১৬ সেপ্টেম্বর, ১৮৭৭ তারিখে কেপ প্রভিন্সের গ্রাহামসটাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে কেপ কলোনি ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯৭-৯৮ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। কেপ কলোনির সদস্যরূপে সফররত ইংরেজ একাদশের বিপক্ষে ৫/৫৪ লাভ করেন। এর স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে যুক্ত করা হয়।
১৮৯৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছেন। অংশগ্রহণকৃত টেস্টগুলো তাঁর তৃতীয় ও চতুর্থ প্রথম-শ্রেণীর খেলা ছিল। ১৮৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে লর্ড হকের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। হাওয়ার্ড ফ্রান্সিস, মারে বিসেট, রবার্ট ডোয়ার, ভিনসেন্ট ট্যানক্রেড ও উইলিয়াম সলোমনের সাথে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ২/২২ ও ০/৩৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৪ ও ০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ৩২ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, একই সফরের ১ এপ্রিল, ১৮৯৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ০/২৬ ও ১/৪১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পাশাপাশি, ০ ও ২ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে আলবার্ট ট্রটের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। স্বাগতিকরা ২১০ রানে পরাভূত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
এছাড়াও, ১৯০১ সালে দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে, কোন টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। টাই হওয়া খেলায় স্বর্ণালী মুহূর্ত অতিবাহিত করেন। ওরচেস্টাশায়ারের বিপক্ষে ৮/৯০ লাভ করেন। ব্যাট হাতে মোটেই সুবিধের ছিলেন না। তাসত্ত্বেও, লিচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ১১ নম্বর অবস্থানে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। পরবর্তীতে এটিই প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তাঁর একমাত্র অর্ধ-শতকে পরিণত হয়।
২১ এপ্রিল, ১৯৪৬ তারিখে ইংল্যান্ডের আপারটন এলাকায় ৬৮ বছর ২১৭ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
