|

মেহেদী হাসান মিরাজ

২৫ অক্টোবর, ১৯৯৭ তারিখে খুলনায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করে থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে অন্যতম উদীয়মান তরুণ হিসেবে আবির্ভুত হয়েছিলেন। লাল-বলের ক্রিকেটে বীরোচিত ভূমিকার কারণে খ্যাতি পেয়েছেন। ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতর সংস্করণের তুলনায় লাল-বলের ক্রিকেটেই অধিক পারদর্শীতা প্রদর্শন করেন। বল হাতে নিয়ে সফল হলেও ব্যাটিংয়ের মান তেমন ভালো নয়। খুব কমই দলের ব্যাটিংয়ে সফলতার স্বাক্ষর রাখছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে থাকা অবস্থায় অধিকাংশ সময়ই শীর্ষ ছয়ে ব্যাটিংয়ে নামতেন। তবে, জাতীয় দলে আট কিংবা তারও নিচে ব্যাটিং করে থাকেন।

‘মিরাজ’ ডাকনামে পরিচিত। কিশোর বয়সেই বল হাতে তাঁর দক্ষতার পরিচয় মেলে। ১৬ বছর বয়সে ক্রিকেটার হবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ও একদিন দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখতেন। পিতা-মাতা শিক্ষালাভের দিকেই মনোযোগী করার প্রয়াস চালান। তবে, ক্রিকেটের দিকেই অধিক মনোনিবেশ ঘটান। বাংলাদেশের সেরা অফ-স্পিনার হিসেবে বিবেচিত শেখ সালাউদ্দীনের কাছ থেকে অফ-স্পিন বোলিং কৌশল রপ্ত করেন। অল-রাউন্ডার হিসেবে ডানহাতে অফ-স্পিন বোলিং করেন। উইকেটে বল ফেলার পূর্বে শরীরের ঊর্ধ্বাংশ কিছুটা মোচড় দেন। এ ধরনের বোলিং ভঙ্গীমার কারণে অনূর্ধ্ব-১৯ ও প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অনেকগুলো উইকেট লাভে সক্ষমতা দেখিয়েছেন।

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে তাঁর প্রচেষ্টা ও দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের ক্রিকেটে দুই বছর খেলেন। ১৬ বছর বয়সে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্বে ছিলেন। ২০১৬ সালে সংবাদ শিরোনামে পৌঁছেন। ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে দ্বিতীয়বারের মতো অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে দলকে প্রথমবারের মতো সেমি-ফাইনালে নিয়ে যান ও তারকা খেলোয়াড়ে পরিণত হন। অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় থেকে দলকে প্রতিযোগিতার পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে পৌঁছান। এ প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারে ভূষিত হন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটেও বল হাতে নিয়ে সাফল্য পান। ২০১৪-১৫ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে খুলনা বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ফরচুন বাংলাদেশ, কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমি, খুলনা টাইগার্স, রাজশাহী কিংস ও ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের পক্ষে খেলেছেন। ২০১৪-১৫ মৌসুমের জাতীয় ক্রিকেট লীগে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেন। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত খুলনা বিভাগের সদস্যরূপে রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। তবে, ঐ প্রতিযোগিতার পরবর্তী মৌসুমেই কেবল সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। ১৬.৪৩ গড়ে ৩০ উইকেট দখল করেন। তন্মধ্যে, তিনবার পাঁচ-উইকেট পেয়েছিলেন।

২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। অ্যালাস্টেয়ার কুকের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের বিপক্ষে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণকল্পে আমন্ত্রণ পান। ২০ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্মরণীয় অভিষেক ঘটে। ১৯ বছর বয়সের পূর্বেই টেস্টে প্রথম পাঁচ-উইকেটের সন্ধান পান। প্রথম দফায় নতুন বল নিয়ে দশ ওভার বোলিং করে দুই উইকেট পান। প্রথম দিনেই পাঁচ-উইকেট পান ও ৬/৮০ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। বাংলাদেশ দল ২২ রানের ব্যবধানে পরাজিত হলেও উদীয়মান তারকা খেলোয়াড়ের উপর কোন বিরূপ প্রভাব ফেলেনি।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে আরও ভালো করেন। দুইবার ছয়-উইকেট লাভ করে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ দলকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিজয়ী করতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখেন। ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কারের পাশাপাশি অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপন করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কারও করায়ত্ত্ব করেন।

২০১৬ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের আসরে রাজশাহী কিংসের প্রতিনিধিত্ব করে দলকে রানার্স-আপ করান। দেশের বাইরে নিউজিল্যান্ডে খেলেন। দুই টেস্টে অংশ নিয়ে মাত্র চার উইকেট দখল করেন। হায়দ্রাবাদে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে এক টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে রবিচন্দ্রন অশ্বিনরবীন্দ্র জাদেজা’র ন্যায় বোলারদের রুখে দিয়ে নিজস্ব প্রথম অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেন।

২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ও নিজ দেশে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে প্রথম জয়ের কৃতিত্ব লাভ করে। উভয় সিরিজই ড্রয়ে পরিণত হয় ও উভয় ক্ষেত্রেই দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। স্পিনারদের উপযোগী পিচে নিখুঁত বোলিং করে ব্যাপক সফলতা লাভ করেন। এরফলে, প্রথম একাদশে স্বীয় স্থান পাকাপোক্ত করেন।

