১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৮ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৮৭-৮৮ মৌসুম থেকে ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গটেং এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সমারসেটের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে পাঁচটিমাত্র টেস্ট ও ৪২টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১০ নভেম্বর, ১৯৯১ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অনেকগুলো মৌসুম নিষেধাজ্ঞার কবল থেকে মুক্ত হবার পর ১৯৯২ সালে বার্বাডোসে দক্ষিণ আফ্রিকা দল প্রথম টেস্টে অংশগ্রহণ করে। অল্পের জন্যে জয় হাতছাড়া হয়ে যায়। ঐ বছর বর্ণবৈষম্যবাদ পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসার পর কেপলার ওয়েসেলসের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবক দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১৮ এপ্রিল, ১৯৯২ তারিখে বার্বাডোসের ব্রিজটাউনে রিচি রিচার্ডসনের নেতৃত্বাধীন স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। পিটার কার্স্টেন, অ্যাড্রিয়ান কুইপার, মার্ক রাশমেয়ার, অ্যান্ড্রু হাডসন, ডেভিড রিচার্ডসন, অ্যালান ডোনাল্ড, মেরিক প্রিঙ্গল, টারটিয়াস বস ও হান্সি ক্রোনিয়ে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে ৩ রান করে সংগ্রহ করে উভয় ক্ষেত্রে কার্টলি অ্যামব্রোসের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। তবে, অ্যান্ড্রু হাডসনের অসাধারণ শতক সত্ত্বেও খেলায় সফরকারীরা ৫২ রানে পরাজিত হয়।
১৯৯৪ সালে বিশ্ব সিরিজের চূড়ান্ত খেলায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অপূর্ব ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। খেলায় তিনি পাঁচ-উইকেট পান। এটিই তাঁর সর্বাপেক্ষা সেরা সাফল্য ছিল। ঐ খেলায় ২৮ রানে জয় পেয়ে তাঁর দল ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেও পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া দল ২-১ ব্যবধানে শিরোপা জয় করে।
১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে নিজ দেশে প্রথমবারের মতো টেস্টে অংশ নেন। ঐ মৌসুমে কেন রাদারফোর্ডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৫ নভেম্বর, ১৯৯৪ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৬ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/১১২ ও ১/৫৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সায়মন ডৌলের অল-রাউন্ড নৈপুণ্যে সফরকারীরা ১৩৭ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
প্রতিভাবান ফাস্ট বোলারদের দাপটে ধীরে ধীরে পর্দার অন্তরালে চলে যান। এক পর্যায়ে ১৯৯৬ সালে দল থেকে বাদ পড়েন। পেশাদারী পর্যায়ে আরও দুই বছর খেলেন। ৩০ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন।
