৩ জুন, ১৯৭২ তারিখে ওতাগোর ডুনেডিনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
‘সিনেটর’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। একাডেমি একাদশের সদস্যরূপে দারুণ খেলা প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে প্রথমবারের মতো মনোনীত হন।
১৯৯৬ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে চারটিমাত্র টেস্ট ও সাতটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৬ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। জিওফ অ্যালট, গ্রেগ লাভারিজ ও নাথান অ্যাসলে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ৩/২৮ ও ০/১৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ক্রিস কেয়ার্নসের অসাধারণ বোলিংশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
নিখুঁত নিশানা বরাবর বোলিংয়ে পারদর্শীতার সুবাদে বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় তাঁকে নিউজিল্যান্ড দলে রাখা হয়। দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী তিনি। বলকে স্ট্যাম্পের কাছাকাছি এলাকায় ফেলতেন ও বোলিংকালে মাথা সোজা রাখতেন। উভয় দিক দিয়েই বলকে ফেলতে পারতেন। অনেকগুলো মৌসুম মিতব্যয়ী বোলারের মর্যাদা পান। তবে, প্রথম টেস্টে অভিজ্ঞতার অভাব লক্ষ্য করা যায়। রিভার্স সুইংকালে বলের উপর নিয়ন্ত্রণ হারান। তাঁর ভাষায়, ইতোপূর্বে এ ধরনের ঘটনা কখনো ঘটেনি। অনুশীলনীকালে তা আর দেখা যায়নি।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে আবারও অংশগ্রহণের সুযোগ পান। নতুন বল নিয়ে খেলার শুরুতে ও পরবর্তীতে শেষের ওভারগুলোয় বোলিং করেন। একটি খেলায় তাঁর দূর্বলতা প্রদর্শন করলেও নিজেকে মেলে ধরতে সোচ্চার হন। কিন্তু বেশ কয়েকটি ওয়াইড বল মারেন। এগুলোর কয়েকটি বেশ সুনিয়ন্ত্রিত ছিল। এরফলে, তাঁর আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে উঠে।
১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে লি জার্মনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ২৭ এপ্রিল, ১৯৯৬ তারিখে সেন্ট জোন্সে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ০/৫৯ ও ০/৩০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
এক পর্যায়ে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে রিক্সন আমলে দল থেকে বাদ পড়েন। পরবর্তীতে আর দলে ফিরে আসতে পারেননি ও পর্দার অন্তরালে চলে যান।
