১ মার্চ, ১৯৬৮ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব, নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব এবং তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থাতেই শ্রীলঙ্কা দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন।
১৯৮৫ সালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ঐ বছর নিজ দেশে কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে কলম্বোর পিএসএসে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের দ্বিতীয়টিতে সফররত ভারতের বিপক্ষে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ পর্যায়ে তাঁর বয়স ছিল ১৭ বছর ১৮৯ দিন। এরফলে, শ্রীলঙ্কার সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটারের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। ডিএস ডি সিলভা’র সম্ভাব্য উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচিত হন। ঐ খেলায় শ্রীলঙ্কা দল ভারতকে ১৪৯ রানে পরাভূত করে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।। তবে, খেলায় তাঁকে মাঝে-মধ্যে বোলিং করার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। খেলায় তিনি বেশ আঁটোসাটো বোলিং পরিসংখ্যান গড়লেও কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। প্রথম ইনিংসে ১৬ ওভারসহ খেলায় সর্বমোট ১৯ ওভার বোলিং করেছিলেন।
পরবর্তীতে পাকিস্তান সফরে গেলেও আর কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাননি। ফলশ্রুতিতে, ঐ টেস্টই তাঁর একমাত্র টেস্টে পরিণত হন। এরপর থেকে খুব কমই খেলায় সাড়া জাগাতে পেরেছিলেন। ৩০ বছরের পূর্বেই তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের ইতি ঘটেছিল।
