৩০ মে, ১৯৩৬ তারিখে লন্ডনের ফুলহাম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, বামহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৯৬০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

উইকেট-রক্ষণে দারুণ ভূমিকা পালন করতেন। তবে, ব্যাটিংয়ে ঠিক উল্টো চিত্র তুলে ধরেছেন। ব্যাট হাতে তেমন মাঠে নামার সুযোগ পেতেন না। সচরাচর, এগারো নম্বর অবস্থানে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ইংল্যান্ডে থাকাকালীন সারের মিচামের পক্ষে খেলতেন। নিউজিল্যান্ডে অভিবাসিত হন ও অকল্যান্ডের পক্ষে খেলতে থাকেন। ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম থেকে ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম পর্যন্ত মাত্র তিন মৌসুম তাঁর প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে অজিদের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড একাদশের সদস্যরূপে চারটি প্রতিনিধিত্বমূলক খেলার প্রত্যেকটিতেই অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে একমাত্র উইকেট-রক্ষক হিসেবে টেস্টবহির্ভূত দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমন করেছিলেন।

১৯৬৮ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে নিজ দেশে মনসুর আলী খান পতৌদি’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে অংশ নেয়ার সুযোগ পান। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। মার্ক বার্জেসব্রুস মারে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ০* ও ৬ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ৫ উইকেটে পরাজিত হয়।

ঐ সিরিজ থেকে মাত্র ৭ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। তবে, শেষ খেলায় সাতটি কার্যকর ডিসমিসাল ঘটিয়েছিলেন। ২৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত পরের টেস্টে ১ ও ০ রান তুলেছিলেন। তাসত্ত্বেও স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। দূর্ভাগ্যবশতঃ পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

বামহাতে রান সংগ্রহ করতে না পারার খেসারত গুণতে হয় তাঁকে। জন ওয়ার্ডকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়। পরবর্তীতে এগুলোই তাঁর সর্বশেষ প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণ ছিল।

সম্পৃক্ত পোস্ট