৮ মার্চ, ১৯৫১ তারিখে নর্থ রোডেশিয়ার লুসাকা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘গোট’ কিংবা ‘হেনরি’ ডাকনামে ভূষিত ফিল এডমন্ডস ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। ক্রানব্রুক স্কুলে অধ্যয়ন শেষে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেন। বেলজীয় মাতার সন্তান। ককেশীয় সম্প্রদায়ের নির্দেশে দেশত্যাগ করে ইংল্যান্ডে চলে আসেন। এরফলে, বিদ্যালয় ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্ব শেষ হয়ে যায়। জিওফ বয়কটের অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিলেন। সচরাচর শর্ট-লেগ অঞ্চলে ফিল্ডিং করতেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স ও দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্ন প্রভিন্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৭১ থেকে ১৯৯২ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ১৯৭১ সালে মিডলসেক্সের সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ফেনার্সে নিজস্ব দ্বিতীয় প্রথম-শ্রেণীর খেলায় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষাবলম্বন করেন ও লিচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ৯ উইকেট দখল করেন। বেশ সফলতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন।

১৯৭৩ সালে শেষ বর্ষে অধ্যয়নকালে কেমব্রিজ দলের নেতৃত্বে ছিলেন। ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত মিডলসেক্সের পক্ষে খেলেন। তবে, ১৯৯২ সালে আরও একটি খেলায় অংশ নিয়ে খেলার জগতে ফিরে এসেছিলেন। সব মিলিয়ে ৩৯১টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ৭৬৫১ রান তুলেছেন। ১৯৮৪ সালে সোয়ানসীতে গ্ল্যামারগনের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৪২ রানের ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে ১২৪৬ উইকেট পেয়েছেন। ১৯৮৪ সালে বোর্নমাউথে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ৮/৫৩ লাভ করেন। এছাড়াও, ৩৪৫টি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন।

১৯৭৫ থেকে ১৯৮৭ সময়কালে ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ৫১ টেস্ট ও ২৯টি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। ভবঘুরে দৃষ্টিভঙ্গীসহ ডেরেক আন্ডারউডের কারণে এ সময়ে ৭৫ টেস্ট খেলা থেকে বঞ্চিত হন। তাসত্ত্বেও পাঁচবার বিদেশ সফর করেছেন। টেস্টগুলো থেকে ৩৪.১৮ গড়ে ১২৫ উইকেট দখল ও ৮৭৫ রান সংগ্রহ করেছেন।

১৯৭৫ সালে নিজ দেশে ইয়ান চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৪ আগস্ট, ১৯৭৫ তারিখে লিডসের হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত ঘটনাবহুল অ্যাশেজ টেস্টে সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। স্বপ্নীল অভিষেক ঘটে। দলের ষষ্ঠ বোলার হিসেবে বোলিং করতে নামেন। ডেরেক আন্ডারউডের সাথে বোলিং জুটি গড়েন। সফরকারীদের সংগ্রহ ৫৩/২ থেকে ১৩৫ রানে গুটিয়ে ফেলতে যথোচিত ভূমিকা রাখেন। প্রথম ১২ ওভারে ৫/১৭ পান ও ঐ ইনিংস শেষে তিনি ২০-৭-২৮-৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। দ্বিতীয় ইনিংসেও গ্রেগ চ্যাপেলের উইকেট পেয়েছিলেন। তবে, পিচ খোড়ার কারণে টেস্টটি পরিত্যক্ত হয়। এ পর্যায়ে তাঁর বোলিং বিশ্লেষণ ছিল ১৭-৪-৬৪-১। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ১৩* ও ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, ২৮ আগস্ট, ১৯৭৫ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। এ টেস্টে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দল ৫৩২/৯ রান তুলে ও তিনি উইকেট শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। খেলায় তিনি ৪ ও ৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১১৮ ও ০/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

তবে, ক্যারি প্যাকারের বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেট আয়োজনের কারণে ইংল্যান্ড দলে শূন্যতা সৃষ্টি হলে আড়াই বছর পর পুণরায় তাঁকে দলে খেলার আমন্ত্রণ জানানো হয়।

