|

নিকোলাস থিউনিসেন

৪ মে, ১৮৬৭ তারিখে কেপ কলোনির কোলসবার্গ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৮৮০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

কার্যকর অফ-কাটার প্রয়োগ করতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ১৮৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। তন্মধ্যে, ১৮৮৮-৮৯ মৌসুমে সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষে চমৎকার গ্রীষ্মকাল অতিবাহিত করেন। ১০.৭৩ গড়ে ৩৪ উইকেটের সন্ধান পেয়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে, তাঁকে টেস্ট দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

১৮৮৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুমে অব্রে স্মিথের নেতৃত্বাধীন সফররত ইংল্যান্ড দলের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ২৫ মার্চ, ১৮৮৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। গবো অ্যাশলে ও ডিকি রিচার্ডসের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ টেস্টে অংশ নেয়ার মাধ্যমে তাঁর প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। কিন্তু, ঐ খেলায় তিনি উইকেট-শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ০/৫১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। ইনিংস ও ২০২ রানে পরাভূত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে স্বাগতিকরা সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। পরের মৌসুমে আরও দুইটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ৯ নভেম্বর, ১৯২৯ তারিখে ট্রান্সভালের উইলসডাল এলাকায় ৬২ বছর ১৮৯ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • | |

    মার্ভ হিউজ

    ২৩ নভেম্বর, ১৯৬১ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ইউরোয়া এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘ম্যাড মার্ভ’, ‘সুমো’ কিংবা ‘ফ্রুটফ্লাই’ ডাকনামে ভূষিত মার্ভ হিউজ ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। খুব ছোটবেলা থেকে ক্রিকেটের প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়েন।…

  • |

    লুঙ্গি এনগিডি

    ২৯ মার্চ, ১৯৯৬ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা পালন করছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। খুব ছোটবেলা থেকে ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। প্রাদেশিক ক্রিকেটে কোয়াজুলু-নাটালের অনূর্ধ্ব-১৩ দলে খেলেন। দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী। দূর্দান্ত খেলা উপহার দেন। বহুমূখী…

  • |

    ডেরেক স্টার্লিং

    ৫ অক্টোবর, ১৯৬১ তারিখে ওয়েলিংটনের আপার হাট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। মোটাসোটা গড়ন নিয়ে বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ১৯৮১-৮২ মৌসুম থেকে ১৯৯১-৯২ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রাল…

  • | |

    ম্যাথু হেইডেন

    ২৯ অক্টোবর, ১৯৭১ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের কিঙ্গারয়ে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও প্রশাসক। শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান ছিলেন। শক্ত-মজবুত গড়নের বামহাতি ব্যাটসম্যান। পাশাপাশি, ডানহাতে মিডিয়াম পেস বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। ‘হেডোস’ ডাকনামে পরিচিতি পান। অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের স্বর্ণযুগে ভীতিহীন অবস্থায় বোলারদের উপর ছড়ি ঘুরাতেন। স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব নিয়ে আক্রমণাত্মক ভঙ্গীমায় খেলা প্রদর্শন করতেন।…

  • | | | |

    ইয়ান হিলি

    ৩০ এপ্রিল, ১৯৬৪ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের স্প্রিং হিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, প্রশাসক ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে মাঝারিসারিতে নিচেরদিকে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম থেকে ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া…

  • |

    লেন বাটারফিল্ড

    ২৯ আগস্ট, ১৯১৩ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৪০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৪৬ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রসঙ্গতঃ এটিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালে নিউজিল্যান্ডের টেস্টে প্রথম অংশগ্রহণ ছিল। ১৯৪৫-৪৬ মৌসুমে নিজ…