শাকিল আহমেদ, ১৯৭১

১২ নভেম্বর, ১৯৭১ তারিখে পাঞ্জাবের ডাস্কা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে বাহাওয়ালপুর, গুজরানওয়ালা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, হাবিব ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, পেশাওয়ার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও রাওয়ালপিন্ডি এবং দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্নসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ সময়কালে তিনটিমাত্র টেস্ট ও দুইটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে ওয়াসিম আকরামের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১ মে, ১৯৯৩ তারিখে সেন্ট জোন্সে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। নাদিম খানের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দলের একমাত্র ইনিংসে কার্টলি অ্যামব্রোসের বলে এলবিডব্লিউতে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। তবে, কার্ল হুপারের অল-রাউন্ড নৈপুণ্যে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

এরপর, ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে সেলিম মালিকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে জিম্বাবুয়ে গমন করেন। এ সফরেই ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ তারিখে তাঁর ওডিআই অভিষেক হয় ও আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ী জীবনের সমাপ্তি ঘটে। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ২৯ ও ৩৩ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ইনজামাম-উল-হকের দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ের কল্যাণে খেলায় সফরকারীরা ৯৯ রানে জয় পেলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *