৯ এপ্রিল, ১৮৬৭ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের সারে হিলস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৮৯০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে সিডনিভিত্তিক ইভানহো ও বেলভেদেরে ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন। ১৮৮৮ সালে এইটিন সিডনি জুনিয়র্সের পক্ষে খেলে প্রথমবারের মতো নিজেকে সকলের সামনে তুলে ধরতে সমর্থ হন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ১৮৯৭-৯৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৮৯০ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে মাত্র দুই টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। ঐ বছর ডব্লিউ. এল. মারডকের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২১ জুলাই, ১৮৯০ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কেনি বার্ন, হিউ ট্রাম্বল, জ্যাক বারেট ও সিড গ্রিগরি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। মোটেই সুবিধে করতে পারেননি। খেলায় তিনি ৬ ও ২ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয়লাভ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ১১ আগস্ট, ১৮৯০ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ১০ ও ১১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/১৮ ও ০/৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পরবর্তীকালে এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। জ্যাক বারেট সহজ রান-আউট করতে ব্যর্থ হলে সফরকারীরা ২ উইকেটের নাটকীয়ভাবে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। এ সফরে ১৪.৩০ গড়ে ৫৩৪ রান এবং ১৯.০৪ গড়ে ৪২ উইকেট দখল করেছিলেন।
দূর্বল স্বাস্থ্যের কারণে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন স্বল্পকালীন ছিল। ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের পায়ম্বল এলাকায় ৮৭ বছর ১৭৪ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