২৫ মার্চ, ২০১৭ তারিখে ডাম্বুলায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআই ক্যাপ লাভ করেন। নিয়মিতভাবে উইকেট লাভের পাশাপাশি মিতব্যয়ী বোলিংয়ের কারণে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ক্ষুদে সংস্করণের খেলায়ও তাঁকে রাখা হয়। এপ্রিল, ২০১৭ সালে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে অভিষেক হলেও উইকেট শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করেন। এছাড়াও, লাসিথ মালিঙ্গা’র হ্যাট্রিকে গোল্ডেন ডাকে বিদেয় নেন। এরপর, ২০১৭ সালের শেষদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সুযোগ পান। দক্ষিণ আফ্রিকায় বিপর্যয়কর ফলাফলের সাথে জড়িত হন। খেলায় ৬৫ ওভারের অধিক বোলিং করা সত্ত্বেও এক টেস্টে অংশ নিয়ে কোন উইকেটের সন্ধান পাননি।

২০১৭-১৮ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৮ ও ১৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৭৮ ও ০/৬৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ডিন এলগারের অনবদ্য ব্যাটিং কৃতিত্বে সফরকারীরা ৩৩৩ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২০১৮ সালে কিছু দারুণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনের সুবাদে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত দলে তাঁকে যুক্ত করা হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে বাংলাদেশের দ্রুততম বোলার হিসেবে টেস্টে ১০০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

২০২৩-২৪ মৌসুমে নিজ দেশে ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ৩০ মার্চ, ২০২৪ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ১৯২ রানে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। প্রথম ইনিংসে ১৪৬ রান খরচায় লাহিরু কুমারা’র উইকেট লাভ করেন। এছাড়াও ব্যাট হাতে নিয়ে ৭ ও ৮১* রান সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি, তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছেন।

২০২৪ সালে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের অন্যতম সদস্যরূপে পাকিস্তান গমন করেন। পুরো সিরিজে দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। ২১ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অপূর্ব ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। একবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ৭৭ রানের ইনিংস উপহার দেন। এ পর্যায়ে সপ্তম উইকেটে মুশফিকুর রহিমের (১৯১) সাথে ১৯৬ রানের জুটি গড়েন। এছাড়াও, ১/৮০ ও ৪/২১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, মুশফিকুর রহিমের অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ১০ উইকেটে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, একই সফরের ৩০ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। আবারও অপূর্ব ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। প্রথম ইনিংসে দলীয় সংগ্রহ ২৬/৬ হবার পর লিটন দাসের (১৩৮) সাথে সপ্তম উইকেটে ১৬৫ রানের জুটি গড়ে দলের বিপর্যয় সামলান। একবার, ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়ে ৭৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ৫/৬১ ও ০/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, লিটন দাসের অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্যে সফরকারীরা ৬ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। ১৫৫ রান সংগ্রহসহ ১০ উইকেট দখল করে তিনি ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২৫ সালে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের অন্যতম সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩১ ও ১১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৭৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, পথুম নিশাঙ্কা’র অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৭৮ রানে পরাভূত হলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

Similar Posts

  • |

    সাদিরা সামারাবিক্রমা

    ৩০ আগস্ট, ১৯৯৫ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘ সংস্করণের খেলায় দৃষ্টিনন্দন উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করতেন। সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে নিয়মিতভাবে দলের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্রুত রান তুলতে তৎপরতা দেখাতেন। বিদ্যালয় থেকে চলে আসা খুব স্বল্পসংখ্যক খেলোয়াড়দের…

  • | |

    ললিত কালুপেরুমা

    ২৫ জুন, ১৯৪৯ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৭০-৭১ মৌসুম থেকে ১৯৮২-৮৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। এছাড়াও, সিলন দলের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট…

  • |

    বেঙ্কটরমন সুব্রাহ্মণ্য

    ১৬ জুলাই, ১৯৩৬ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৬০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘাকায় ও লিকলিকে গড়নের অধিকারী। মাঝারিসারিতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি মিডিয়াম পেস বোলিংয়েও দক্ষতার ছাঁপ রেখেছেন। এছাড়াও, ক্রিজের কাছাকাছি এলাকায় নিরাপদ দূরত্ব নিয়ে ফিল্ডিং…

  • | | | | |

    সুনীল গাভাস্কার

    ১০ জুলাই, ১৯৪৯ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, প্রশাসক ও রেফারি। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারত দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় ক্রিকেটের উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন ও সন্দেহাতীতভাবেই সর্বশ্রেষ্ঠ ডানহাতি ভারতীয় ব্যাটসম্যানের মর্যাদা লাভ করছেন।…

  • | | |

    চেতন চৌহান

    ২১ জুলাই, ১৯৪৭ তারিখে উত্তরপ্রদেশের বারিলি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ, প্রশাসক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। শ্রী নবরতন সিং চৌহানের সন্তান ছিলেন। মহারাষ্ট্রের পুণেভিত্তিক এ. ওয়াদিয়া কলেজে অধ্যয়ন করেন এবং বি.এ., বি.কম ডিগ্রী লাভ করেন।…

  • | |

    পার্সি টোয়েন্টিম্যান-জোন্স

    ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৭৬ তারিখে কেপ কলোনির বিউফোর্ট ওয়েস্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯০০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৮৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ১৯০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নভেম্বর, ১৯০২…