২৮ মার্চ, ১৯১৫ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে উদ্বোধনী অবস্থানে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতে পারতেন। ১৯৫০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৫২ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নেন। সব মিলিয়ে মাত্র দুই টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলোই টেস্টে প্রতিপক্ষ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। ১৯৫১-৫২ মৌসুমে নিজ দেশে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে ল্যাঙ্কাস্টার পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ডন বিয়ার্ডের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ পর্যায়ে তাঁর বয়স ছিল ৩৬ বছর। তবে, এটিই তাঁর স্বর্ণালী মৌসুম ছিল। প্লাঙ্কেট শীল্ডে ক্যান্টারবারির সদস্যরূপে ৭২.১৬ গড়ে ৪৩৩ রান তুলেছিলেন। এ টেস্টে ৫ ও ২৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে পরাভূত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ তারিখে অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। সফরকারীদের সংগ্রহ ৫৪৬/৬ হয়। এ পর্যায়ে তিনি ফ্রাঙ্ক ওরেল ও ক্লাইড ওয়ালকটের উইকেট লাভ করেন। ২/৫২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৫ ও ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। অবশ্য খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৯৩৬-৩৭ মৌসুম থেকে ১৯৫৩-৫৪ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। অকল্যান্ড ও ক্যান্টারবারির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সব ধরনের প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে তিনটি শতক সহযোগে ২৯.৪২ গড়ে ১১৭৭ রান পেয়েছেন। এছাড়াও, ৩৪.২৭ গড়ে ২২ উইকেট দখল করেন।
১৮ ডিসেম্বর, ১৯৮২ তারিখে অকল্যান্ডে ৬৭ বছর ২৬৫ দিন বয়সে অকল্যান্ডে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
