|

রচিন রবীন্দ্র

১৮ নভেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটিংয়ের দিকেই অধিক মনোসংযোগ ঘটিয়ে থাকেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়া, কার্যকর স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওয়েলিংটন ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডারহামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ৩০ অক্টোবর, ২০১৮ তারিখে আইসিসিএ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান ‘এ’ বনাম নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। ২০২০-২১ মৌসুমের সুপার স্ম্যাশ চ্যাম্পিয়নশীপে ওয়েলিংটনের শিরোপা বিজয়ে দারুণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও, ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডারহামের পক্ষে খেলেছেন। ১২ জুন, ২০২২ তারিখে দলটির পক্ষে অভিষেক ঘটে। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে দ্বি-শতক হাঁকিয়ে অভিষেক পর্বকে স্মরণীয় করে রাখেন।

২০২১ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০২১-২২ মৌসুমে কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে বাংলাদেশ গমন করেন। ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে মিরপুরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে প্রবেশ করেন। দুই মাস পর ২৫ নভেম্বর, ২০২১ তারিখে কানপুরের গ্রীন পার্ক আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। চূড়ান্ত দিনে দেড় ঘণ্টা ব্যাটিং করে ৯১ বল মোকাবেলায় ১৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে অপ্রত্যাশিতভাবে ড্রয়ে পরিণত করেন। ২৮৪ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় নেমে দলের সংগ্রহ ১৫৫/৯ হলে শেষ আট ওভার আটকিয়ে দেন। এজাজ প্যাটেলকে নিয়ে শেষ উইকেট জুটিতে ৫২ বল স্বার্থকতার সাথে রুখে দেন। এজাজ প্যাটেল ২৩ বল থেকে ২ রান তুলে অপরাজিত অবস্থায় মাঠ ছাড়েন। খেলা শেষ হবার ১২ মিনিট পূর্বে মন্দালোকের কবলে পড়লে তাঁর দল ১৬৫/০ তুলে। এ টেস্টে তিনি ১৩ ও ১৮* রান তুলেন এবং ১৬ ওভার বোলিং করেছিলেন।

২০২১-২২ মৌসুমে টম ল্যাথামের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ভারত সফরে যান। ৩ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন। ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসে এস গিলকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ০/১৭। খেলায় তিনি ০/২০ ও ৩/৫৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৮ রানের সমকক্ষ হন। ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ ও ১৮ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে জয়ন্ত যাদবের শিকারে পরিণত হন। পাশাপাশি, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। মৈয়াঙ্ক আগরওয়ালের অসামান্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩৭২ রানের ব্যবধানে জয় পায় ও ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

১১ জুন, ২০২২ তারিখে এলভি= ইন্স্যুরেন্স কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপ দ্বিতীয় বিভাগের খেলায় অংশ নেয়ার লক্ষ্যে ডারহামের সাথে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় পারিবারিক কারণে এ মাসের শুরুতে এক খেলায় অংশ নেয়ার পর ফিরে যাওয়া কিগান প্যাটারসনের শূন্যতা পূরণে যোগ দেন। দলের প্রথম খেলাতেই দ্বি-শতক হাঁকান ও এ শতকটি তাঁর চতুর্থ ছিল। ব্যক্তিগত সেরা ২১৭ রানের ইনিংসের কল্যাণে তাঁর দল নিজ মাঠে ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ৬৭২-৭ তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। প্রথম দিনের পুরোটা সময় ব্যাটিং করেন ও ৪২৬/৫ তুলে বিদেয় নেন। তাঁর এ ইনিংসে ৩২টি চারের মার ছিল ও প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা সময় নিয়ে ৩১৮ বল মোকাবেলা করেন। এরফলে, ডারহামের পক্ষে অভিষেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন ও প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ডারহাম দল তাদের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করে। ২০১৭ সালে স্বদেশী টম ল্যাথামের পর দ্বিতীয় বিদেশী খেলোয়াড় হিসেবে ডারহামের পক্ষে অভিষেকে শতক হাঁকানোর কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৬ রান সংগ্রহকারী ও দলীয় অধিনায়ক স্কট বর্থউইকের সাথে ২৩০ রানের জুটি গড়েন।

