১৫ জুলাই, ১৮৫৬ তারিখে কেপ প্রভিন্সের পোর্ট এলিজাবেথ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৮৮০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন ও দক্ষিণ আফ্রিকা দলের প্রথম অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এটন কলেজে অধ্যয়ন শেষে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো সম্পন্ন করেন। ক্রিকেটে অংশ না নিলেও টেনিসে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ১৮৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৮৮৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের প্রথম অধিনায়কের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুমে নিজ দেশে অব্রে স্মিথের নেতৃত্বাধীন সফররত এমসিসি দলের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ১২ মার্চ, ১৮৮৯ তারিখে পোর্ট এলিজাবেথের জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অন্য সকলের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। সন্দিহানপূর্ণ মানদণ্ডের অধিকারী হিসেবে খেলায় দলকে নেতৃত্ব দেন। পরবর্তীকালে খেলাটিকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম টেস্ট হিসেবে ঘোষণা করা হয়। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ২৬* ও ১১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ৮ উইকেটে পরাজিত হলে তাঁর দল দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ২৫ মার্চ, ১৮৮৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ইনিংস ও ২০২ রানে পরাভূত হলে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে স্বাগতিকরা সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। এ সফরের বাইরে আর একটিমাত্র প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেন। এ পর্যায়ে ডিসেম্বর, ১৮৮৯ সালে নাটালের বিপক্ষে পোর্ট এলিজাবেথের একটি দলের নেতৃত্বে ছিলেন। এরপর, ব্যবসায়িক জগতে প্রবেশ করেন।
২১ অক্টোবর, ১৯২৯ তারিখে ফ্রান্সের লিওন্সে ৭৩ বছর ৯৮ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
