২৪ ডিসেম্বর, ১৯২৬ তারিখে কেপ প্রভিন্সের আউটশুর্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৪৫-৪৬ মৌসুম থেকে ১৯৫৯-৬০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্ন প্রভিন্স ও গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্টের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে চারবার মধ্যাহ্নভোজনের পূর্বেই শতক হাঁকানোর গৌরব অর্জন করেন। এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে কারি কাপের এক খেলায় উভয় ইনিংসে শতরান করেন। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে কিম্বার্লিতে গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্ট বনাম বর্ডারের খেলায় এ সফলতার সন্ধান পান। ১৯৪৫-৪৬ মৌসুমে অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক খেলায় ১১৪ রানের শতরান করেন।
১৯৫০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৪৯-৫০ মৌসুমে নিজ দেশে লিন্ডসে হ্যাসেটের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫০ তারিখে জোহানেসবার্গের এলিস পার্কে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। পল উইনস্লো ও মাইকেল মেলের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও স্বাগতিকরা ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ৩ মার্চ, ১৯৫০ তারিখে জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ৭ ও ৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ২৫৯ রানে পরাজিত হলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে স্বদেশী জন ওয়াটকিন্সের দেহাবসানের ফলে বিশ্বের বয়োজ্যেষ্ঠ জীবিত টেস্ট ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ৯৮ বছর ৬৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
