|

মৈয়াঙ্ক আগরওয়াল

১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী তিনি। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

৫ ফুট ৯ ইঞ্চি (১.৭৫ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। প্রণব কুমার পাণ্ডে ও সুচিত্রা সিং দম্পতির সন্তান তিনি। একই এলাকা থেকে রাহুল দ্রাবিড়ের ন্যায় তারকা খেলোয়াড়ের উত্থান ঘটলেও তাঁর খেলার ধরন অনেকাংশেই বীরেন্দ্র শেহবাগের অনুরূপ। ভারতের টেস্ট দলের সদস্য। বলকে সপাটে মারেন ও বড় ধরনের রান সংগ্রহে তৎপরতা দেখান। সচরাচর ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ও দলকে দূর্দান্তভাবে এগিয়ে নিয়ে যান। আগ্রাসী ভূমিকার কারণে পরিচিতি পেয়েছেন।

২০১৩-১৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে কর্ণাটক ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বেলাগাভি প্যান্থার্স, বেলারি তুস্কার্স, চেমপ্লাস্ট, দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, ইন্ডিয়া ব্লু, ইন্ডিয়া রেড, কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব, মাদ্রাজ ক্রিকেট ক্লাব, রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও শামানুর দেবাঙ্গিরি ডায়মন্ডসের পক্ষে খেলেছেন।

২০০৮-০৯ মৌসুমে কোচবিহার ট্রফি প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সফলতম রান সংগ্রাহকে পরিণত হয়েছিলেন। পাঁচ খেলা থেকে ৪৩২ রান তুলেছিলেন। ২০১০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হলেও তাঁর খেলার মান আশাপ্রদ ছিল না। ২০১২ সালের শেষদিকে বিজয় হাজারে ট্রফি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে লিস্ট-এ ক্রিকেটে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এর কিছুদিন পর ২০১৩ সালে কর্ণাটকের সদস্যরূপে ঝাড়খণ্ডের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ১৪৪ বল থেকে ৯০ রান তুলেছিলেন তিনি। তবে, ধারাবাহিক ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করতে না পারায় প্রায়শঃই রাজ্য দলে আসা-যাবার পালায় অবস্থান করতেন।

২০১৭ সালে স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন ও তাঁর খেলার বাঁক ঘুরে যায়। নভেম্বর, ২০১৭ সালে মহারাষ্ট্রের বিপক্ষে নিজস্ব প্রথম মনোরম ত্রি-শতক হাঁকান। এরফলে, দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন। এরপর থেকে স্বপ্ন বাস্তবায়নে তৎপর হতে থাকেন ও রানের ফল্গুধারা অব্যাহত রাখেন। ২০১৭-১৮ মৌসুমের রঞ্জী ট্রফি প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। এরপর, একই বছর বিজয় হাজারে ট্রফিতেও দূর্দান্ত খেলতে থাকেন। মাত্র আট খেলা থেকে ৭২৩ রান তুলে ব্যাটিং তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করেন। এরফলে, রঞ্জী ট্রফিতে দূর্দান্ত খেলার স্বীকৃতিস্বরূপ জুন, ২০১৮ সালে বিসিসিআই কর্তৃপক্ষ তাঁকে মাধবরাও সিন্ধিয়া পুরস্কারে ভূষিত করে।

২০১৮ সাল থেকে ভারতের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিচ্ছেন। সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমনার্থে ভারতের টেস্ট দলের সদস্যরূপে মনোনীত হন। তবে, ঐ সফরে সিরিজের কোন খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। কয়েক মাস পর কর্ণাটকের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান পৃথ্বী শ’ আঘাতের কারণে দল থেকে বাদ পরলে শূন্যতা পূরণে তাঁকে ২০১৮-১৯ মৌসুমে বিরাট কোহলি’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অবশেষে, এমসিজিতে বক্সিং ডে টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে টেস্ট খেলার সুযোগ পান। ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। স্মরণীয় মুহূর্ত অতিবাহিত করেন। ৭৬ রান তুলে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অভিষেক টেস্টে ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের কৃতিত্বের অধিকারী হন। এছাড়াও, প্রথম ইনিংসে ৪২ রান সংগ্রহসহ খেলায় তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। যশপ্রীত বুমরা’র অসামান্য বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ১৩৭ রানে জয় তুলে নেয় ও চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

শুরুতে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় তাঁকে ভারত দলে রাখা হয়নি। কিন্তু, আঘাতের কারণে বিজয় শঙ্করকে দলের বাইরে রাখা হলে অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে ইংল্যান্ড গমনার্থে দলের সদস্য করা হয়। তবে, প্রথম একাদশের বাইরেই তাঁকে রাখা হয়।

