|

ম্যাথু ফিশার

৯ নভেম্বর, ১৯৯৭ তারিখে ইয়র্কে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

জুন, ২০১৩ সালে সর্বপ্রথম তাঁর প্রতিভা সর্বসমক্ষে ধরা পড়ে। ১৫ বছর ২১২ দিন বয়স নিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী কাউন্টি ক্রিকেটার হিসেবে ৪০ ওভারের খেলায় অংশ নেন। ঐ গ্রীষ্মে বাংলা ও পাকিস্তানকে নিয়ে গড়া ত্রি-দেশীয় সিরিজে ইংল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে অন্তর্ভুক্তকালীন তখনও তিনি ১৫ বছর বয়সী ছিলেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ইংল্যান্ড লায়ন্স, ইয়র্কশায়ার একাডেমি ও নর্দার্ন সুপারচার্জার্সের পক্ষে খেলেছেন। ১৯ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত নটিংহ্যামশায়ার বনাম ইয়র্কশায়ারের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। এরফলে, চ্যাম্পিয়নশীপে ইয়র্কশায়ারের ষষ্ঠ সর্বকনিষ্ঠ অভিষেকধারীর মর্যাদা পান। ট্রেন্ট ব্রিজের ঐ খেলায় তাঁর বয়স ১৭ বছর ১৬১ দিন ছিল ও খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়। এছাড়াও টি২০ ব্ল্যাস্টে অংশ নেন। হেডিংলিতে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে প্রথম খেলায় ৫/২২ লাভ করেন। এরফলে, কেবলমাত্র তৃতীয় ইয়র্কশায়ারীয় বোলায় হিসেবে টি২০ খেলায় পাঁচ-উইকেটের সন্ধান পান।

মে, ২০২২ সালে পিঠের ক্রমাগত আঘাতের কারণে দীর্ঘ সময়ের জন্যে মাঠের বাইরে অবস্থানের সিদ্ধান্ত নেন। এ পর্যায়ে ২৩টি প্রথম-শ্রেণীর খেলা থেকে ৬৯ উইকেট দখল করেছিলেন। শুরুতে ২৪ বছর বয়সী ম্যাট ফিশার এপ্রিলের শেষদিকে চার সপ্তাহের জন্যে খেলার জগৎ থেকে দূরে ছিলেন।

২০১৫ ও ২০১৮ সালে কেবলমাত্র দুই মৌসুম ২০টি করে খেলায় অংশ নিতে পেরেছিলেন। ইংল্যান্ড লায়ন্সের পক্ষেও বেশ কয়েকটি খেলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে, বহুবিধ আঘাতের কারণে শুরুরদিকে প্রতিশ্রুতিশীলতায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। ২০১৯ সালে ২৬.১৮ ও পরের মৌসুমে ১৮ গড়ে প্রথম-শ্রেণীর উইকেট লাভ করেছিলেন। ২০২১ সালে দারুণ খেলেন ও অস্ট্রেলিয়া গমনার্থে ইংল্যান্ড লায়ন্সের সদস্য হন। ঐ সফরে অসাধারণ খেলে টেস্ট দলে জায়গা করে নেন।

২০২২ সাল থেকে ইংল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। ২০২১-২২ মৌসুমে জো রুটের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমন করেন। দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর পূর্বে ক্রেগ ওভারটন পীড়িত হলে তাঁকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৬ মার্চ, ২০২২ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। সাকিব মাহমুদের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। নিজস্ব দ্বিতীয় বলে প্রথম উইকেটের সন্ধান পান। ঐ খেলায় ৭১ রান খরচায় এক উইকেট পেয়েছিলেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৬৭ ও ০/৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে শূন্য রানে অপরাজিতসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ক্রেগ ব্রাদওয়েটের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

Similar Posts

  • | |

    জন্টি রোডস

    ২৭ জুলাই, ১৯৬৯ তারিখে নাটালের পিটারমারিৎজবার্গে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। সর্বোপরি, ফিল্ডিংয়ে তাঁর অসম্ভব দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ২০০৩-০৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন সরব রেখেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • | |

    জ্যাক নিউম্যান

    ৩ জুলাই, ১৯০২ তারিখে নেলসনের ব্রাইটওয়াটার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। নেলসন্স কলেজে বিদ্যালয় জীবন কাটান। ১৯২২-২৩ মৌসুম থেকে ১৯৩৫-৩৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • | | |

    বেভান কংডন

    ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৮ তারিখে তাসমানের মতুয়েকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতি মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। অল-রাউন্ডারের ভূমিকা পালনসহ তুখোড় নেতৃত্ব দিয়ে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটিং কৌশল গ্রহণের অধিকারী ছিলেন। দলের প্রয়োজনে নিজেকে যথোচিত মেলে ধরতেন। বেশ…

  • |

    দত্তারাম হিন্দেলকর

    ১ জানুয়ারি, ১৯০৯ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মহারাষ্ট্রের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। গ্লাভস হাতে উইকেটের পিছনে তাঁর ভূমিকা উপমাস্বরূপ ছিল। তবে, ব্যাট হাতে তেমন সুবিধে করতে পারেননি। কিন্তু, উইকেট পতনরোধে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তোলার যোগ্যতা তাঁর মাঝে বিরাজমান ছিল। ১৯৩৪-৩৫…

  • |

    মোহাম্মদ শরীফ

    ১২ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে নারায়ণগঞ্জে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকর ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ২০০০-এর দশকে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। খুব স্বল্পসংখ্যক বাংলাদেশী বোলারদের অন্যতম হিসেবে বলকে রিভার্স-সুইং করাতে পারতেন। নিজ জেলা নারায়ণগঞ্জের বেশ পরিচিত মুখ…

  • | | | |

    গেভিন লারসেন

    ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৬২ তারিখে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দারুণ খেলতেন। নিখুঁত নিশানা বরাবর বল ফেলে ব্যাটসম্যানদের সমীহের পাত্রে পরিণত…