| |

সরফরাজ আহমেদ

২২ মে, ১৯৮৭ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরের অংশ নিয়েছেন ও পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সহজাত প্রকৃতির উইকেট-রক্ষক ছিলেন না। কেবলমাত্র আক্রমণাত্মক স্ট্রোকপ্লের কারণে উত্তরোত্তর নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। ২০০৬ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান দলকে পরিচালনা করেছিলেন। এ প্রতিযোগিতায় দলের শিরোপা বিজয়ে অসামান্য ভূমিকা পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রথমবারের মতো সকলের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে উপনীত হন। ব্যাট হাতে তেমন সফল হননি। চার ইনিংস থেকে মাত্র ৬৪ রান সংগ্রহ করলেও দলকে সুচারূরূপে পরিচালনা করেন। তন্মধ্যে, চূড়ান্ত খেলায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে দলকে ১০৯ রানের ব্যবধানে পরাজিত করে পাকিস্তান দল। তৃতীয় ও চতুর্থ খেলায় অর্ধ-শতক হাঁকান।

৫ ফুট ৮ ইঞ্চি (১.৭৩ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ২০০৬ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে করাচী রিজিওন ব্লুজ, করাচী হোয়াইটস, পাকিস্তান ব্লুজ, পাকিস্তান গ্রীনস, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স ও সিন্ধু এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বাংলা টাইগার্স, করাচী ডলফিন্স, করাচী হারবার, খুলনা টাইটান্স, কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও সিন্ধু ডলফিন্সের পক্ষে খেলেছেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম মৌসুমেই ১০ খেলায় ৫২৩ রান ও স্ট্যাম্পের পিছনে ২৮টি ডিসমিসাল ঘটিয়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে, ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়া গমনার্থে পাকিস্তান ‘এ’ দলের সদস্যরূপে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর থেকে খেয়ালখুশীমাফিক খেলতে থাকেন।

২০০৭ সাল থেকে পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১৮ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে জয়পুরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনের সূত্রপাত ঘটান। তবে, নিজস্ব প্রথম তিন খেলায় তাঁকে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে হয়নি। অধিকন্তু, প্রথম আটটি ওডিআইয়ে মাত্র দুইবার ব্যাট হাতে নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। ৭ ও ১৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঐ খেলাগুলো থেকে গ্লাভস হাতে নিয়ে মাত্র ৯টি ডিসমিসাল ঘটিয়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে, দল থেকে বাদ পড়েন। এরপর থেকেই দলে আসা-যাবার পালায় অবস্থান করতে থাকেন। অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওডিআই সিরিজ খেলার উদ্দেশ্যে পুণরায় তাঁকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় নিজেকে মেলে ধরতে সচেষ্ট হন। ৬৫ রানের তৎকালীন ব্যক্তিগত সেরা ইনিংস খেলেন।

২০০৯-১০ মৌসুমে মোহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ১৪ জানুয়ারি, ২০১০ তারিখে হোবার্টে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ টেস্টে ১ ও ৫ রান তুলেন এবং চারটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় দলনায়ক রিকি পন্টিংয়ের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৩১ রানে জয় পেয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

একই বছরে জাতীয় দলের পক্ষে টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার জন্যে মনোনীত হন। ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ তারিখে দুবাইয়ের ডিএসসিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি২০আই খেলেন। তবে, নিজস্ব প্রথম দুই খেলায় মাত্র ৫ রান তোলার পর দলের বাইরে তাঁকে রাখা হয়।

২০১২-১৩ মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের অন্যতম সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকবার ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৩ রান অতিক্রম করেন। এরপর, দ্বিতীয় ইনিংসে এ সফলতাকে আরও ছাঁপিয়ে যান। ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৭ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১৭ ও ৪০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। কাইল অ্যাবটের দূর্দান্ত বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ১৮ রানে পরাজিত হলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

