|

প্রসন্ন জয়াবর্ধনে

১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

বিশ্বের অন্যতম সেরা উইকেট-রক্ষকের গুণাবলী নিয়ে অগ্রসর হয়েছিলেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ব্যাটিংয়ের সমান যোগ্যতার অধিকারী ছিলেন। ১৯৯৮ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় সেরা উইকেট-রক্ষকের মর্যাদা লাভ করেন। সেন্ট সেবাস্টিয়ান্স কলেজ একাদশের পক্ষে তিন বছর খেলেন। এন.সি.সির পক্ষে প্রথম বিভাগে ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ২০১৪-১৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে বাসনাহিরা সাউথ, ব্লুমফিল্ড ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব, কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব, নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রকেট ক্লাব, সেবাস্টিয়ানিটিস ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব এবং সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন।

১৯৯৮ সালে ১৯ বছর বয়সে রমেশ কালুবিতরানা’র সহকারী হিসেবে ইংল্যান্ড সফর করেন। এ পর্যায়ে দৃশ্যতঃ তাঁকে শ্রীলঙ্কার দীর্ঘদিনের উইকেট-রক্ষকের স্থান পাকাপোক্ত করার কথা ক্রিকেট বিশ্লেষকদের ধারনায় ছিল। কিন্তু, উদীয়মান কুমার সাঙ্গাকারা’র উত্থানে দুই বছর পরই তাঁর এ স্বপ্ন ধূলিস্মাৎ হয়ে যায়। এছাড়াও, রমেশ কালুবিতরানা’র কাছ থেকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হওয়ায় শ্রীলঙ্কার পক্ষে স্বাভাবিকভাবে ও নিয়মিতভাবে খেলা বাঁধাগ্রস্ত হয়। একই সময়ে দুইজন প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ের উত্থানের ফলে একজনকে বিদেয় নিতে হয়; প্রসন্ন জয়াবর্ধনেকে ভগ্ন হৃদয়ে প্রস্থান করতে হয়েছিল। মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়। দলে আসা-যাবার পালায় অবস্থান করেন।

২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সবমিলিয়ে ৫৮ টেস্ট ও ছয়টিমাত্র ওডিআইয়ে অংশ নেন। ২০০০ সালে নিজ দেশে মঈন খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২৮ জুন, ২০০০ তারিখে ক্যান্ডির অ্যাসগিরিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, ২১ বছর বয়সে এ অভিষেক পর্বটি দূর্ভাগ্যজনকভাবে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে অধিকাংশ সময়ই বল মাঠে গড়ায়নি। প্রথম তিনদিনই বৃষ্টিবিঘ্নিত থাকায় সাজঘরে অবস্থান করতে হয় ও শেষ দুই দিন খেলা হয়। ব্যাট হাতে নেয়ার সুযোগ পাননি; এমনকি স্ট্যাম্পের পিছনেও দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারেননি। এক সপ্তাহ পর দল থেকে বাদ পড়েন ও অপর প্রতিভাবান কুমার সাঙ্গাকারাকে মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে রাখা হলেও গ্লাভস হাতে নেয়ার জন্যে দায়িত্ব দেয়া হয়।

পরবর্তী খেলায় অংশগ্রহণের জন্যে তাঁকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়। ৪ এপ্রিল, ২০০৩ তারিখে শারজাহ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক ওডিআইয়ে শূন্য রানে তাঁকে বিদেয় নিতে হয়। এরপর থেকে ক্ষুদ্রতর সংস্করণের খেলায় আর মাত্র ছয়টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন।

রমেশ কালুবিতরানা’র পুণরায় দলে অন্তর্ভুক্তির কারণে তাঁকে আরও নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতে হয়। দলের বাইরে থেকে তাঁর ব্যাটিংয়ের মান যথেষ্ট উত্তরণ ঘটে। দল নির্বাচকমণ্ডলীর আস্থা অর্জনে সক্ষম হন। এপ্রিল ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে টেস্ট দলে রাখা হয়।

