|

শফিউল ইসলাম

৬ অক্টোবর, ১৯৮৯ তারিখে বগুড়ায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং করেন। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

৫ ফুট ৮ ইঞ্চি (১.৭৩ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ২০০৭-০৮ মৌসুম থেকে ২০২০-২১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে উত্তরাঞ্চল ও রাজশাহী বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বরিশাল বার্নার্স, জেমকন খুলনা ও খুলনা টাইগার্সের পক্ষে খেলেছেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটের সাথে যুক্ত হবার পর থেকেই নিজেকে মেলে ধরতে সচেষ্ট হন। ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৭ তারিখে রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিভাগ বনাম চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তাঁর অভিষেক ঘটে। অভিষেক খেলাতেই পাঁচ-উইকেট লাভ করেন ও উল্লেখযোগ্য ব্যাটিং করে দলকে জয় এনে দেন। এরপর থেকেই রাজশাহী বিভাগের একনিষ্ঠ খেলোয়াড়ে পরিণত হন। ব্যাট হাতে নিয়েও অসম্ভব জয়ে বিরাট ভূমিকা রাখেন। নতুন বল হাতে নিয়ে যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখায় বাংলাদেশের প্রতিভা অন্বেষণে চিহ্নিত হন। এক পর্যায়ে দৃশ্যতঃ মাশরাফি বিন মর্তুজা’র যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচিত হতেন।

প্রথম দুই মৌসুমে ২৫-এর অল্প বেশী গড়ে উইকেট পান। জাতীয় দলের খেলোয়াড় মাশরাফি বিন মর্তুজা’র আঘাতের কারণে বাংলাদেশ দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন। ৩১ মার্চ, ২০০৭ তারিখে ফতুল্লায় অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিভাগ বনাম সিলেট বিভাগের মধ্যকার লিস্ট-এ ক্রিকেটের খেলায় প্রথমবারের মতো অংশ নেন। সিলেট বিভাগের বিপক্ষে ১ উইকেট লাভ করেন। তাসত্ত্বেও, রাজশাহী বিভাগ খেলায় ৭৯ রানের জয় পায়।

২০১০ থেকে ২০২০ সময়কালে বাংলাদেশের পক্ষে ১১ টেস্ট, ৬০টি ওডিআই ও ২০টি টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। নিজ দেশে ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে গড়া ত্রি-দেশীয় সিরিজ খেলার উদ্দেশ্যে দলের একমাত্র ক্যাপবিহীন খেলোয়াড় হিসেবে ওডিআই দলে অন্তর্ভুক্ত হন। ৪ জানুয়ারি, ২০১০ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জগতে প্রবেশ করেন। রুবেল হোসেনের সাথে বোলিং উদ্বোধনে নামেন। ৫ ওভারে ১/৩৯ পান। ব্যাপক রান খরচ করেন ও খেলায় তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি। কেবলমাত্র শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারাকে বিদেয় করতে পেরেছিলেন।

এরপর, একই মাসের শেষদিকে নিজ দেশে বীরেন্দ্র শেহবাগের নেতৃত্বাধীন ভারতের মুখোমুখি হন। ১৭ জানুয়ারি, ২০১০ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তেমন সুবিধে করতে পারেননি। প্রথম ইনিংসে কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে কেবলমাত্র গৌতম গম্ভীরের একমাত্র উইকেট লাভ করেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ৬ ও ৮ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। সফরকারী দল ১১৩ রানে জয় পেয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০০৯-১০ মৌসুমে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত খেলায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি২০আইয়ে অভিষেক ঘটে। ঐ খেলায় বাংলাদেশ দল মাত্র ৭৮ রানে গুটিয়ে যায় ও স্বাগতিকরা কোন উইকেট না হারিয়েই বিজয় লাভ করে।

একই সফরের ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১২ রানে পৌঁছানোকালে পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১২* ও ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ১/১১১ ও ০/৪৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, মার্টিন গাপটিলের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ১২১ রানে পরাজিত হয়েছিল।

একই বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে ১০ ওভারে ৯০ রান খরচ করে বাংলাদেশের সর্বাধিক খরুচে বোলারের ন্যায় অগৌরবজনক রেকর্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন।