দীর্ঘ সাত বছর পর জানুয়ারি, ২০১৪ সালে স্বার্থকভাবে দলে ফিরে আসেন। এ বছর টেস্ট জগতে বেশ সফল ছিলেন। শারজায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৪ রান তুলেছিলেন। খেলায় তাঁর দল পরাজিত হলেও আত্মবিশ্বাস ফিরে পান ও দলের প্রধান উইকেট-রক্ষকের মর্যাদা লাভ করেন। পরের টেস্টে ৪৮ রান তুলে ৫৭.৩ ওভারে ৩০২ রানের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে ও সিরিজে সমতা আনে। ২০০৭ সালে অভিষেকের পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মাত্র চারটি টেস্ট, চারটি টি২০আই ও ২৬টি ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। কোন স্তরের ক্রিকেটেই তাঁকে নিয়মিত খেলার সুযোগ দেয়া হয়নি। শুধুই ব্যাটিংয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলার স্তরেও অবস্থান করেননি। এছাড়াও, এ সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোন অর্ধ-শতকের সন্ধান পাননি। করেছিলেন। আকমল ভ্রাতৃদ্বয়কে উইকেটের পিছনে নিয়ে আসা হয়।

২০১৪ সালে নিজ দেশে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১৪ আগস্ট, ২০১৪ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ১০৩ ও ৫৫ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, রঙ্গনা হেরাথের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০৫ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।

পরবর্তী দেড় বছরে গড়পড়তা ৭১.২০ ওভার মোকাবেলা করেছিলেন। এ পর্যায়ে দলের সেরা উইকেট-রক্ষকের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। শুরুতে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার জন্যে পাকিস্তানের মূল উইকেট-রক্ষক হিসেবে তাঁকে রাখা হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দলের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন। বল প্রতি ৪৯ রান তুলেন। পরের খেলায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নিজস্ব প্রথম ওডিআই শতক হাঁকান। এরপর থেকে আর তাঁকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

২০১৬ সালের গ্রীষ্মে আজহার আলী’র নেতৃত্বে পাকিস্তান দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড সফর করেন। ক্রিকেটের স্বর্গভূমি লর্ডসে নিজ দেশের পক্ষে প্রথমবারের মতো একদিনের আন্তর্জাতিক শতক হাঁকানোর কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। ক্রিস উকস ও মার্ক উডের বোলিং তোপে পড়ে সফরকারীদের শীর্ষসারিতে ভাঙন ধরে ও দলের সংগ্রহ এক পর্যায়ে ২/৩ দাঁড়ায়। ব্যাটিং অবস্থানের পরিবর্তন ঘটিয়ে তাঁকে উপরের দিকে নিয়ে আসলে তিনি দর্শনীয় ব্যাটিংশৈলী উপহার দেন। ১৩০ বল মোকাবেলা করে ১০৫ রান তুলেন। এ পর্যায়ে তিনি ছয়টি চারের মার মেরেছিলেন। ঐ খেলায় তাঁর দল চার উইকেটে পরাজিত হয়। সুন্দর শতরানের কল্যাণে লর্ডসের লিমিটেড-ওভার্স অনার্স বোর্ডে নিজেকে জায়গা করে নেন।

২০১৬-১৭ মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ১৭ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৭ ও ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

ওডিআই ব্যাটসম্যান হিসেবে সদা-সর্বদাই তাঁকে পর্যবেক্ষণের মধ্যে থাকতে হয়েছিল। ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সালে ওডিআই দলের অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত হন। এরপর, জুন, ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা বিজয়ী পাকিস্তান দলকে নেতৃত্ব দিয়ে স্বীয় যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন। দলকে নেতৃত্ব দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তাঁকে অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হয়। ঐ প্রতিযোগিতায় নিচেরসারির দল ছিল। শিরোপা বিজয়ে তাঁকে একাকী চিন্তা করতে হয়েছে ও কেবলই লক্ষ্যমাত্রার দিকে দৃষ্টি সীমাবদ্ধ ছিল। সেমি-ফাইনালে ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দেন। স্বর্ণালী মুহূর্ত অতিবাহিত করেন তিনি। ইমরান খানের পর প্রথম পাকিস্তানী অধিনায়ক হিসেবে ৩০ বছর বয়সে ৫০-ওভারের ক্রিকেটের বিশ্ব শিরোপা বিজয় করেন। প্রথম খেলায় ভারতের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হবার পর বাদ-বাকী সবগুলো খেলায় জয়ী হয়। চূড়ান্ত খেলায় আবারও ভারতের মুখোমুখি হলে দল জয়ের স্বাদ আস্বাদন করে।