কুমার সাঙ্গাকারাকে টেস্টে উইকেট-রক্ষক হিসেবে রাখা হলেও ২০০৬ সালে সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এ অবস্থানের জন্যে মনোনীত করা হয়। খুব দ্রুত নিজেকে পেসার ও স্পিনার – উভয় ধরনের বোলারকে মোকাবেলা করার বিষয়ে নিজের সক্ষমতার কথা তুলে ধরেন। দ্রুতলয়ে পায়ের কারুকাজ, নমনীয়তা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী কর্মপন্থা নির্ধারণের বিষয়টি সিরিজে তুলে ধরেন। দ্বীপবাসী খুব শীঘ্রই তাঁর সহজাত উইকেট-রক্ষণের গুণাবলীর বিষয়ে সচেতন হয়। টেস্টে খেলা চালিয়ে যেতে থাকেন ও মাঝে-মধ্যে ওডিআইয়ে অংশ নিতেন। তবে, ওডিআইয়ে তেমন সুবিধে করতে না পারলেও টেস্টের উপযোগী হিসেবে খেলতে থাকেন।

২০০৬-০৭ মৌসুমে নিউজিল্যান্ড সফরেই কেবল নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হয়েছিলেন। এ পর্যায়ে তিনি স্ট্যাম্পের পিছনে ও কুমার সাঙ্গাকারাকে শুধুই ব্যাটিংয়ের জন্যে খেলানো হয়েছিল। ব্যাট হাতে তিনিও বেশ ভালোমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে তৎপর হন। বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকান। এরপর, ভারতের বিপক্ষে আরও একটি শতরানের ইনিংস খেলেন। তাসত্ত্বেও কুমার সাঙ্গাকারাকে সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে মূল উইকেট-রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে, তাঁকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতায় শ্রীলঙ্কা দলের প্রাথমিক তালিকায় রাখা হয়।

পরবর্তী বছরগুলোয় ব্যাটিংয়ে উত্তরোত্তর দক্ষতা প্রদর্শন করতে থাকলেও আরেক তরুণ ও প্রতিভাবান উইকেট-রক্ষক দিনেশ চণ্ডীমালের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হন। ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অর্ধ-শতক ও নয়টি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ২০০৮ সালে ভারতের বিপক্ষেও গ্লাভস হাতে নিয়ে দূরন্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে সোচ্চার হন। ছয় ইনিংসে মাত্র সাতটি বাই-রান দেন। তন্মধ্যে, এক ইনিংসে পাঁচটি দিয়েছিলেন।

২০১১ সালে ব্যাট হাতে নিয়ে স্বর্ণালী মুহূর্ত উদযাপন করেন। ঐ বছর কুমার সাঙ্গাকারা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। পুরো সিরিজে অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সুইংয়ের রাজা হিসেবে খ্যাত জেমস অ্যান্ডারসনের ন্যায় বোলারদেরকে মোকাবেলা করে ১১২ রানের ইনিংস খেলেন।

একই সফরের ২৬ মে, ২০১১ তারিখে কার্ডিফে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ১১২ ও ৩ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। তবে, জোনাথন ট্রটের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৪ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, ১৬ জুন, ২০১১ তারিখে সাউদাম্পটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ৪৩ ও ৬* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, চারটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। ক্রিস ট্রেমলেটের অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। এ সিরিজে ২১৬ রান সংগ্রহ করে ক্রিস ট্রেমলেটের সাথে যৌথভাবে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

২০১১-১২ মৌসুমে তিলকরত্নে দিলশানের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। ১৮ অক্টোবর, ২০১১ তারিখে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ১২০ রানের অসাধারণ ইনিংস উপহার দেন। তবে, প্রথম ইনিংসে জুনায়েদ খানের বলে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। কুমার সাঙ্গাকারা’র অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

