|

রোহন জয়াসেকেরা

৭ ডিসেম্বর, ১৯৫৭ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, কানাডার পক্ষে খেলেছেন।

১৯৭৯ থেকে ১৯৮১-৮২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ড গমন করেন। এ সফরে আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান ও স্ট্যানলি জয়াসিংহের সহকারী হিসেবে সংরক্ষিত উইকেট-রক্ষকের দ্বৈত ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। কিন্তু, ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৭৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরে তাঁকে খেলানো হয়নি।

১৯৮২ সালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও দুইটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। খেলায় তিনি উইকেট-রক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ১৭ রান সংগ্রহ করেন ও ৬ রানের রোমাঞ্চপূর্ণ পরাজয়ের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখেন।

১৯৮১-৮২ মৌসুমে বান্দুলা বর্ণাপুরা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে পাকিস্তান সফরে যান। ২২ মার্চ, ১৯৮২ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। রজার বিজেসুরিয়া’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। কেবলমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছিলেন। ইমরান খানের তোপে শ্রীলঙ্কা দল গুড়িয়ে যায়। ইমরান খানের খেলায় ১৪ উইকেট লাভে তিনি দুইবার ০ ও ২ রানে বোল্ড হন। ইনিংস ও ১০২ রানে জয় পেয়ে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। এরপর আর তাঁকে শ্রীলঙ্কা দলে খেলতে দেখা যায়নি। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। ফলশ্রুতিতে, এক টেস্টের বিস্ময়কারীদের তালিকায় তিনি যুক্ত হয়ে পড়েন।

সম্পৃক্ত পোস্ট