১০ আগস্ট, ১৯৪৩ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের সিমলায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
অত্যন্ত চমৎকার ডানহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন। ড্রাইভ ও কাটের দিকে অধিক সফলতা পেয়েছেন। ১৯৫৯-৬০ মৌসুম থেকে ১৯৭৮-৭৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর ও পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৬৪ থেকে ১৯৬৯ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে খেলেছেন। পাকিস্তানের পক্ষে তেমন খেলার সুযোগ পাননি। ভেঙ্গে ভেঙ্গে ছয় বছরে মাত্র পাঁচ টেস্টে অংশ নিতে পেরেছিলেন। ১৯৬৪-৬৫ মৌসুমে নিজ দেশে বব সিম্পসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২৪ অক্টোবর, ১৯৬৪ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। আব্দুল কাদির, আসিফ ইকবাল, বিলি ইবাদুল্লাহ, মজিদ খান ও পারভেজ সাজ্জাদের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০ ও ২৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, চতুর্থ ইনিংসে ০/১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।
১৯৬৯-৭০ মৌসুমে নিজ দেশে গ্রাহাম ডাউলিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলেন। এ পর্যায়ে ৩০ অক্টোবর, ১৯৬৯ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩১ রানে পৌঁছানোকালে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। দলের ১৬৭ রানের মধ্যে ব্যক্তিগত সেরা ৯৫ রান তুলেন। খেলায় তিনি ৪ ও ৯৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ৫ উইকেটে জয়লাভ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
এছাড়াও, একই সফরের ৮ নভেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ৬৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু, দাঙ্গা-হাঙ্গামার কবলে পড়া টেস্টই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।
ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার পর প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ২০০০ সালে পিসিবি’র সচিব হিসেবে নিযুক্তি লাভ করেন। ২০০৭ সালে পিসিবি থেকে দল নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্যরূপে মনোনীত হন।
