১৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৭৬ তারিখে কেপ কলোনির বিউফোর্ট ওয়েস্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯০০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৮৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ১৯০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নভেম্বর, ১৯০২ সালে সফররত অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে ৩৩ ও ৫০ রান উভয় ইনিংসে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। তন্মধ্যে, ব্যাটিং অনুপযোগী খেলার দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর দল মাত্র ৮০ রানে গুটিয়ে যায়। এরফলে, দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে খেলার জন্যে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
১৯০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ১৯০২-০৩ মৌসুমে নিজ দেশে জো ডার্লিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৮ নভেম্বর, ১৯০২ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেন। কিন্তু, উভয় ইনিংসেই তিনি শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। এরপর, আর তাঁকে টেস্ট খেলার জন্যে মনোনীত করা হয়নি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্রত্যাখ্যাত হলেও ১৯০৫ সালের পূর্ব পর্যন্ত ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের পক্ষে খেলা চালিয়ে যেতে থাকেন। সবগুলো প্রথম-শ্রেণীর খেলা থেকে ১৮.০০ গড়ে রান পেয়েছিলেন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৫৩ রান তুলেন। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর একমাত্র অর্ধ-শতকে পরিণত হয়।
ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ক্রীড়া প্রশাসনের দিকে ধাবিত হন। সুপ্রিম কোর্টের কেপ অব গুড হোপ ডিভিশনে বিচারকমণ্ডলীর সভাপতি ছিলেন। ক্রিকেটের পাশাপাশি রাগবি খেলায়ও সিদ্ধহস্তের অধিকারী ছিলেন। ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স ও দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে রাগবি টেস্টে অংশ নেন। উইং অবস্থানে খেলতেন। ১৮৯৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সদস্যরূপে সফররত ব্রিটিশ আইলসের বিপক্ষে তিনটি আন্তর্জাতিক রাগবি ইউনিয়ন টেস্ট খেলেছেন। তন্মধ্যে, কিম্বার্লীতে তৃতীয় টেস্টে প্রথম ও একমাত্র ট্রাই করেন। ঐ খেলায় স্বাগতিকরা ৯-৩ গোলে পরাজিত হয়। সফরের চূড়ান্ত টেস্টে সর্বশেষ খেলেন। ঐ খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকা দল ৫-০ ব্যবধানে জয় পায়।
৮ মার্চ, ১৯৫৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে মারাত্মক অস্ত্রোপচার শেষে ৭৭ বছর ১৭৬ দিন বয়সে তাঁর জীবনাবসান ঘটে।
