| |

কুইন্টন ডি কক

১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯২ তারিখে গটেংয়ের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটান। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিজস্ব ২১তম জন্মদিনের পূর্বেই অনেক ক্রিকেটারের তুলনায় খেলোয়াড়ী জীবনে অনেকগুলো অর্জনের সাথে নিজেকে জড়িয়েছেন। শুধুমাত্র স্ট্যাম্পের পিছনে অবস্থান করে দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর মাঝেই সীমিত থাকেননি; বরঞ্চ ব্যাট হাতে নিয়েও প্রতিভার পর্যাপ্ত সদ্ব্যবহারে তৎপরতা দেখিয়েছেন। বিশ্বের অন্যতম সেরা উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।

২০০৯-১০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্ন, গটেং, লায়ন্স ও টাইটান্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০ ডিসেম্বর, ২০০৯ তারিখে জোহানেসবার্গে গটেং বনাম কোয়াজুলু-নাটালের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। এছাড়াও, কেপটাউন ব্লিটজ, কেপটাউন নাইট রাইডার্স, দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, লখনউ সুপার জায়ান্টস, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, সাউদার্ন ব্রেভ ও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের পক্ষে খেলেছেন।

২০১২ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২১ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।

২০১৩-১৪ মৌসুমে নিজ দেশে মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ তারিখে জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৭ ও ৩৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, জ্যঁ-পল ডুমিনি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড কৃতিত্বে স্বাগতিকরা ২৩১ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়ের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর হাশিম আমলা’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে জিম্বাবুয়ের গমন করেন। ৯ আগস্ট, ২০১৪ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৫১ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৮১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে পাঁচটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। অভিষেক ঘটা ডেন পাইতের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে সফরকারীরা ৯ উইকেটে জয় পায়।

২০১৬ সালে নিজ দেশে কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৭ আগস্ট, ২০১৬ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনে অগ্রসর হন ও ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৬০ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৮২ ও ৫০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে ছয়টি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তাঁর অনিন্দ্যসুন্দর অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ২০৪ রানে জয়লাভ করলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০১৬-১৭ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ২ জানুয়ারি, ২০১৭ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ৪১ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১০২ ও ২৯ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে লাহিরু কুমারা’র শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, চারটি ক্যাচ ও একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। তবে, কাগিসো রাবাদা’র বোলিং দাপটে স্বাগতিকরা ২৮২ রানে জয়লাভ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর ডিন এলগারের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ৬ জুলাই, ২০১৭ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন। খেলায় তিনি ৫১ ও ১৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে ছয়টি ক্যাচ ও একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। মঈন আলী’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ২১১ রানে পরাজিত হলে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ৪ আগস্ট, ২০১৭ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন। প্রথম ইনিংসে ৭ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ২৪ ও ১ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। মঈন আলী’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ১৭৭ রানে পরাজিত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে পরাভূত হয়।

২০১৮-১৯ মৌসুমে নিজ দেশে সরফরাজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১১ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে অংশ নেন। অপূর্ব ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ১৮ ও ১২৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, খেলায় সাতটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। তাঁর অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর উপর ভর করে স্বাগতিকরা ১০৭ রানে জয় পেয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। খেলায় তিনি প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। এক পর্যায়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত হন।

২০১৯-২০ মৌসুমে নিজ দেশে জো রুটের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। খেলায় তিনি ৯৫ ও ৩৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে আটটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণের সাথে নিজেকে জড়ান। তাঁর অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০৭ রানে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২০-২১ মৌসুমে স্প্রিংবককে নেতৃত্ব দিয়ে পাকিস্তান সফরে যান। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ২১ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৩০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ২৯ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। পাশাপাশি, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। হাসান আলী’র অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৯৫ রানে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০২১ সালে প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর ডিন এলগারের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১০ জুন, ২০২১ তারিখে গ্রোস আইলেটে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান ও দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১২৯ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১৪১* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৬৩ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২১-২২ মৌসুমে নিজ দেশে বিরাট কোহলি’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৩৪ ও ২১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে সাতটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। কেএল রাহুলের দূর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ১১৩ রানে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

পারিবারিক কারণ দেখিয়ে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন ও তাঁর পরিবর্তে কাইল ভেরিন দীর্ঘ সংস্করণের খেলায় গ্লাভস হাতে খেলবেন। তবে, সাদা-বলের খেলাগুলো চালিয়ে যাবার কথা ঘোষণা করেন। ৫৪ টেস্ট থেকে ছয় শতক সহযোগে ৩৮.৮২ গড়ে রান তুলেছেন। এছাড়াও, মার্ক বাউচারের পর ২৩২টি ডিসমিসাল ঘটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বাধিক ডিসমিসালের সাথে নিজেকে জড়ান।

অক্টোবরে টি২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা চলাকালে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা থেকে নির্দেশিত ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলনে সহায়তাকল্পে হাঁটু নুইয়ে থাকতে অস্বীকৃতি জানান। দুইবার বর্ষসেরা দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার হিসেবে মনোনীত হন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। সশা নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন।

Similar Posts

  • |

    দিনেশ রামদিন

    ১৩ মার্চ, ১৯৮৫ তারিখে ত্রিনিদাদের কুভা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি (১.৭৮ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। শুরু থেকেই প্রকৃত মানসম্পন্ন উইকেট-রক্ষক ও ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁর দক্ষতা নিয়ে কোন সন্দেহের সৃষ্টি হয়নি। এমনকি, অভিষেকের পর থেকে…

  • |

    আইজাক বাইস

    ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৫ তারিখে কেপ কলোনির সমারসেট ইস্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯২০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২১-২২ মৌসুম থেকে ১৯২৪-২৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর…

  • | |

    ডেনিস লিলি

    ১৮ জুলাই, ১৯৪৯ তারিখে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার সুবিয়াকো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সর্বকালের অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলার। টেস্ট ক্রিকেটের কিংবদন্তী তারকা। বিশাল ব্যক্তিত্ব এবং শুধুমাত্র অস্ট্রলীয়দের মধ্যেই নয়, বৈশ্বিকভাবে বীর হিসেবে বিবেচিত হয়ে…

  • | | |

    ওয়াসিম আকরাম

    ৩ জুন, ১৯৬৬ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘সুইংয়ের সুলতান’ নামে ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করেন। স্বপ্নবাজ ক্রিকেটার হিসেবেও সবিশেষ সুনাম কুড়ান। স্বর্ণালী সময়ে অধিকাংশ তরুণ বোলারের স্বপ্নের তারকা…

  • |

    গুলাম গার্ড

    ১২ ডিসেম্বর, ১৯২৫ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গুজরাতের সুরাতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। বড়সড় গড়নের অধিকারী হবার সুবাদে তুলনামূলকভাবে সমসাময়িকদের চেয়ে বেশ আগেভাগে হাতেখড়ি ঘটে তাঁর। ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে থাকেন। এক…

  • | |

    ক্রিস গেইল

    ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ তারিখে জ্যামাইকার কিংস্টনে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলেছেন। বামহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হয়েছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং কর্মে পারদর্শী। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ৬ ফুট ২ ইঞ্চি (১.৮৮ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ডাডলি গেইল ও হাজেল গেইল দম্পতির সন্তান। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুম থেকে ২০১৪-১৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর…