১২ জানুয়ারি, ১৯৬২ তারিখে অ্যান্টিগুয়ার ফাইভ আইল্যান্ডস ভিলেজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, রেফারি ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আক্রমণাত্মক ধাঁচে ব্যাটিং করতেন। ব্যাটিংকালে হেলমেটের পরিবর্তে গাঢ় তাম্রবর্ণের সৌর টুপি পরিধান করে খেলতে নামতেন। অটোস কম্প্রিহেনসিভ স্কুলের পক্ষে খেলতেন। দলের চতুর্থ রক্ষণাত্মক ব্যাটসম্যান হিসেবে ভূমিকা রাখতেন। কোচ গাই ইয়ারউডের নজর কাড়েন। শুরুরদিকের উত্তরণে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য্য ছিল। ব্যাটিংকালে স্ট্রোক প্লে যুক্ত করে প্র্রতিরক্ষাব্যূহকে আরও মজবুতকরণে অগ্রসর হন। খুব শীঘ্রই আক্রমণাত্মক কৌশল অবলম্বনে নিয়মিতভাবে বলকে মাঠের বাইরে ফেলে নিজেকে মেলে ধরতে প্রয়াস চালান।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে লিওয়ার্ড আইল্যান্ডস ও উইন্ডওয়ার্ড আইল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে নর্দার্নস এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮১-৮২ মৌসুম থেকে ২০০০-০১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ১৯৮২ সালে লিওয়ার্ড আইল্যান্ডসের পক্ষে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতে শুরু করেন। শুরু থেকেই তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে থাকেন।

ঘরোয়া ক্রিকেটে অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের ফলে দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টিগোচরীভূত হন। গর্ডন গ্রীনিজ ও ডেসমন্ড হেইন্সের বিকল্প উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে মনোনীত হন।

১৯৮৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বমোট ৮৬ টেস্ট ও ২২৪টি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সাথে ভারত গমন করেন। ২৪ নভেম্বর, ১৯৮৩ তারিখে বোম্বেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ০ ও ২৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

টেস্ট অভিষেক পর্বটি সুবিধে হয়নি তাঁর। পাশাপাশি, তাঁর মালপত্র চুরি যায়। এরফলে, পুরো সফরে তাঁকে স্বল্প কিছু কাপড়চোপড় নিয়ে চলাফেরা করলেও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কিছুই ভূমিকা রাখেনি। তুলনামূলকভাবে ওডিআই অভিষেক পর্বটি ভালো করেছিলেন। একই সফরের ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৩ তারিখে গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় ৫৭ বল থেকে ৪৫ বল তুলে দলের বিজয়ে ভূমিকা রাখেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজস্ব চতুর্থ টেস্টে ১৩১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে নিজেকে নিয়মিত খেলোয়াড়ে পরিণত করেন। এরপর, সেন্ট জোন্সে নিজ মাঠে ১৫৪ রান তুলেন।

১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে ভিভ রিচার্ডসের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের অন্যতম সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৭ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩৭ ও ০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। জন রাইটের অনবদ্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৯০-৯১ মৌসুমে ডেসমন্ড হেইন্সের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সাথে পাকিস্তান সফরে যান। ২৩ নভেম্বর, ১৯৯০ তারিখে ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। এ টেস্টে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ৪৪ ও ৭০* রান সংগ্রহ করেন। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ঐ খেলায় সফরকারীরা সাত উইকেটের ব্যবধানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতায় ফেরে। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

একই মৌসুমে নিজ দেশে অ্যালান বর্ডারের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে অসাধারণ খেলেন। ২৭ এপ্রিল, ১৯৯১ তারিখে সেন্ট জোন্সে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে ৩ ও ৪১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, মার্ক টেলরের অনবদ্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় সফরকারীরা ১৫৭ রানে জয় পেলেও ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। এ সিরিজে ৪৭৫ রান সংগ্রহ করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

চার বছর দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে ক্যারিবীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। ২ জানুয়ারি, ১৯৯৩ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১০৯ রানের মনোমুগ্ধকর শতক হাঁকান। এ পর্যায়ে খেলার চতুর্থ দিন দলীয় তারকা ক্রিকেটার ব্রায়ান লারা’র (২৭৭) সাথে ২৯৩ রানের জুটি গড়েন। এটি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তৃতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ব্রায়ান লারা’র অসাধারণ দ্বি-শতক সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