২০২৩-২৪ মৌসুমে নিজ দেশে নীল ব্র্যান্ডের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধন পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৮ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে নিজস্ব প্রথম টেস্ট শতক হাঁকান। খেলায় তিনি ২৪০ ও ১২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/১৬ ও ০/১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ২৮১ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে টেস্টে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বতন সেরা ছিল ৩/৫৬। খেলায় তিনি ৩/৩৩ ও ১/৫০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ২৯ ও ২০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, অভিষেকধারী উইলিয়াম ও’রোর্কের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা খেলায় ৭ উইকেটে জয়লাভসহ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে অজি দলের মুখোমুখি হন। ৮ মার্চ, ২০২৪ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে ৪ ও ৮২ রান সংগ্রহ করেন। তাসত্ত্বেও খেলায় সফরকারীরা মাত্র ৩ উইকেটের ব্যবধানে জয়ী হয় ও সিরিজে ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে।

২০২৪-২৫ মৌসুমে টম ল্যাথামের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ১৬ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণত্বের পরিচয় দেন। ১৩৪ ও ৩৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

একই সফরের ১ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে ওয়াংখেড়েতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ০/৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ৫ ও ৪ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, এজাজ প্যাটেলের স্মরণীয় বোলিং সাফল্যে স্বাগতিকরা মাত্র ২৫ রানে পরাভূত হলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে বেন স্টোকসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ৫ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১৮ ও ৪৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। মিচেল স্যান্টনারের অনবদ্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৪২৩ রানের বিরাট ব্যবধানে জয়লাভ করলেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০২৫-২৬ মৌসুমে নিজ দেশে রোস্টন চেজের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৭২* ও ৪৬* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ডেভন কনওয়ে’র অসাধারণ জোড়া শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩২৩ রানে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

Similar Posts

  • | | |

    অশঙ্কা গুরুসিনহা

    ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৬ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও প্রশাসক। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনসহ ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব ও সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাবের…

  • |

    অজিত আগরকর

    ৪ ডিসেম্বর, ১৯৭৭ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারত ও ঘরোয়া রঞ্জী ট্রফিতে মুম্বই দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের অপ্রত্যাশিত উত্থান ও পতনের সাথে জড়িত হয়ে পড়েন।…

  • | | |

    প্রণব রায়

    ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৭ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, আম্পায়ার, রেফারি ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। ১৯৮০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ভাগ্যকূলের অভিজাত ধনী জমিদার পরিবারের সন্তান ছিলেন। সচরাচর পঙ্কজ রায়ের সন্তান হিসেবে স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেককালীন পিতা ইতোমধ্যে বাংলা…

  • |

    কেল সেম্যুর

    ৫ জুন, ১৯৩৬ তারিখে কেপ প্রভিন্সের ককস্টাড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়নকালীন প্রথমবারের মতো নিজের পরিচিতি ঘটান। ১৯৬১-৬২ মৌসুমে সফররত নিউজিল্যান্ডীয় একাদশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় দলের সদস্যরূপে খেলেন।…

  • |

    ব্রেন্ডন ম্যাককালাম

    ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১ তারিখে ওতাগোর ডুনেডিনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ডানহাতে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পরিচিতি লাভ করেন। ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ‘বাজ’ ডাকনামে পরিচিতি পান। দ্রুত সাড়া…

  • |

    ওয়েন ব্র্যাডবার্ন

    ২৪ নভেম্বর, ১৯৩৮ তারিখে ওয়াইকাতোর থেমস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। ১৯৬০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৫৭-৫৮ মৌসুম থেকে ১৯৬৮-৬৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। মাঝারিসারিতে ব্যাটিংয়ে…