১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯১০ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ইনিংস উদ্বোধন কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
আক্রমণাত্মক ধাঁচ অবলম্বনে ব্যাটিং করতেন। দৃষ্টিনন্দন না হলেও কার্যকর খেলতেন। ১৯২৮-২৯ মৌসুম থেকে ১৯৪৬-৪৭ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩৬-৩৭ মৌসুমে ওতাগোর বিপক্ষে ৩৩০ মিনিটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৯৫ রানের ইনিংস খেলেন। বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলার এ পর্যায়ে বিল কারসনের সাথে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ২৬৮ মিনিটে ৪৪৫ রান সংগ্রহ করেন। তাঁদের সংগৃহীত এ বিশ্বরেকর্ডটি প্রায় ৪০ বছর অক্ষত ছিল।
১৯৩৩ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। তন্মধ্যে অবশ্য দুইবার অপরাজিত অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করেছিলেন। ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে উভয় টেস্ট খেলেন। ১৯৩২-৩৩ মৌসুমে নিজ দেশে বব ওয়াটের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২৪ মার্চ, ১৯৩৩ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। ডগ ফ্রিম্যান ও ডেনিস স্মিথের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৩০ ও ১৭* রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঐ টেস্টটি ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল। ওয়াল্টার হ্যামন্ডের দুই ইনিংসে সংগৃহীত ৫৬৩ রানের বিপরীতে ঐ সিরিজে চার ইনিংসে অংশ নিয়ে ৬৪ রান তুলতে সমর্থ হন।
একই সফরের ৩১ মার্চ, ১৯৩৩ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১২ ও ৫* রান সংগ্রহ করেছিলেন। ‘ওয়ালি হ্যামন্ডের টেস্ট’ নামে পরিচিত খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।
২৮ আগস্ট, ১৯৮৮ তারিখে অকল্যান্ডে ৭৮ বছর ২০০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
