১৮ মে, ১৯৪০ তারিখে নাটালের গ্লেনউড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নাটালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৬১-৬২ মৌসুম থেকে ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন।
১৯৬৭ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে চারটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৬৬-৬৭ মৌসুমে নিজ দেশে বব সিম্পসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৭ তারিখ ডারবানে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। মাইক প্রোক্টরের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অভিষেক টেস্টে তিনি দলের কমপক্ষে ছয়জন সিম বোলারের অন্যতম ছিলেন। খেলায় তিনি ১/৩৫ ও ১/৪৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ২ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। সফরকারীরা ৮ উইকেটে পরাজিত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৭ তারিখে পোর্ট এলিজাবেথের জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে জিডি ম্যাকেঞ্জিকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ১/২১। খেলায় তিনি ১/৩৭ ও ৩/১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ০* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। ৭ উইকেটে জয় পেলে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে।
এছাড়াও, ১৯৬৯-৭০ মৌসুমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দক্ষিণ আফ্রিকার অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞার পূর্বেকার সর্বশেষ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ঐ মৌসুমে নিজ দেশে বিল লরি’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৫ মার্চ, ১৯৭০ তারিখে পোর্ট এলিজাবেথের জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ৩৭.২-৫-৯১-৪ বোলিং করেছিলেন। মিতব্যয়িতা, বিশ্বস্ততা ও মাঝে-মধ্যে বিচক্ষণতার অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন। বল হাতে নিয়ে ২/৪৭ ও ২/৪৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে অ্যালান কনলি’র বলে শূন্য রানে বিদেয় নেন। স্বাগতিকরা ৩২৩ রানে জয় পেলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। পিপিএইচ ট্রিমবর্ন ও পিডব্লিউ ট্রিমবি নামীয় সন্তানদ্বয়ের জনক।