কেবলমাত্র ১৯৯৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে একবার সিরিজে পরাজিত হয়েছিল। ঐ বছর অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ক্যারিবীয় দলকে নিয়ে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৪ আগস্ট, ১৯৯৫ তারিখে ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের ষষ্ঠ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৯৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সিরিজটি ২-২ ব্যবধানে অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার পর ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এ প্রতিযোগিতায় সেমি-ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজিত হয়েছিল। ১৯৯২ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। নাইটহুড পদবী লাভ করেন। অতঃপর, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ তারিখে নর্থ স্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম ইংল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম ওডিআইয়ে অ্যান্ডি রবার্টসের নেতৃত্বে কার্টলি অ্যামব্রোসকে সাথে নিয়ে কুচকাওয়াজে অংশ নেন। ২০১৪ সালে অ্যান্টিগুয়ীয় সরকার থেকে নাইট কমান্ডার অব দি অর্ডার অব দ্য নেশন উপাধীপ্রাপ্ত হন।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর রেফারির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, প্রশাসনের দিকে ধাবিত হন। জানুয়ারি, ২০১১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ব্যবস্থাপক হিসেবে মনোনীত হন। ২০১৫ সালে আইসিসি কর্তৃক ম্যাচ রেফারিদের এলিট প্যানেলে যুক্ত হন। আইসিসি মনোনীত ম্যাচ রেফারি হিসেবে ২৯ টেস্ট, ৫৭ ওডিআই ও ৩৯টি টি২০আই পরিচালনা করেছেন। ডিসেম্বর, ২০১৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন।

অবসর গ্রহণের পর বিগ ব্যাড ড্রেড এন্ড দ্য বল্ড হেড ব্যান্ড দলে কার্টলি অ্যামব্রোসের সাথে গিটার বাজান।

Similar Posts

  • | |

    জর্জ পোপ

    ২৭ জানুয়ারি, ১৯১১ তারিখে ডার্বিশায়ারের টিবশেল্ফ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ বোলিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৪০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বোলার হিসেবে তিনি বলকে উভয়দিক দিয়েই ঘুরাতে পারতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডার্বিশায়ারের পক্ষে ১৬৯ খেলায় অংশ…

  • |

    সোহাগ গাজী

    ৫ আগস্ট, ১৯৯১ তারিখে বরিশালে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ২০১০-এর দশকে বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। প্রকৃত মানসম্পন্ন অফ-স্পিনার হিসেবে বরিশালের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা পটুয়াখালী থেকে এসে বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে যুক্ত হয়েছিলেন। বাংলাদেশের অন্যতম উদীয়মান ধীর গতিসম্পন্ন বোলাররূপে স্বীকৃতি…

  • |

    কামিন্ডু মেন্ডিস

    ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে গলেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর অফ-ব্রেক কিংবা স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারঙ্গমতা প্রদর্শন করছেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। গলেভিত্তিক রিচমন্ড কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ষোড়শ জন্মদিন উদযাপনের পূর্বেই শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ দলে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ২০১৮ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯…

  • | |

    নীল অ্যাডকক

    ৮ মার্চ, ১৯৩১ তারিখে কেপ প্রদেশের সী পয়েন্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘদেহী আক্রমণাত্মক ফাস্ট বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। মাইক প্রোক্টর, পোলক পরিবার কিংবা অ্যালান ডোনাল্ড বৈশ্বিক ক্রিকেট…

  • |

    ফ্রেডরিক কাইজ

    ২১ মার্চ, ১৮৭০ তারিখে কেপ কলোনির জর্জ এলাকায় জন্মগ্রহকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে বোলিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯৬-৯৭ মৌসুম থেকে ১৮৯৮-৯৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। দক্ষিণ আফ্রিকান…

  • |

    কায়সার আব্বাস

    ৭ মে, ১৯৮২ তারিখে পাঞ্জাবের মুরিদকে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, কার্যকর স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। ২০০০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম থেকে ২০১৮-১৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংক, পাকিস্তান…