১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে জিওফ বয়কটের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সদস্যরূপে পাকিস্তান গমন করেন। ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭৮ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। একবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৭/৬৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা খেলাটিকে ড্রয়ের দিকে নিয়ে যেতে সমর্থ হয় ও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেট খেলেন। এ মৌসুমে জিওফ বয়কটের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৮ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৪ ও ১১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৭ ও ০/৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ঐ টেস্টে নিউজিল্যান্ড দল প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডকে পরাভূত করেছিল। ৭২ রানে জয়লাভ করে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৭৯-৮০ মৌসুমে নিজ দেশে শ্রীনিবাস বেঙ্কটরাঘবনের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ২ আগস্ট, ১৯৭৯ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ২০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২ ও ২/৬২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, দিলীপ বেঙ্গসরকারের শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় এবং চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৮৫ সালে নিজ দেশে অ্যালান বর্ডারের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। একই সফরের ২৯ আগস্ট, ১৯৮৫ তারিখে লন্ডনের কেনিংটন ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের ষষ্ঠ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ২/৫২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ১২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। গ্রাহাম গুচের অসামান্য ব্যাটিংয়ের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৯৪ রানে জয় পেলে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে ডেভিড গাওয়ারের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ৭ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ২/৯৮ ও ১/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাটিংয়ে নেমে ৩* ও ১৩ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ম্যালকম মার্শালের অসাধারণ অল-রাউন্ড নৈপুণ্যে সফরকারীরা ৭ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৮৬ সালে নিজ দেশে জেরেমি কোনি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৪ জুলাই, ১৯৮৬ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে জেফ ক্রো’র দ্বিতীয় উইকেট লাভ করে টেস্টে ১০০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ৪/৯৭ ও ০/১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ৬ ও ৯* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, গ্রাহাম গুচের অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে মাইক গ্যাটিংয়ের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ১৪ নভেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৯* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/১২ ও ০/৪৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, ইয়ান বোথামের দূর্দান্ত অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ১২ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২/১৩৪ ও ১/৬৩ লাভ করেন। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক অ্যালান বর্ডারের ব্যাটিং দৃঢ়তায় খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলেও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটিতে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ১০ জানুয়ারি, ১৯৮৭ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩/৭৯ ও ২/৭৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৩ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ৫৫ রানে জয় পেলেও স্বাগতিকরা ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৮৭ সালে নিজ দেশে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২ জুলাই, ১৯৮৭ তারিখে লিডসের হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ০* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৫৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক ইমরান খানের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ১৮ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৬ আগস্ট, ১৯৮৭ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৯৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। জাভেদ মিয়াঁদাদের দ্বি-শতক সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ক্রমাগত আঘাতের কারণে ক্রিকেট জগৎকে বিদেয় জানান। তবে, ১৯৯২ সালে মিডলসেক্সের পক্ষে একটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৭ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর ব্যবসায় জগতে যুক্ত থেকে বেশ সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। রোলস-রয়্যাস গাড়ীতে চড়েন। এছাড়াও, লেখালেখিসহ ক্রিকেট ধারাভাষ্যকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ১৯৯৯ থেকে ২০০৭ সময়কালে মিডলসেক্স হোল্ডিংস, হোয়াইট নীল পেট্রোলিয়াম ও মিডলসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান মাইনিং এন্ড এক্সপ্লোরেশন বিক্রয় করে দেন। ২০০৫ সালে সাউদার্ন সুদানে চুক্তি করলে বিতর্কিত ধর্মঘট হলে সংবাদ শিরোনামে চলে আসেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। ফ্রান্সেস নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। তাঁর শেষ দুইটি সফর নিয়ে তাঁর স্ত্রী ঘটনাবলী লিখেন। প্রচলিত রীতি-নীতি ভেঙ্গে ১৯৮৬ সালে তাঁর স্ত্রী ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যান ও ‘অ্যানোদার ব্লাডি ট্যুর’ শীর্ষ গ্রন্থ প্রকাশ করেন। লেখক ও ধারাভাষ্যকারের মর্যাদা পেলে টিম জোরার ব্যাঙ্গাত্মক কটুক্তি করেন – ‘কমপক্ষে আমার একটি পরিচয় আছে। তুমি কেবলই ফ্রান্সিস এডমন্ডসের স্বামী।’ ইংরেজ ক্রিকেটে এ দম্পতি সুখী দম্পতি হিসেবে বিবেচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে অবশ্য এ দম্পতির ১৯৮৭ সালে বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট