| | | |

পিটার মে

৩১ ডিসেম্বর, ১৯২৯ তারিখে বার্কশায়ারের দ্য মাউন্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, প্রশাসক ও রেফারি ছিলেন। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীর্ঘদেহী ও সুদর্শন গড়নের অধিকারী ছিলেন। ব্যাটসম্যান হিসেবে ইংরেজ ক্রিকেটে চাকচিক্য আনয়ণে স্বর্ণালী সময়ে নিয়ে আসতে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পান। নিয়মিতভাবে প্রতিপক্ষীয় অস্ট্রেলীয় রিচি বেনো’র মুখোমুখি হয়েছিলেন। তাঁকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর একমাত্র ইংরেজ ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রকৃত মানের অধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেন। ধ্রুপদীশৈলীর ব্যাটসম্যান হিসেবে যথেষ্ট সুনাম কুড়ান। বলিষ্ঠ চিত্তে, উজ্জ্বীবনী শক্তি নিয়ে ইংল্যান্ড দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সবগুলো গুণাবলী নিয়ে ইংরেজ ক্রিকেটে সফলতম ও প্রভাববিস্তারকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।

১৯৫০ সাল থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে খেলেছেন তিনি। ১৯৫০-এর দশকে ইংল্যান্ড এবং সারে – উভয় দলের ব্যাটিংয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান করেন। ১৯৫২ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত সারে দল প্রত্যেক বছর কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা জয় করে। ইংল্যান্ড দল কোন টেস্ট সিরিজে পরাজিত হয়নি।

১৯৫১ থেকে ১৯৬১ সময়কালে সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের পক্ষে ৬৬টি টেস্টে ৪৬.৭৭ গড়ে রান সংগ্রহ করেছেন। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক হিসেবে লেন হাটনের স্থলাভিষিক্ত হন। ৪১ টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেন। তন্মধ্যে, ২০টিতে ইংল্যান্ড দল বিজয়ী হয়েছিল।

১৯৫১ সালে নিজ দেশে ডাডলি নোর্সের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২৬ জুলাই, ১৯৫১ তারিখে লিডসের হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। ডন ব্রেনানফ্রাঙ্ক লসনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। শতক হাঁকিয়ে অভিষেক পর্বকে স্মরণীয় করে রাখেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১৩৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ২-১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে থাকে।

১৯৫৫ সালে নিজ দেশে জ্যাক চিদামের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৯ জুন, ১৯৫৫ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ৮২ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৮৩ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৫ রানে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ১৩ আগস্ট, ১৯৫৫ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। ঘটনাবহুল এ টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৯ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৩ ও ৮৯* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। ৯২ রানে পরাজিত হলে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৫৬-৫৭ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে এমসিসি দলকে নেতৃত্ব দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৬ তারিখে ওয়ান্ডারার্সে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ৬ ও ১৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১৩১ রানে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। 

একই সফরের ২৫ জানুয়ারি, ১৯৫৭ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ২৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে ২ রান করে উভয় ক্ষেত্রেই হিউ টেফিল্ডের শিকারে পরিণত হন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৫৮ সালে নিজ দেশে জন রিডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। তবে, সফরকারীরা একেবারেই খেলার বাইরে ছিল। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ৩ জুলাই, ১৯৫৮ তারিখে লিডসের হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। দলের একমাত্র ইনিংসে তিনি ১১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। ঐ খেলায় ইংল্যান্ড দল ইনিংস ও ৭১ রানে জয় পেয়েছিল। স্বাগতিকরা মাত্র দুই উইকেট খুঁইয়েছিল। এরফলে, পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে এমসিসি দলকে নেতৃত্ব দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৯ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ১১ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ৯ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

একই মৌসুমে এমসিসি দলের নেতৃত্বে থেকে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ১৪ মার্চ, ১৯৫৯ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বৃষ্টিবিঘ্নিত সিরিজের দ্বিতীয় খেলায় অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ৯২ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৪০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১২৪* রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৫৯-৬০ মৌসুমে এমসিসি দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ৯ ও ৪৫ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে ওয়েস হলের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৬১ সালে নিজ দেশে নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৭ আগস্ট, ১৯৬১ তারিখে লন্ডনের কেনসিংটন ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ৭১ ও ৩৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও স্বাগতিকরা ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

খেলোয়াড় হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। অনেকের মতে বেশ আগেভাগে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে, আঘাত ও অধিনায়ক হিসেবে অধিক গুরুত্ব আরোপের ফলে খেলায় বেশ ছন্দপতন ঘটে।

১৯৫২ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৮ সময়কালে টেস্ট দল নির্বাচকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। এছাড়াও, ১৯৮২ থেকে ১৯৮৮ সময়কালে দল নির্বাচকমণ্ডলীর সভাপতিত্ব করেন। খেলোয়াড়ী জীবনে চেয়ে কমই সফল হয়েছিলেন। ম্যাচ রেফারি হিসেবে তিনটি টেস্ট ও সাতটি ওডিআই পরিচালনা করেছিলেন। এক পর্যায়ে ১৯৮০ থেকে ১৯৮১ সময়কালে এমসিসি’র প্রেসিডেন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। এএইচএইচ জিলিগান সম্পর্কে তাঁর শ্বশুর হন। ভার্জিনিয়া জিলিগান নাম্নী রমণীর সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৪ তারিখে হ্যাম্পশায়ারের লিপহুক এলাকায় ৬৪ বছর ৩৬১ দিন বয়সে নিজ গৃহে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    উসমান খাজা

    ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে পাঞ্জাবের ইসলামাবাদে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। খাজা তারিক ও ফোজিয়া তারিক দম্পতির সন্তান। শিশু অবস্থায় পরিবারের সাথে নিউ সাউথ ওয়েলসে অভিবাসিত হন। ওয়েস্টফিল্ডস হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ‘উজি’ ডাকনামে ভূষিত উসমান খাজা…

  • | | |

    নামি ডিন

    ২১ জুলাই, ১৮৯৫ তারিখে জুলুল্যান্ডের এশোই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন ও কার্যকর বোলিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও, দক্ষ ফিল্ডার হিসেবেও যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছিলেন। পয়েন্ট, সিলি-পয়েন্ট, মিড-অন ও শর্ট-লেগের ন্যায় কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করতেন। আকর্ষণীয় ধাঁচে ব্যাটিং করতেন। উইকেটে…

  • |

    জেরাল্ড হার্টিগান

    ৩০ ডিসেম্বর, ১৮৮৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কিং উইলিয়ামস টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে বর্ডারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯০৩-০৪ মৌসুম থেকে ১৯২৬-২৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত…

  • |

    জাকির খান

    ৩ এপ্রিল, ১৯৬৩ তারিখে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের বান্নু এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘকায় ও শক্তি-মজবুত গড়নের অধিকারী। ১৯৮২-৮৩ মৌসুম থেকে শুরু করে ১৯৯২-৯৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী…

  • |

    লরেন্স রো

    ৮ জানুয়ারি, ১৯৪৯ তারিখে জ্যামাইকার হুইটফিল্ড টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। হাত ও চোখের অপূর্ব সমন্বয় ঘটাতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকা এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।…

  • | |

    ড্যারেন লেহম্যান

    ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার গলার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘বুফ’ ডাকনামে ভূষিত ড্যারেন লেহম্যান ১.৭৬ মিটার উচ্চতার অধিকারী। ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম থেকে ২০০৭-০৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন সরব রেখেছিলেন। ঘরোয়া…