২৭ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারত দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৪৫-৪৬ মৌসুম থেকে ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে বোম্বে ও সিন্ধুর প্রতিনিধিত্ব…

  • | |

    ক্রেগ ব্রাদওয়েট

    ১ ডিসেম্বর, ১৯৯২ তারিখে বার্বাডোসের ব্ল্যাক রক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ইনিংস উদ্বোধন করে থাকেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘বোবো’ ডাকনামে ভূষিত ক্রেগ ব্রাদওয়েট কম্বারমেয়ার স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। পপ তারকা রিহান্না’র সাথে একই বিদ্যালয়ে পড়তেন ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে…

  • | |

    অ্যালান ডসন

    ২৭ নভেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে ২০০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে কেপ কোবরাস…

  • |

    হেনরি চার্লউড

    ১৯ ডিসেম্বর, ১৮৪৬ তারিখে সাসেক্সের হোরশ্যাম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। দলে মূলতঃ শীর্ষসারির আক্রমণাত্মক ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, লব বোলিং করতেন ও কভার অঞ্চলে ফিল্ডিংয়ে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। ১৮৭০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৮৬৫ সাল থেকে ১৮৮২ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সাসেক্স…

  • |

    জন ইভান্স

    ১ মে, ১৮৮৯ তারিখে হ্যাম্পশায়ারের নিউটাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। উইনচেস্টারে অধ্যয়নের পর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেন। ক্রিকেটের পাশাপাশি গল্ফ ও র‍্যাকেট খেলায় সিদ্ধহস্তের অধিকারী ছিলেন। ১৯০৮ থেকে প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    জন কামিন্স

    ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৫ তারিখে কেপ প্রভিন্সের ইস্ট লন্ডন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। মাঝারিসারিতে নির্ভরযোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে বোল্যান্ড ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম…