|

মোহাম্মদ সালমান

৭ আগস্ট, ১৯৮১ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। ২০১০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রশীদ লতিফের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে অগ্রসর হন। পাকিস্তানের সেরা উইকেট-রক্ষণ কৌশলের অধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম থেকে ২০১৫-১৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে অ্যালাইড ব্যাংক, ফয়সালাবাদ, পোর্ট কাসিম অথরিটি ও পাঞ্জাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ফয়সালাবাদ রিজিওন, ফয়সালাবাদ উল্ভস ও ফেডারেল এরিয়াজ লিওপার্ডসের পক্ষে খেলেছেন।

এক দশকের অধিক সময় ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নেন। এ পর্যায়ে শতাধিক প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারপরই কেবল জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০০৫ সালের শেষদিকে ১০ খেলার ব্যবধানে ৪২টি প্রথম-শ্রেণীর ডিসমিসাল করেন। এরফলে, ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়া গমনার্থে পাকিস্তানের ‘এ’ দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত হন।

ঘরোয়া টি২০ প্রতিযোগিতায় ফয়সালাবাদ উল্ভসের পক্ষে উইকেট-রক্ষণে শীর্ষে ছিলেন। ২০১০-১১ মৌসুমে কায়েদ-ই-আজম ট্রফিতে অসাধারণ খেলেন। ১১ খেলা থেকে ৩০ ডিসমিসাল ঘটান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়েও যথেষ্ট সফল হন। ২০ ইনিংস থেকে তিন শতক সহযোগে ৩৫.৫৮ গড়ে রান পেয়েছেন। এরফলে, এপ্রিল, ২০১১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমনার্থে পাকিস্তান দলের সদস্যরূপে মনোনীত হন।

২০১১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট, সাতটিমাত্র ওডিআই ও একটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। সবগুলো খেলাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেছেন। ২০১১ সালে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমন করেন। ২১ এপ্রিল, ২০১১ তারিখে গ্রোস আইলেটে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।

একই সফরের ১২ মে, ২০১১ তারিখে প্রভিডেন্সে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৪ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। পাশাপাশি, একটি রান-আউটের সাথে নিজেকে জড়ান। তবে, প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি’র অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৪০ রানে জয় পেয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ২০ মে, ২০১১ তারিখে বাসেতেরেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ১৩ ও ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ ও সমসংখ্যক স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। তবে, তৌফিক উমরের অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ১৯৬ রানে পরাজিত হলে সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

Similar Posts

  • | |

    বেন বার্নেট

    ২৩ মার্চ, ১৯০৮ তারিখে ভিক্টোরিয়ার অবার্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হতেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। মেলবোর্নের স্কচ কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯২৭ সালে বিদ্যালয় দল থেকে সোজা হথর্ন ইস্ট মেলবোর্নের প্রথম একাদশে যোগ দেন। শুরুতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ধীরলয়ের বোলিং করতেন।…

  • | |

    রাকেশ শুক্লা

    ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ তারিখে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের ক্রিকেটে চমৎকার লেগ-স্পিন বোলিং করতেন। ১৯৬৯-৭০ মৌসুম থেকে ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের…

  • |

    জর্জ হার্ন, ১৮৫৬

    ৭ জুলাই, ১৮৫৬ তারিখে মিডলসেক্সের ইলিং এলাকায় জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, রাউন্ড আর্ম ভঙ্গীমায় বামহাতে মিডিয়াম পেস বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘জিজি’ ডাকনামে পরিচিত ছিলেন। সুপরিচিত হার্ন পরিবারের অন্যতম সদস্য তিনি। ফ্রাঙ্ক ও অ্যালেক ভ্রাতৃদ্বয় রয়েছে এবং তিনি…

  • | |

    ব্রেন্ডন কুরুপ্পু

    ৫ জানুয়ারি, ১৯৬২ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান-উইকেট-রক্ষক হিসেবে দৃশ্যতঃ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮২-৮৩ মৌসুম থেকে ১৯৯১ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে ব্লুমফিল্ড ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব এবং বার্গার রিক্রিয়েশন ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৩ থেকে ১৯৯১…

  • | |

    নরেন তামানে

    ৪ আগস্ট, ১৯৩১ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৫১-৫২ মৌসুম থেকে ১৯৬৮-৬৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে বোম্বের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষকের কাছেই তিনি ভারতের…

  • | | |

    ডেসমন্ড হেইন্স

    ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ তারিখে বার্বাডোসের হোল্ডার্স হিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ‘ডেসি’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস, ইংরেজ কাউন্টি…