| |

মার্টিন স্নেডেন

২৩ নভেম্বর, ১৯৫৮ তারিখে অকল্যান্ডের মাউন্ট ইডেনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৮০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটকে স্থিরতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অন্যতম ভূমিকা রাখেন। সর্বকালের সেরা অল-রাউন্ডার স্যার রিচার্ড হ্যাডলি’র সাথে সহায়তার হাত প্রসারিত করেন এবং টেস্ট ও ওডিআইয়ে নিউজিল্যান্ডের কিছু জয়ে বিরাট অবদান রাখেন।

১৯৭৭-৭৮ মৌসুম থেকে ১৯৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ১৯৭৮ সালে শেল ট্রফি প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় অকল্যান্ডের সদস্যরূপে ক্যান্টারবারির বিপক্ষে প্রথমবারের মতো খেলতে নামেন। এ পর্যায়ে তিনটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিলেও সবকটিই সফররত দলের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৭৯-৮০ মৌসুমের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো ধারাবাহিক ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে সচেষ্ট হন। ২৪.০৮ গড়ে ২৩ উইকেট দখল করেন। ফলশ্রুতিতে, জাতীয় পর্যায়ে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন।

১৯৮০-৮১ মৌসুমে নিজ দেশে সুনীল গাভাস্কারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১ তারিখে ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদেরকে চাপের মুখে রেখেছিলেন ও দলের ৬২ রানের বিজয়ে দলীয় অধিনায়ক জিওফ হাওয়ার্থের সাথে সহায়ক ভূমিকা রেখেছিলেন। খেলায় তিনি ২ ও ০ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে রবি শাস্ত্রী’র শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৫৬ ও ২/৩৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলায় পরাজিত হলে সফরকারীরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৮১-৮২ মৌসুমে নিজ দেশে গ্রেগ চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৯ মার্চ, ১৯৮২ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৮ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৩২ ও ২০ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৮৯ ও ১/৮৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়কের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে পরাজিত হলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।

১৯৮২-৮৩ মৌসুমে নিজ দেশে সোমাচন্দ্র ডি সিলভা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ১১ মার্চ, ১৯৮৩ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৩/৪৮। খেলায় তিনি ২/৫৬ ও ৩/২১ লাভ করেন। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিক দল ৬ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। প্রসঙ্গতঃ এটিই নিউজিল্যান্ডের প্রথমবারের মতো উপর্যুপরী দ্বিতীয় টেস্ট জয় ছিল। এ সিরিজ থেকে আট উইকেট পেয়েছিলেন।

১৯৮০-৮১ ও ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ায় সাংবার্ষিক বেনসন এন্ড হেজেস ত্রি-দেশীয় সিরিজেই অধিকাংশ সফলতা পেয়েছেন। বিশেষতঃ ১৯৮০-৮১ মৌসুমে ২১.৯৪ গড়ে ১৭ উইকেটের সন্ধান পান ও ক্রিকেট বিশ্লেষকদের নজর কাড়েন। এমনকি, ১৯৮৭-৮৮ মৌসুমের ত্রি-দেশীয় সিরিজেও ২৫.৮৫ গড়ে ১৪ উইকেট পেয়েছিলেন। ১৯৮৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪-ওডিআই নিয়ে গড়া সিরিজেও সহায়ক ভূমিকা পালন করেন। নেপিয়ারে স্বান্তনাসূচক জয়ে ৪/৩৪ পান। তাসত্ত্বেও, উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জন রাইট তাঁর ঝড়ো শতকে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছিলেন।

১৯৮৩ সালে জিওফ হাওয়ার্থের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৫ আগস্ট, ১৯৮৩ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩/৬৯ ও ১/৪০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৯ ও ১২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। নিক কুকের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ১৬৫ রানে জয় পেলে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেন। জেরেমি কোনি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের অন্যতম সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। ৮ নভেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে মাঠে নামর সুযোগ না পেলেও বল হাতে নিয়ে ০/৪৫ ও ১/৬৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। রিচার্ড হ্যাডলি’র অনবদ্য অল-রাউন্ড সাফল্যে সফরকারীরা ইনিংস ও ৪১ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে নিজ দেশে ভিভ রিচার্ডসের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১২ মার্চ, ১৯৮৭ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসে জোয়েল গার্নারকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বতন সেরা ছিল ৩/২১। এ পর্যায়ে টেস্টে প্রথমবারের মতো পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। খেলায় তিনি ০/১৪ ও ৫/৬৮ লাভ করেন। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, রিচার্ড হ্যাডলি ও ইয়ান চ্যাটফিল্ডের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে জয় পেলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ করতে সমর্থ হয়।

১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে জেফ ক্রো’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। ৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দ্বাদশ খেলোয়াড়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডেভিড বুনের অসাধারণ ব্যাটিং দৃঢ়তায় স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

