|

রঞ্জন দাস

১৪ জুলাই, ১৯৮২ তারিখে ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকের সূচনালগ্নে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১২ মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ ও ‘এ’ দলের পক্ষে খেলেছেন। ‘রানা’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম থেকে ২০০৩-০৪ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে ঢাকা বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে ঢাকা বিভাগের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশ নেন।

বাংলাদেশের প্রকৃতমানের এক টেস্টের বিস্ময়কারী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ক্ষিপ্র গতিসম্পন্ন বামহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে কেবলমাত্র একবারই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১০ নভেম্বর, ২০০০ তারিখে ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সফররত ভারত দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেয়া একমাত্র বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে আর কোন টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পাননি। বিস্ময়করভাবে এটি তাঁর প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের দ্বিতীয় খেলা ছিল।

সদাগোপান রমেশের উইকেট লাভ করেছিলেন। বলে বৈচিত্র্য আনয়ণে পেস বোলিং করতেন। তবে, শারীরিক অসচেতনতা, আঘাতের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা না থাকায় উদীয়মান খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। সাবেক বাংলাদেশী ক্রিকেটার ও কোচ দীপু রায় চৌধুরী’র সান্নিধ্যে নিজেকে আরও শাণিত করেন। তবে, মঞ্জুরুল ইসলামের আবির্ভাবে তাঁকে দ্রুত পর্দার অন্তরালে চলে যেতে হয়। ২০০৪-০৫ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটসহ ক্লাব ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এ পর্যায়ে নিজেকে বামহাতি স্পিনার হিসেবে উপস্থাপন করেন। তবে, বোলিংয়ের ধরন পরিবর্তনে সফলতা পাননি ও পিছলে পড়ে যান। তাসত্ত্বেও, অন্যান্য অবসর গ্রহণকারী ক্রিকেটারদের সাথে বেমানান সাপ্তাহিক ক্রিকেটে অংশ নেন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ব্যাংকার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ধর্মান্তরিত হবার পর তিনি মাহমুদুর রহমান নাম ধারণ করেন।

সম্পৃক্ত পোস্ট