২২ মার্চ, ১৯৯২ তারিখে বার্বাডোসে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মানসম্পন্ন খেলোয়াড়ের সঙ্কটকালীন তাঁর আবির্ভাব ঘটে। তবে, অনেকটা বয়স নিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ী জীবনে প্রবেশ করেন। নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে। প্রচণ্ড চাপ মোকাবেলা করার যোগ্যতা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও, সম্মুখসারির স্পিনার তিনি। খেলা রক্ষাকল্পে এগিয়ে আসেন ও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট লাভে সক্ষমতা দেখান।

২০১১ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস ও সেন্ট লুসিয়া জুকসের পক্ষে খেলেছেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত বার্বাডোস বনাম জ্যামাইকার মধ্যকার খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে।

২০১৫-১৬ মৌসুমের প্রফেসনাল ক্রিকেট লীগে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের মাধ্যমে দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন। ১০ খেলায় অংশ নিয়ে ব্যাট হাতে ৫৯.১৬ গড়ে ৭১০ রান ও ১৭.২৬ গড়ে ২৩ উইকেট পেয়েছিলেন। তন্মধ্যে, গায়ানার বিপক্ষে উভয় ইনিংস থেকে পাঁচ-উইকেট লাভ করেছিলেন। অথচ, প্রথম চার মৌসুমে মাত্র ১৬ উইকেট পেয়েছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে অল-রাউন্ডারের শূন্যতা পূরণে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ এনে দেয়।

২০১৬ সাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশগ্রহণ করছেন। ২০১৬ সালে নিজ দেশে বিরাট কোহলি’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অংশ নেয়ার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন। ২১ জুলাই, ২০১৬ তারিখে নর্থ সাউন্ডে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ২৩ ও ৮ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১০২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৯৩ রানে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরে জ্যামাইকায় অনুষ্ঠিত নিজস্ব দ্বিতীয় টেস্টে ৫/১২১ লাভ করেন। এরপর চূড়ান্ত দিন ১৩৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে ড্র করাতে সক্ষম হন। এরফলে, ডেনিস অ্যাটকিনসন, কোলি স্মিথ ও স্যার গারফিল্ড সোবার্সের পর চতুর্থ ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে একই টেস্টে পাঁচ-উইকেট ও শতক হাঁকানোর গৌরব অর্জন করেন।

পরের বছর নিজ দেশে দুইটি শতক হাঁকিয়ে দলকে পাকিস্তানে বিপক্ষে সিরিজ প্রায় রক্ষা করে ফেলেছিলেন। তাঁর একটি সিরিজের চূড়ান্ত টেস্টে ছিল ও খেলার শেষ ওভারে তাঁর দল পরাজয়ের কবলে পড়ে।

২০১৭ সালে নিজ দেশে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১০ মে, ২০১৭ তারিখে রোজিওতে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ৪/১০৩ ও ১/৩১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৬৯ ও ১০১* রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঐ টেস্টে তাঁর অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন স্বত্ত্বেও শেষ মুহূর্তে তাঁর দল ১০১ রানে পরাজয়বরণ করে ও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

৯ জুন, ২০১৭ তারিখে গ্রোস আইলেটে সফররত আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওডিআইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ২০১৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটার ও বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন।

২০১৭-১৮ মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে জেসন হোল্ডারের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ১ ডিসেম্বর, ২০১৭ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ৫ ও ১৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ২/৯৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। নীল ওয়াগনারের অসাধারণ বোলিং দাপটে তাঁর দল ইনিংস ও ৬৭ রানের ব্যবধানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে যায়।

১২ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দলের সহঃঅধিনায়কের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। ২০২১-২২ মৌসুমে ক্রেগ ব্রাদওয়েটের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ২১ নভেম্বর, ২০২১ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ৫/৮৩ ও ০/২৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ২ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক ডিমুথ করুণারত্নে’র অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১৮৭ রানে জয় পেয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

২০২২-২৩ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে ক্রেগ ব্রাদওয়েটের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২২ ও ০ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৩৩ পান। এইডেন মার্করামের অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮৭ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৮ মার্চ, ২০২৩ তারিখে জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২৮ ও ০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৫৪ ও ০/৪৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা’র অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২৮৪ রানে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০২৫ সালে নিজ দেশে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ১২ জুলাই, ২০২৫ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৮ ও ০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, ০/১৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। মিচেল স্টার্কের অনবদ্য বোলিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১৭৬ রানে পরাভূত হলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

একই বছর ক্যারিবীয় দলের নেতৃত্বে থেকে ভারত সফরে যান। ২ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ২৪ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৯০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। রবীন্দ্র জাদেজা’র অসাধারণ অল-রাউন্ড নৈপুণ্যে সফরকারীরা ইনিংস ও ১৪০ রানে পরাভূত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্যারিবীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়ে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ২ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলে ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। তবে, মোটেই সফলতার স্বাক্ষর রাখতে পারেননি। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ০ ও ৪ রান সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে ম্যাট হেনরি’র শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/১৩ ও ০/৭০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। কিন্তু, জাস্টিন গ্রিভসের স্মরণীয় অল-রাউন্ড ক্রীড়া সাফল্যে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই সফরের ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ২ ও ৫ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/১৫৯ ও ০/১০৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ডেভন কনওয়ে’র অসাধারণ জোড়া শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩২৩ রানে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

Similar Posts

  • |

    ফ্রেড সাসকিন্ড

    ৮ জুন, ১৮৯১ তারিখে ট্রান্সভালের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হতেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯২০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ইউনিভার্সিটি কলেজ স্কুলে অধ্যয়ন শেষে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেন। ১৯০৯ থেকে ১৯৩৬-৩৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে…

  • | |

    জন ওয়েট

    ১৯ জানুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে ট্রান্সভালের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং করতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ছয় ফুটের অধিক উচ্চতাসম্পন্ন জন ওয়েট রোডস বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম সেরা উইকেট-রক্ষকের মর্যাদাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। ১৯৪৮-৪৯ মৌসুম থেকে ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী…

  • |

    ভিনসেন্ট ট্যানক্রেড

    ৭ জুলাই, ১৮৭৫ তারিখে কেপ প্রভিন্সের পোর্ট এলিজাবেথে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হতেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ১৮৯৮-৯৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ১৮৯৮-৯৯ মৌসুমে লর্ড…

  • | |

    পার্সি টোয়েন্টিম্যান-জোন্স

    ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৭৬ তারিখে কেপ কলোনির বিউফোর্ট ওয়েস্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯০০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৮৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ১৯০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নভেম্বর, ১৯০২…

  • | | |

    আর্থার জিলিগান

    ২৩ ডিসেম্বর, ১৮৯৪ তারিখে লন্ডনের ডেনমার্ক হিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি, ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। অনেক গুণে গুণান্বিত ছিলেন। পর্যাপ্ত পেস ও দম নিয়ে ফাস্ট…

  • |

    ভন ব্রাউন

    ৩ নভেম্বর, ১৯৫৯ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে লেগ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৭৮-৭৯ মৌসুম থেকে ১৯৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ক্যান্টারবারির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৫…