সচরাচর তিনি নিউজিল্যান্ডের গতিহীন পিচে নিখুঁত বোলিংয়ের কারণে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে প্রথমবারের মতো ভারতের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে জন রাইটের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে ভারত সফরে যান। ২ ডিসেম্বর, ১৯৮৮ তারিখে হায়দ্রাবাদে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ৪/৬৯ ও ০/১৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। দূর্ভাগ্যবশতঃ ঐ টেস্টে তাঁর দল ১০ উইকেটে পরাভূত হলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৮৯-৯০ মৌসুমে জন রাইটের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ২৪ নভেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে পার্থের ওয়াকা গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সাথে নিজেকে জড়ান। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন ৩২ রানের সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১৩* ও ৩৩* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪/১০৮ লাভ করেন। অবশ্য খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।

২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০ তারিখে অকল্যান্ডে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে সফররত ভারতের বিপক্ষে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। ভারতের প্রথম ইনিংসে এম প্রভাকরের প্রথম উইকেট লাভ করে টেস্টে ৫০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১/১১০ ও ০/২৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ২২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ইয়ান স্মিথের অসাধারণ শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলেও স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে ফিরতি সফরে অ্যালান বর্ডারের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৫ মার্চ, ১৯৯০ তারিখে ওয়েলিংটনে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ঘটনাবহুল এ টেস্টে ৬ রানে থাকাকালে পরবর্তী ৯৪ মিনিট ক্রিজে অবস্থান করেও কোন রান সংগ্রহ করেননি। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২৩ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৩৩ ও ০/৪৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, দলীয় অধিনায়ক জন রাইটের অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পায়।

এমনকি, ১৯৯০-এর দশকের শেষদিকে ক্রিকেটের উদীয়মান সংস্করণে এসেও তাঁর বোলিংয়ের মান বেশ ভালোমানের ছিল। ১৯৯০ সালে শারজায় অস্ট্রাল-এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালের পর ওডিআই থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

১৯৯০ সালে জন রাইটের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের অন্যতম সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। একই বছরের ৫ জুলাই, ১৯৯০ তারিখে এজবাস্টনে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলায় অংশ নেন। তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের প্রত্যেকটিতে অংশ নেন। নটিংহাম টেস্টে ০ রানে বিদেয় নেন ও ১/৫৪ লাভ করেন। লর্ডস টেস্টে ১৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৭২ পান। বার্মিংহামের শেষ টেস্টে ২ ও ২১* রান সংগ্রহসহ ৩/১০৬ ও ১/৩২ লাভ করেন। ডেভন ম্যালকমের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে এ টেস্টে স্বাগতিক দল ১১৪ রানে জয় পেয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

অগণিত প্রতিকূলতা জয় করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ২০০১ সালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী হিসেবে মনোনীত হন। পরবর্তীতে, ২০১১ সালের বিশ্বকাপে রাগবি নিউজিল্যান্ডের প্রস্তুতিমূলক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

Similar Posts

  • | |

    আর্চি ম্যাকলারিন

    ১ ডিসেম্বর, ১৮৭১ তারিখে ল্যাঙ্কাশায়ারের হোয়ালি র‍্যাঞ্জ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। দলে মূলতঃ ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। তুলা ব্যবসায়ী জেমস ম্যাকলারিন ও এমিলি কার্ভার দম্পতির সপ্তম পুত্রের দ্বিতীয় ছিলেন। পরবর্তীতে, ল্যাঙ্কাশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ পিতার উদ্দীপনায় ক্রিকেট খেলতে উৎসাহিত হন।…

  • | |

    অ্যান্থনি ম্যাকগ্রা

    ৬ অক্টোবর, ১৯৭৫ তারিখে ইয়র্কশায়ারের ব্রাডফোর্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। ২০০০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘গ্রীপার’ ডাকনামে ভূষিত অ্যান্থনি ম্যাকগ্রা ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। ইয়র্কশায়ার মার্টিয়ার্স কলেজিয়েট স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। জিসিএসই নবম গ্রেড বিটিইসি ন্যাট ডিপ লেজার স্টাডিজে…

  • |

    ওয়াল্টার গিফেন

    ২০ সেপ্টেম্বর, ১৮৬১ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার নরউড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৮৮২-৮৩ মৌসুম থেকে ১৯০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৮২-৮৩ মৌসুমে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর…

  • | |

    জন শাটার

    ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৫ তারিখে সারের থর্নটন হিদ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী শৌখিন ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। লিওনার্ড শাটারের সন্তান ছিলেন। উইনচেস্টারে অধ্যয়ন করেছেন। সেখানে অধ্যয়নকালে ১৮৭১ থেকে ১৮৭৩ সময়কালে ক্রিকেট একাদশের সদস্য…

  • |

    অ্যান্ডি রবার্টস, ১৯৪৭

    ৬ মে, ১৯৪৭ তারিখে ওয়াইকাটোর টি আরোহা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৭০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম থেকে ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১১২টি প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    নাদিম খান

    ১০ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে পাঞ্জাবের রাওয়ালপিন্ডি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। পাশাপাশি ডানহাতে নিচেসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম থেকে ২০০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে করাচী, পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংক,…