২৬ জুলাই, ১৮৮৮ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
রন্ডেবশভিত্তিক ডিওসেসান কলেজে অধ্যয়ন করেন। রোডস স্কলার ছিলেন। অক্সফোর্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজে পড়াশুনো করেছিলেন। অক্সফোর্ডে অবস্থানকালে ভ্রাতাদের ন্যায় তিনিও রাগবিতে ব্লুধারী হন। ১৯০৯-১০ মৌসুমে সাউথ বনাম রেস্টের মধ্যকার খেলায় অংশগ্রহণের জন্যে মনোনীত হন। ১৯১০-১১ মৌসুমে ইংল্যান্ডের সদস্যরূপে ফ্রান্স ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অনুল্লেখ্য খেলায় অংশ নেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯১২-১৩ মৌসুম থেকে ১৯১৩-১৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।
১৯১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯১৩-১৪ মৌসুমে নিজ দেশে জনি ডগলাসের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবার পূর্বে ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৪ তারিখে জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন। বিল লুন্ডি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নিয়ে খেলায় তিনি ০ ও ৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে পরাভূত হলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সাউথ আফ্রিকান আর্টিলারিতে যুক্ত ছিলেন। পশ্চিম রণাঙ্গনে অবস্থানকালীন ২০ এপ্রিল, ১৯১৮ তারিখে ফ্রান্সে মাত্র ২৯ বছর ২৬৮ দিন বয়সে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। মৃত্যুকালীন ক্যাপ্টেন পদবীধারী ছিলেন। ভ্রাতৃত্রয়ের মধ্যে জ্যেষ্ঠ ছিলেন। প্রত্যেকেই ক্রিকেট খেলার সাথে জড়িত ছিলেন। তন্মধ্যে, সহোদর ফিলিপ হ্যান্ডসের সাথে একত্রে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