টেস্ট ক্রিকেটে নিজস্ব দক্ষতা ও ফুরফুরে মেজাজ অব্যাহত রাখতে থাকেন। ২০১৯-২০ মৌসুমে নিজ দেশে ফাফ ডু প্লিসি’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। নিজস্ব প্রথম টেস্ট শতক হাঁকান। ধীরলয়ে হলেও নিজেকে দলের নিয়মিত সদস্যের আসনে নিয়ে আসেন। রোহিত শর্মা’র সাথে উদ্বোধনী জুটিতে তিনবার শতরান তুলেন।

১০ অক্টোবর, ২০১৯ তারিখে পুনেতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ৩ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে নিয়ে ১০৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। দলীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি’র অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ১৩৭ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

২০১৯-২০ মৌসুমে বিরাট কোহলি’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখে হ্যামিল্টনে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন। ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩৪ ও ৫৮ রান সংগ্রহ করেন। তবে, টিম সাউদি’র অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

২০২১-২২ মৌসুমে নিজ দেশে টম ল্যাথামের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ৩ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৫০ ও ৬২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যে খেলায় স্বাগতিকরা ৩৭২ রানে জয় পেয়ে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

একই মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে বিরাট কোহলি’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৬০ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। কেএল রাহুলের দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে সফরকারীরা ১১৩ রানে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

২০২১-২২ মৌসুমে নিজ দেশে ডিমুথ করুণারত্নের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ১২ মার্চ, ২০২২ তারিখে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৪ ও ২২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, শ্রেয়াস আয়ারের অসামান্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ঐ টেস্টে তাঁর দল ২৩৮ রানে জয়লাভ করে ও ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

অধিনায়ক কেএল রাহুলের পর পাঞ্জাব কিংসের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে চিত্রিত হয়ে আছেন। ২০১৯ সালে দুইটি অর্ধ-শতক সহযোগে ২৫.৫৩ গড়ে ৩৩২ রান তুলেছেন। ২০২০ সালেও চমৎকার খেলা উপহার দিয়েছেন। রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে মনোমুগ্ধকর শতক হাঁকিয়েছেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ডাবল সুপার-ওভারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেন। তাঁর পিতা প্রণব কুমার পাণ্ডে বডিবিল্ডার ও রাজ কিষান নামীয় ভ্রাতা রাজ্য পর্যায়ে ক্রিকেট খেলেছে। ২০১৮ সালে অসীতা সুদ নাম্নী রমণীর সাথে বৈবাহিক চুক্তিতে আবদ্ধ হন।

Similar Posts

  • |

    উইলিয়াম স্কটন

    ১৫ জানুয়ারি, ১৮৫৬ তারিখে নটিংহামের মাউন্ট স্ট্রিট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ফুটবলার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতে পারতেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। তাঁর জন্মসনদে পিতার নাম স্কটর্ন নামে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে, ধারনা করা হয় যে – এটি ভুল ছিল। নটিংহামের পিপলস…

  • | | |

    হ্যারি লি

    ২৬ অক্টোবর, ১৮৯০ তারিখে লন্ডনের মেরিলেবোন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, আম্পায়ার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। খাঁটিসম্পন্ন ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন। লি ভ্রাতৃত্রয়ের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ছিলেন। ১৯১১ থেকে ১৯৩৪ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে…

  • |

    জিম ক্রিস্টি

    ১২ ডিসেম্বর, ১৯০৪ তারিখে ট্রান্সভালের প্রিটোরিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বেশ দীর্ঘকায় ও শক্ত-মজবুত গড়নের অধিকারী ছিলেন। জেপ হাই স্কুলে অধ্যয়ন করতেন। ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন ও ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে রুখে দাঁড়াতেন। সময়ের সাথে সাথে…

  • |

    সনি রামাদিন

    ১ মে, ১৯২৯ তারিখে ত্রিনিদাদের সেন্ট চার্লস ভিলেজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের অমূল্য অফ-স্পিনার ছিলেন। জন্মসনদে তাঁর নামের প্রথমাংশ ছিল না। কেবলই ‘বয়’ নামে পরিচিত ছিলেন। ফলশ্রুতিতে, কেবলমাত্র ‘সনি’ ডাকনামে…

  • |

    বেন সিলি

    ১২ আগস্ট, ১৮৯৯ তারিখে ত্রিনিদাদের সেন্ট যোসেফ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। আক্রমণাত্মক ধাঁচে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি সীমানা এলাকায় ফিল্ডিং করতেন। ১৯২৩-২৪ মৌসুম থেকে ১৯৪০-৪১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।…

  • |

    মনোহর হর্দিকর

    ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গুজরাতের বরোদায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। ১৯৫০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুম থেকে ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…