এ সময়ে মিসবাহ-উল-হক ও ইউনুস খানের পর সন্দেহাতীতভাবে দলের সর্বাপেক্ষা দায়িত্বশীল ক্রিকেটার হিসেবে ভূমিকা রাখতেন। টি২০আইয়ে পাকিস্তানের উত্থানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ২০১৬ সালের আইসিসি বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় দলের দূর্বল ফলাফলের প্রেক্ষিতে শহীদ আফ্রিদিকে অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয় ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে টি২০ দলের অধিনায়কত্ব করার আমন্ত্রণ জানান। এ স্তরের ক্রিকেটে দল ভিন্ন পথে ছিল। দায়িত্ব পাবার পর আমূল পরিবর্তন করেন ও শীর্ষসারিতে নিয়ে আসেন। এক বছর পর আজহার আলীকে ওডিআইয়ের অধিনায়কত্ব থেকে বাদ দেয়া হলে তাঁকে এ দায়িত্বে যুক্ত করা হয়। ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রতিযোগিতার অল্প কিছুকাল পর টেস্ট ক্রিকেট থেকে মিসবাহ-উল-হক ও ইউনুস খানের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে ৩২তম অধিনায়ক হিসেবে পাকিস্তানের দীর্ঘ সংস্করণের নেতৃত্ব ভার তাঁর উপর অর্পিত হয়। অক্টোবর, ২০১৯ সাল পর্যন্ত নিজেকে অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের পর ব্যক্তিগত ছন্দহীনতা দৃশ্যমান হয়। সকল স্তরের অধিনায়কত্ব থেকে তাঁকে দূরে সরে রাখা হয় ও এক পর্যায়ে দল থেকে পুরোপুরি বাদ পড়েন।

২০২৩-২৪ মৌসুমে শান মাসুদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে পার্থে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৩ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, মিচেল মার্শের অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কারণে স্বাগতিকরা ৩৬০ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

পাকিস্তান সুপার লীগে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে প্রতিযোগিতায় দলকে নেতৃত্ব দিলেও আশানুরূপ সফলতা পাননি। করাচীর উর্দূভাষী পরিবারে তাঁর জন্ম। আকিলা বানু ও শাকিল আহমেদ সিদ্দিকী দম্পতির সন্তান তিনি। এছাড়াও, তিনি ১০ বছর বয়সে হাফিজ-ই-কুরআন শিক্ষা লাভ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। মে, ২০১৫ সালে সৈয়দা খুসবত শাহ নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। তাঁদের সংসারে আব্দুল্লাহ আহমেদ নামীয় পুত্র সন্তান রয়েছে।

Similar Posts

  • |

    ডেভন কনওয়ে

    ৮ জুলাই, ১৯৯১ তারিখে ট্রান্সভালের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে থাকেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণ করেন ও সেখানেই শৈশবকাল অতিবাহিত করেন। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডে চলে আসেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রায় ১০০টি…

  • | |

    রজার বিজেসুরিয়া

    ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০ তারিখে মোরাতুয়ায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বামহাতি স্পিনার ছিলেন। ১৯৭৮-৭৯ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কোল্টস ক্রিকেট…

  • | | |

    কপিল দেব

    ৬ জানুয়ারি, ১৯৫৯ তারিখে চণ্ডীগড়ে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং ও ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ভারত দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম জীবন্ত কিংবদন্তী। এককথায় অদ্যাবধি ভারতের সেরা ফাস্ট বোলিং অল-রাউন্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন স্ব-মহিমায়। ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসের সেরা পেস বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ…

  • | | | |

    গেভিন লারসেন

    ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৬২ তারিখে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দারুণ খেলতেন। নিখুঁত নিশানা বরাবর বল ফেলে ব্যাটসম্যানদের সমীহের পাত্রে পরিণত…

  • |

    মুত্তিয়া মুরালিধরন

    ১২ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে ক্যান্ডিতে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। ১৯৮৯-৯০ মৌসুম থেকে ২০১০ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কন্দুরাতা এবং…

  • | |

    কার্লি পেজ

    ৮ মে, ১৯০২ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চের লিটলটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে স্লো বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাশাপাশি, স্লিপ কিংবা গালি অঞ্চলে ফিল্ডিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় অধিনায়কের মর্যাদা লাভ করেন। খেলাধূলায় বেশ ভালো ফলাফল করেন। ক্রিকেট ও…