১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯১১ তারিখে অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের সুইনবার্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নাটালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩৩-৩৪ মৌসুম থেকে ১৯৩৯-৪০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। তন্মধ্যে, ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে সফররত অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে নাটালের সদস্যরূপে উভয় খেলায় শতক হাঁকিয়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলার জন্যে তাঁকে টেস্ট দলে রাখা হয়।
১৯৩৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে খেলেছেন। ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে নিজ দেশে ভিক রিচার্ডসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। সিরিজের শেষ দুই টেস্টে অংশ নেন। কিন্তু, কোন খেলাতেই তেমন সফলতার সন্ধান পাননি। এরিক ডেভিসের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় ব্যাট হাতে নিয়ে ৫ ও ১৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ইনিংস ও ১৮৪ রানে পরাজিত হলে স্বাগতিকরা ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, একই সফরের ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৭ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ২৮ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৬ রানে পরাজিত হলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
খাঁটিমানসম্পন্ন ব্যাটসম্যান হিসেবে সম্যক পরিচিতি লাভ করেন। তবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনে সমাপ্তি রেখা টানতে হয়। ২০ জুলাই, ২০০০ তারিখে কোয়াজুলু-নাটালের ক্লুফ এলাকায় ৮৮ বছর ৩১০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
