৮ অক্টোবর, ১৯৭৬ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। পাশাপাশি, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৯৪-৯৫ মৌসুম থেকে ২০০৯-১০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর, পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংক, পাকিস্তান সুই গ্যাস কর্পোরেশন ও ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৯৬ থেকে ১৯৯৮ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও ১৪টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেলের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ তারিখে ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। হাসান রাজা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১/৭ ও ০/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। একবার ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ পেয়ে শূন্য রানে গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ারের হাতে রান-আউটে বিদেয় নেন। তবে, দলীয় অধিনায়ক ওয়াসিম আকরামের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।
সব মিলিয়ে দুই টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে মার্ক টেলরের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১ অক্টোবর, ১৯৯৮ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ১ ও ১৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ২/৬৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করিয়েছিলেন। তবে, স্টিভ ওয়াহ’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৯৯ রানে জয় পেয়ে তিন টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১১ এপ্রিল, ২০২২ তারিখে লাহোরে ৪৫ বছর ১৮৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
