১৪ অক্টোবর, ১৯৮৯ তারিখে বুলাওয়েতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিং করতে পারেন। ২০১০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ছোটখাটো গড়ন হলেও বৃহৎ হৃদয়ের অধিকারী হিসেবে পরিচিত। কার্যকর অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। মাখায়া এনটিনিকে ব্যক্তিগত পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রেখেছেন। আগ্রাসী ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ অবস্থায় অনেকাংশেই দক্ষিণ আফ্রিকান গতিদানবের অনুরূপ ভূমিকায় অগ্রসর হয়ে থাকেন। শহরতলী গোয়াবালান্দায় পাড়ার ক্রিকেটে অংশ নেয়ার মাধ্যমে খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন। মিল্টন হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। এরপর থেকে মাতাবেলেল্যান্ডভিত্তিক ওয়েস্টার্নসের পক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ ও ‘বি’ দলের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে খেলতেন।
ক্রমাগত ধারাবাহিক ক্রীড়াশৈলীর কারণে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ২০০৮ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। ২০০৮-০৯ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে মাউন্টেনিয়ার্স ও ওয়েস্টার্নসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২৪ মার্চ, ২০০৯ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত ইস্টার্নস বনাম ওয়েস্টার্নসের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
শুরুতেই দল পরিবর্তনে নিজেকে এগিয়ে আসেন। মাউন্টেনিয়ার্সে চলে যান। তবে, কয়েক মৌসুম খেলার পর ২০১০ সালে পুণরায় নতুন বিশেষ প্রাধিকারপ্রাপ্ত দল মাতাবেলেল্যান্ড তুস্কার্সে ফিরে আসেন। ২০১০-১১ মৌসুমে নিজস্ব স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে সুন্দর ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনের কারণে জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন। ফলশ্রুতিতে, জাতীয় দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন।
২০১১ সালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও সমসংখ্যক ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয়ক্ষেত্রেই প্রতিপক্ষ ছিল ২০১১-১২ মৌসুমে জিম্বাবুয়ে সফরে আসা নিউজিল্যান্ড দল। অক্টোবর, ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের পক্ষে খেলার সুযোগ পান। ২৫ অক্টোবর, ২০১১ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে। অভিষেক খেলাতেই রব নিকোল, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও রস টেলরের উইকেট লাভে কৃতিত্বতা দেখান। ফলশ্রুতিতে, নিউজিল্যান্ডের জয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যাঘাত ঘটে। এক পর্যায়ে উচ্চ রানের খেলায় জিম্বাবুয়ে দল বিজয়ী হয়। এরফলে, তাঁকে টেস্ট দলের সদস্য করা হয়। তবে, ওডিআইয়ের সফলতা দীর্ঘ সংস্করণের খেলায় নিয়ে যেতে পারেননি।
১ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত রস টেলরের নেতৃত্বাধীন সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ম্যালকম ওয়ালার ও রেজিস চাকাভা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। প্রতিপক্ষীয় দলনায়কের একমাত্র উইকেটের সন্ধান পেয়েছিলেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৩ ও ১৪ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ড্যানিয়েল ভেট্টোরি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড সাফল্যে ঐ টেস্টে তাঁর দল ৩৪ রানে পরাজয়বরণ করে। পরবর্তীতে দল থেকে বাদ পড়েন ও এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
২০১৬ সালে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের সদস্য হন ও পাকিস্তান ‘এ’ দলের বিপক্ষে অনানুষ্ঠানিক টেস্টে অংশ নেন।