কার্ডিফের ন্যায় বিদেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কাকে লড়াইয়ে উজ্জ্বীবিত করেন। এরপর থেকে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিলেন। মূলতঃ মাঝারিসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। তন্মধ্যে, মাত্র চারটি শতরানের ইনিংস খেলেছেন। তিনটি শতক টেস্টে প্রত্যাবর্তনের পর করেছেন। কিন্তু, সবগুলো শতরানই বিদেশের মাটিতে করেছিলেন। ২০০৯ সালে আহমেদাবাদে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৫৪ রান তুলেন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ৩ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৬ ও ১০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, চারটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। কেন উইলিয়ামসনের অসাধারণ ব্যাটিং সাফল্যে সফরকারীরা ১৯৩ রানে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। তবে, আইপিএলের ন্যায় বিশেষ প্রাধিকারপ্রাপ্ত দলগুলোর প্রতিযোগিতায় নিজেকে আকর্ষণ করতে পারেননি।

Similar Posts

  • | |

    আল্ফ গোভার

    ২৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৮ তারিখে সারের এপসোমের উডকোট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯২৮ সালে ভবিষ্যতের শ্বশুর বিল ব্রুক অপর দুই সারে ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার অ্যান্ডি স্যান্ডহাম এবং হার্বার্ট স্ট্রাডউইকের কাছ থেকে আর্থিক…

  • | | |

    ডন ব্র্যাডম্যান

    ২৭ আগস্ট, ১৯০৮ তারিখে জন্মগ্রহণকারী নিউ সাউথ ওয়েলসের ছোট্ট, অপরিচিত শহর কুটামুন্ড্রা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, লেখক ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। পাশাপাশি মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হতেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। কুটামুন্ড্রায় জন্মগ্রহণ করলেও শৈশবকাল বাউরেলে অতিবাহিত করেন। বাউরেল ইন্টারমিডিয়েট হাই…

  • | |

    এমএস ধোনি

    ৭ জুলাই, ১৯৮১ তারিখে বিহারের রাঁচিতে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারত দলের পক্ষে সকল স্তরের ক্রিকেট খেলেছেন ও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি (১.৭৫ মিটার) উচ্চতার অধিকারী এমএস ধোনি ‘এমএস’, ‘মাহি’, ‘এমএসডি’, ‘থালা’, ‘ক্যাপ্টেন কুল’ প্রভূতঃ ডাকনামে ভূষিত…

  • |

    পল পার্কার

    ১৫ জানুয়ারি, ১৯৫৬ তারিখে রোডেশিয়ার বুলাওয়েতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটিয়েছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘পর্কি’ কিংবা ‘পলি’ ডাকনামে ভূষিত পল পার্কার ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। কলিয়ার্স গ্রামার স্কুলে অধ্যয়ন শেষে কেমব্রিজের সেন্ট ক্যাথরিন্স কলেজে পড়াশুনো করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • | |

    টাপ স্কট

    ২৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৮ তারিখে ভিক্টোরিয়ার টুরাক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নেন। এছাড়াও, অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। জন স্কট ও এলিজাবেথ দম্পতির সন্তান ছিলেন। ১৮৭১ সালে ওয়েসলি কলেজে অধ্যয়ন করেন। এ পর্যায়ে তিনি…

  • | |

    লেস অ্যামিস

    ৩ ডিসেম্বর, ১৯০৫ তারিখে কেন্টের এলহাম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। দলে মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। সন্দেহাতীতভাবে ও খুব সহজেই বিংশ শতাব্দীতে ক্রিকেটের সেরা উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের মর্যাদাপ্রাপ্ত হয়েছেন। খেলাকালীন তাঁর চেয়েও দক্ষ উইকেট-রক্ষক থাকলেও কেবলমাত্র ব্যাটিংয়ের কল্যাণে ১৯৩০-এর দশকে…