৬ আগস্ট, ১৯৭১ তারিখে বাদুল্লা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ২০০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে ব্লুমফিল্ড ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব, ক্যান্ডি ক্রিকেট ক্লাব, মুরস স্পোর্টস ক্লাব ও সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
সেন্ট অ্যান্থনিজ কলেজে তিনজন শিক্ষার্থীর অন্যতম হিসেবে একই দলে খেলেছেন ও পরবর্তীতে তাঁরা শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। মুত্তিয়া মুরালিধরনের সাথে জুটি গড়ে প্রতিপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাটসম্যানদের কাছে ত্রাসে পরিণত হয়েছিলেন। তিনজন ক্রিকেটারের অপরজন ছিলেন রুয়ান কালপেগে। তবে, সতীর্থদের তুলনায় তেমন বর্ণাঢ্যময় আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করতে পারেননি।
১৯৯৩ সালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন। বিদ্যালয়ের সতীর্থদের সাথে একযোগে টেস্ট অভিষেক ঘটার বিষয়টি তাঁর জীবনের প্রধান স্মরণীয় ঘটনা ছিল। ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে নিজ দেশে কেপলার ওয়েসেলসের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২৫ আগস্ট, ১৯৯৩ তারিখে মোরাতুয়ায় অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। পুবুদু দাসানায়াকে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। মিতব্যয়ী বোলিং করে দুই উইকেট পেয়েছিলেন। ১/৫৮ ও ১/৬০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ১০ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, জন্টি রোডসের দূর্দান্ত শতক সত্ত্বেও দলীয় অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র বীরোচিত ভূমিকায় খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার পর কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কা দলের বোলিং কোচের দায়িত্বে ছিলেন।