২০১১ সালের আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ও স্বর্ণালী মুহূর্ত অতিবাহিত করেন। নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অপ্রত্যাশিতভাবে বাংলাদেশের বিজয়ে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখেন। নবম উইকেটে মাহমুদুল্লাহ’র সাথে ৫৮ রানের জুটি গড়েছিলেন তিনি ও দুই উইকেটের নাটকীয় জয়ে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল প্রতি ২৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ইমরুল কায়েসকে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার দেয়া হলেও বাংলাদেশী সমর্থকদের কাছে তিনি প্রকৃত বীরে পরিণত হন। খেলা শেষে তাঁদেরকে দশ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশের বোলিং কোচ ইয়ান পন্টের কাছ থেকে বলে নিয়ন্ত্রণ রক্ষা করার কৌশলটি রপ্ত করেন। বীরেন্দ্র শেহবাগের কাছে নাস্তানুবাদ হন। তবে, আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিখুঁত বোলিং করেন। তন্মধ্যে, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষদিকে বলে সুইং আনয়ণের বিষয়টি নতুনত্ব প্রদান করে। ওলন্দাজদের বিপক্ষে ইয়র্কার ও বলে বৈচিত্র্যতা আনয়ণ সত্ত্বেও উইকেট শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করেন। মাশরাফি বিন মর্তুজা’র অনুপস্থিতির বিষয়টি দলে টের পেতে দেননি।

নভেম্বর, ২০১১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পূর্বে পায়ে আঘাত পান। এরপর থেকে টেস্ট দলে তাঁর ফেরা দুষ্কর হয়ে পড়ে। তবে, ক্ষুদ্রতর সংস্করণের খেলায় অংশ নিলেও তেমন সাড়া জাগাতে পারেননি। ২০১৪ সালের এশিয়া কাপে তাঁকে দলে রাখা হয়। কেবলমাত্র পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি খেলায় অংশ নেন ও বেশ রান খরচ করে ফেলেন। এরফলে, ২০১৪ সালে বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় উপেক্ষিত হন।

২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার শুরুতে দলে ঠাঁই পাননি। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পেস বোলার আল-আমিন হোসেনকে দেশে ফেরৎ পাঠানো হলে তিনি তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। অক্টোবর, ২০১৬ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অংশ নেয়ার মাধ্যমে পুণরায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসেন। এরপর, নিজ দেশে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে তাঁকে রাখা হয়।

২০১২ সালে খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলসের সদস্যরূপে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে অংশ নেন। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের আসরে খুলনা টাইটান্সের পক্ষে খেলেন। আঘাতের পূর্ব-পর্যন্ত ১৩ খেলা থেকে ১৮ উইকেট দখল করেন। ২০১৬-১৭ মৌসুম শেষে বাংলাদেশ দলের বাইরে চলে যান। তবে, ঘরোয়া ক্রিকেটে ঠিকই দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপনায় সচেষ্ট রয়েছেন।

২০১৭-১৮ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে মুশফিকুর রহিমের অধিনায়কত্বে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ডিন এলগারের অনবদ্য ব্যাটিং কৃতিত্বে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৩৩৩ রানে পরাজয়বরণ করে ও দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। ১/৭৪ ও ১/৪৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে উভয় ইনিংসে ২ রান করে সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

Similar Posts

  • | | |

    ফ্রাঙ্ক মান

    ৩ মার্চ, ১৮৮৮ তারিখে মিডলসেক্সের উইঞ্চমোর হিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ আক্রমণাত্মক ধাঁচের অধিকারী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে স্লো বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ড দলে খেলেছেন ও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ম্যালভার্নে অধ্যয়নের পর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্সের প্রতিনিধিত্ব করেন।…

  • |

    আর্চিবল্ড পাম

    ৮ জুন, ১৯০১ তারিখে কেপ প্রভিন্সের রন্ডেবশ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ১৯২০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ১৯২১-২২ মৌসুম থেকে ১৯৩৩-৩৪ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ১৯২৭-২৮ মৌসুমে দক্ষিণ…

  • |

    শুভাগত হোম

    ১১ নভেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটিংয়ের দিকেই অধিক মনোনিবেশ ঘটান। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। পাশাপাশি কার্যকর অফ-ব্রেক বোলিং করে থাকেন। ২০১০-এর দশকে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। ২০০৯-১০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে মধ্যাঞ্চল, ঢাকা বিভাগ ও রাজশাহী বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বরিশাল…

  • |

    হ্যারল্ড লারউড

    ১৪ নভেম্বর, ১৯০৪ তারিখে নটিংহ্যামশায়ারের নানকারগেট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়কালে সন্দেহাতীতভাবে সেরা ফাস্ট বোলার ছিলেন। প্রায়শঃই ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্রুততম বোলার হিসেবে বিবেচিত হয়ে…

  • |

    আশফাক আহমেদ

    ৬ জুন, ১৯৭৩ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯১-৯২ মৌসুম থেকে ২০০০-০১ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর, পাকিস্তান অটোমোবাইলস কর্পোরেশন ও পাকিস্তান…

  • | | |

    জ্যাক ডারস্টন

    ১১ জুলাই, ১৮৯৩ তারিখে বেডফোর্ডশায়ারের ক্লপহিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘লং জ্যাক’ ডাকনামে ভূষিত জ্যাক ডারস্টন ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। দীর্ঘ উচ্চতার কারণে খেলোয়াড়ী জীবনের…