|

রব নিকোল

২৮ মে, ১৯৮৩ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানরূপে খেলে থাকেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে অগ্রসর হন। ২০১০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

২০০২-০৩ মৌসুম থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চালু রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ক্যান্টারবারি, ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্লুচেস্টারশায়ার এবং জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০০২-০৩ মৌসুম থেকে অকল্যান্ডের পক্ষে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। অভিষেক মৌসুমেই স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। এ পর্যায়ে ৬৬৪ রান তুললেও জাতীয় দলে ঠাঁই পাননি।

আট মৌসুম খেলার পর ২০০৯-১০ মৌসুমে ক্যান্টারবারিতে চলে যান। ক্যান্টারবারির পক্ষে প্রথম মৌসুমেই ৫১৪ রান সংগ্রহ করেন। টি২০ এইচআরভি কাপে ১২৭.৪১ স্ট্রাইক-রেটে ২৩৭ রান তুলে দলের সর্বাধিক রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। এরফলে, জিম্বাবুয়ে সফরে ওডিআই দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত হন।

২০১০ থেকে ২০১৩ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট, ২২টি ওডিআই ও ২১টি টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ২০১০ সালে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হন। ২২ মে, ২০১০ তারিখে লডারহিলে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি২০আইয়ে খেলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। এরপর, ২০ অক্টোবর, ২০১১ তারিখে হারারেতে ওডিআই অভিষেকে শতক হাঁকিয়ে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখেন। এরফলে, মার্টিন গাপটিলের পর দ্বিতীয় নিউজিল্যান্ডীয় ও বৈশ্বিকভাবে সপ্তম খেলোয়াড় হিসেবে ওডিআই অভিষেকে শতরানের ইনিংস খেলার গৌরব অর্জন করেন। তবে, এর পরপরই খেলায় ছন্দপতন ঘটে। আবারও শতরানের সন্ধান পান। এটিও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ছিল।

২০১১-১২ মৌসুমে নিজ দেশে গ্রায়েম স্মিথের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৭ মার্চ, ২০১২ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ক্রুজার ফন উইকের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০/০ ও ০/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৬ ও ১৯ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়কের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর বদান্যতায় খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই সফরের ১৫ মার্চ, ২০১২ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ২ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ভার্নন ফিল্যান্ডারের অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যে সফরকারীরা ৯ উইকেটে জয় পেলে সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

৩০ বছর বয়সে এসে কেন উইলিয়ামসনটম ল্যাথামের ন্যায় তরুণদের উত্থানে জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা তিরোহিত হয়ে পড়ে। ২০১৫ সালে টি২০ চ্যাম্পিয়নশীপে অকল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ৯ জুন, ২০১৮ তারিখে সকল স্তরের ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন।

Similar Posts

  • |

    ক্রিস এমপফু

    ২৭ নভেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে মাতাবেলেল্যান্ডের প্লামট্রি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে ২০২০-২১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড, মাতাবেলেল্যান্ড, মাতাবেলেল্যান্ড তুস্কার্স ও ওয়েস্টার্নসের…

  • | |

    হ্যারি বাট

    ২৭ ডিসেম্বর, ১৮৬৫ তারিখে মিডলসেক্সের স্যান্ডস এন্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। দলে মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ছোটখাটো গড়নের অধিকারী হলেও পদচারণা ব্যতিব্যস্ত থাকতেন। স্ট্যাম্পিংয়ের চেয়ে গ্লাভসবন্দীকরণেই অধিক সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। ভীতিহীন চিত্তে খেলায় অংশ নিতেন। ১৮৯০ থেকে ১৯১২ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী…

  • |

    দান্তে পার্কিন

    ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৮৭৩ তারিখে কেপ প্রভিন্সের পোর্ট এলিজাবেথ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং শৈলী উপহার দিতেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্ন প্রভিন্স, গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্ট ও ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৮৯-৯০…

  • |

    জেসন ক্রেজা

    ১৪ জানুয়ারি, ১৯৮৩ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের নিউটাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘ক্রেজি’ ডাকনামে ভূষিত জেসন ক্রেজা ১.৮৪ মিটার উচ্চতার অধিকারী। ২০০৪-০৫ মৌসুম থেকে ২০১২-১৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবনে সরব ছিলেন। ঘরোয়া আসরের…

  • |

    কেন ওয়াডসওয়ার্থ

    ৩০ নভেম্বর, ১৯৪৬ তারিখে নেলসনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৬৮-৬৯ মৌসুম থেকে ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারি ও সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেকের অল্প কিছুদিন পরই জুলাই, ১৯৬৯ সালে…

  • | | |

    এজরা মোসলে

    ৫ জানুয়ারি, ১৯৫৮ তারিখে বার্বাডোসের ওয়াল্ড্রন্স ভিলেজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮০-৮১ মৌসুম থেকে ১৯৯১-৯২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান…