|

মুজিব উর রহমান

২৮ মার্চ, ২০০১ তারিখে খোস্তে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে লেগ-ব্রেক বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। আফগানিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

মুজিব জাদরান নামে পরিচিত মুজিব উর রহমান ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি (১.৮০ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। খ্যাতনামা আফগান ক্রিকেটার নূর আলী জাদরান সম্পর্কে তাঁর চাচা। তিন মাস বয়সে পিতৃহারা হন। পশতু ভাষায় কথা বলেন ও তাঁর কোচ অনুবাদে সহায়তা করেন। রশীদ খানের সাথে আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় স্পিনার হিসেবে খেলছেন। প্রথম পুরুষ ক্রিকেটার হিসেবে একবিংশ শতকে জন্মগ্রহণ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

২০১৮ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর আফগান ক্রিকেটে খোস্ত প্রভিন্স, স্পিন গড় রিজিওন ও মিস আইনাক নাইটস এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে হ্যাম্পশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বার্বাডোস রয়্যালস, বেঙ্গল টাইগার্স, ব্রিসবেন হিট, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স, দুবাই ক্যাপিটালস, ফরচুন বরিশাল, জ্যামাইকা তল্লাজ, কাবুল জালমি, কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব, মেলবোর্ন রেনেগাডেস, নর্দার্ন সুপারচার্জার্স, পেশাওয়ার জালমি, রংপুর রাইডার্স ও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের পক্ষে খেলেছেন। ১৪ জুন, ২০১৮ তারিখে বেঙ্গালুরুতে আফগান একাদশের সদস্যরূপে স্বাগতিক ভারতীয় একাদশের বিপক্ষে খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

২০১৭ সাল থেকে আফগানিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ তারিখে শারজায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। ওডিআইয়ে কনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে পাঁচ-উইকেট লাভের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ তারিখে শারজায় এ সাফল্য পান ও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান। রশীদ খান ও জহির খানের সাথে জুটি গড়ে উল্লেখযোগ্য সফলতা পেয়েছেন।

বিস্ময়কর তরুণ ক্রিকেটার হিসেবে ২০১২ সালের টি২০আই বিশ্বকাপের খেলা দেখে উত্থানপর্ব শুরু হয়। টেনিস বল নিয়ে স্পিন বোলিং রপ্ত করেন। অফ-ব্রেক বোলিংসহ ক্যারম বল শিখতে থাকেন। গতানুগতিক ধারার অফ-স্পিন বোলিংয়ের সাথে লেগ-স্পিন বোলিংয়ের সংমিশ্রণসহ গুগলি বোলিংয়ে সিদ্ধহস্তের অধিকারী। এছাড়াও, ইউটিউবে অজন্তা মেন্ডিসের ভিডিও তাঁর বোলিংয়ে প্রভাব ফেলে। চাচাতো ভাই নূর আলী জাদরানের পরিচালনায় ক্রিকেট একাডেমিতে নিজেকে আরও পরিশালিত করেন। আফগানিস্তানের কোচ অ্যান্ডি মোলসের অভিমত, তাঁর মাঝে পরিপূর্ণ বোলিংয়ের গুণাবলী রয়েছে। দুই বছরের বড় রশীদ খানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ১৬ বছর বয়সে ক্রিকেটে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়াও, সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে তাঁর ওজনও বেশ সহায়তা করেছে।

১০ আগস্ট, ২০১৭ তারিখে গাজী আমানুল্লাহ খান রিজিওনাল ওয়ান-ডে টুর্নামেন্টে স্পিন গড় রিজিওয়নের পক্ষে খেলার মাধ্যমে লিস্ট-এ ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। এরপর থেকেই বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন টি২০ দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সালে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লীগ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী আসরে নানাগড়হর দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ঐ প্রতিযোগিতায় নানাগড়হর লিওপার্ডসের পক্ষে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীতে পরিণত হন। নয় খেলা থেকে ১২ উইকেট পান।

আফগানিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্য থেকে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ বিজয়ে প্রভূতঃ ভূমিকা রাখেন। নতুন বলে আধিপত্য বিস্তারে অগ্রসর হন। প্রথম তিন খেলায় আট উইকেট পান। তবে, ৭/১৯ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে এ সংগ্রহকে প্রায় দ্বিগুণে নিয়ে যান। যুবদের ওডিআইয়ে এ পরিসংখ্যানটি যৌথভাবে সর্বকালের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে। এছাড়াও, এ ফলাফলে আফগানিস্তান ১৩৩ রানে বিজয়ী হয়। সিরিজে ১৭ উইকেট দখল করে দ্বি-পক্ষীয় যুবদের ওডিআই সিরিজে যে-কোন বোলারের চেয়ে শীর্ষে পৌঁছেন। এ ফলাফলের কারণে ২০১৭-১৮ মৌসুমের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স দলের সাথে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন।

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক শিরোপা বিজয়ে অংশ নিয়ে বিশ্ব অঙ্গনে নিজেকে উপস্থাপিত করতে সচেষ্ট হন। চূড়ান্ত খেলায় পাঁচ-উইকেট লাভ করে পাকিস্তানকে পরাজিত করতে সহায়তা করেন। এরপূর্বে সেমি-ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে ছয় উইকেট পেয়েছিলেন। ঐ প্রতিযোগিতায় পাঁচ খেলায় অংশ নিয়ে ২০ উইকেট দখল করেন।

ডিসেম্বর, ২০১৭ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে অংশ নেন। নির্ধারিত ১০ ওভারে ৪/২৪ নিয়ে দলের জয় এনে দেন ও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সেমি-ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চার-উইকেট লাভ করে দলের জয়ের পথ সুগম করেন। দুই দিন পরই অনেকটা বিস্ময়করভাবেই ২০১৮ সালের আইপিএলে কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব ৪ কোটি ভারতীয় রূপীর (প্রায় $৬৩০,০০০) বিনিময়ে দলে নেয়। কনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিযোগিতার মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বিরাট ভূমিকা রাখেন। তবে, দূর্ভাগ্যজনকভাবে আহত হলে শেষদিকের খেলাগুলোয় অংশ নিতে পারেননি। ১১ খেলায় অংশ নিয়ে ওভারপ্রতি ৬.৯৯ গড়ে ১৪ উইকেট লাভ করেন। ২০১৯ সালে তেমন ভালো করতে পারেননি। পাঁচ খেলা থেকে মাত্র তিন উইকেটের সন্ধান পেয়েছিলেন। ২০২১ সালের আইপিএলকে ঘিরে হায়দ্রাবাদ কর্তৃপক্ষ ১.৫০ কোটি ভারতীয় রূপীর বিনিময়ে তাঁকে দলভূক্ত করে।

২০১৮ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে আফগানিস্তানের সফলতায় বিরাট ভূমিকা রাখেন। চূড়ান্ত খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চার উইকেট নিয়ে দলের বিজয়ে অংশ নেন। মে, ২০১৮ সালে আফগানিস্তানের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ১৪ জুন, ২০১৮ তারিখে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ খেলার প্রথম ইনিংসে এক উইকেট পান। খেলায় তাঁর দল ইনিংস ও ২৬২ রানের ব্যবধানে পরাভূত হয়। এছাড়াও, ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় আফগানিস্তান দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। ঐ প্রতিযোগিতা থেকে ৭ উইকেট দখল করেন।

কেএফসি বিগ ব্যাশ লীগে নিজের চতুর্থ আসরে ব্রিসবেন হিটে খেলেন। ৮ খেলায় অংশ নিয়ে ১৩.৪২ গড়ে ১৪ উইকেট নিয়ে পূর্বেকার মৌসুমে ক্লাবের দ্বিতীয় সর্বাধিক উইকেট শিকারীতে পরিণত হন। ঐ খেলাগুলোয় যথেষ্ট প্রভাব ফেলেন। ডিসেম্বরে গাব্বায় হোবার্ট হারিকেন্সের বিপক্ষে ক্লাবের সেরা ৫/১৫ পান। এরফলে, ষষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে তিনি পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। এছাড়াও, এ বোলিং বিশ্লেষণটি বিবিএলের ১০ বছরের ইতিহাসে চতুর্থ সেরা বোলিংয়ের মর্যাদা পায়। ৪ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে বিগ ব্যাশ লীগে ব্রিসবেন হিট বনাম সিডনি থান্ডারের মধ্যকার খেলায় সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেন। ঐদিন দুই উইকেট লাভ করাসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করার পাশাপাশি একটি রান-আউটের সাথে নিজেকে যুক্ত করেছিলেন।

মে, ২০১৮ সালে ইংল্যান্ডভিত্তিক টি২০ ব্ল্যাস্ট প্রতিযোগিতার ২০১৮ সালের আসরকে ঘিরে হ্যাম্পশায়ারের পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। ২০২২ সালে ভাইটালিটি ব্ল্যাস্ট প্রতিযোগিতাকে ঘিরে মিডলসেক্স দলে পুণরায় যুক্ত করা হয়। এরপূর্বে, ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ক্লাবটিতে খেলেন। দলকে প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে যান। এছাড়াও, ২০২০ ও ২০২১ সালে খেলেছেন। এরফলে, বিদেশী খেলোয়াড় হিসেবে মিডলসেক্সে চারটি গ্রীষ্মকাল অতিবাহিত করেন। তবে, ভিসার কারণে তাঁর যোগ দিতে বিলম্ব হয়।

Similar Posts

  • |

    নারায়ণ স্বামী

    ২৩ মে, ১৯২৪ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের কেরালার কালিকূটে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। মাদ্রাজ থেকে বিএ ইন্টারমিডিয়েট লেভেলে কৃতকার্য হন। ১৯৪৪ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। ক্রিকেট খেলার প্রতি তাঁর সবিশেষ…

  • | |

    মোহসিন খান

    ১৫ মার্চ, ১৯৫৫ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৭০-৭১ মৌসুম থেকে ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে হাবিব ব্যাংক লিমিটেড, করাচী,…

  • |

    হামিশ মার্শাল

    ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে অকল্যান্ডের ওয়ার্কওয়ার্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ২০০০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। স্বল্পসংখ্যক প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অন্যতম হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে দল নির্বাচকমণ্ডলীর উপেক্ষার শিকারে পরিণত হয়েছেন। তাঁর অপর যমজ ভ্রাতা জেমস…

  • | |

    ক্রেগ ম্যাকডারমট

    ১৪ এপ্রিল, ১৯৬৫ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের রেসভিউ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ‘বিলি’ ডাকনামে ভূষিত ক্রেগ ম্যাকডারমট ১.৯১ মিটার উচ্চতার অধিকারী। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন সরব রাখেন। ঘরোয়া…

  • |

    কেনেথ হাচিংস

    ৭ ডিসেম্বর, ১৮৮২ তারিখে কেন্টের টানব্রিজ ওয়েলসের কাছাকাছি সাউথবোরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯০০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। টনব্রিজ স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী চার ভ্রাতার সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন। সার্জন পিতার সন্তান হিসেবে তাঁরা সকলেই টনব্রিজ স্কুলের পক্ষে ক্রিকেট খেলেছেন। তন্মধ্যে,…

  • | | |

    মনিন্দার সিং

    ১৩ জুন, ১৯৬৫ তারিখে মহারাষ্ট্রের পুনায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, আম্পায়ার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লে লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ভারতের বিখ্যাত বামহাতি স্পিনার। ১৯৮০-৮১ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে…