২৪ আগস্ট, ১৯০৯ তারিখে জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণের সাথে নিযুক্ত যুক্ত রেখেছিলেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ১৯৩০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৯-৩০ মৌসুম থেকে ১৯৩৯-৪০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।
১৯৩৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই ১৯৩৮-৩৯ মৌসুমে নিজ দেশে ওয়ালি হ্যামন্ডের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৯ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব হয়। খেলায় তাঁকে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে না হলেও উইকেটের পিছনে অবস্থান করে পাঁচটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলেও সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর, ৩ মার্চ, ১৯৩৯ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অসীম সময়ের ঐ টেস্টে ৭৫ ও ৩৯ রান সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি স্ট্যাম্পিং ও তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। তবে, দশ দিন হবার পর খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয় ও সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। এ পর্যায়ে ইংল্যান্ড দলের জাহাজে চড়ে দেশে ফেরার তাগিদ ছিল। এভাবেই তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত জীবন শেষ হয়ে যায় ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে আট বছর দক্ষিণ আফ্রিকা দল কোন টেস্টে অংশ নেয়নি। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
২৪ জুলাই, ১৯৯৮ তারিখে জোহানেসবার্গের ওয়াভার্লি এলাকায় ৮৮ বছর ৩৩৪ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
