১৫ এপ্রিল, ১৯৬৩ তারিখে পাঞ্জাবের শাহীওয়াল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে কার্যকর ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন।
১৯৮২-৮৩ মৌসুম থেকে ২০০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে পাকিস্তান এগ্রিকালচারাল ডেভেলপম্যান্ট ব্যাংক, লাহোর, মুলতান ও পাকিস্তান রেলওয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, লোয়ারহাউজ ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে ১৯৮৮ থেকে ১৯৮৯ সময়কালে খেলেছিলেন।
১৯৮৪ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের পক্ষে ছয়টিমাত্র টেস্ট ও ৫৪টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে নিজ দেশে সুনীল গাভাস্কারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৪ অক্টোবর, ১৯৮৪ তারিখে ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১/৭৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ২৬ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। তবে, ৪ নভেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য করাচী টেস্টটি ইন্দিরা গান্ধী হত্যাকাণ্ডের কারণে বাতিল ঘোষিত হয়।
১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে সেলিম মালিকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে জিম্বাবুয়ে সফরে যান। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নেন। এছাড়াও, ১/২৮ ও ১/১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোর পাশাপাশি একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ইনজামাম-উল-হকের দূর্দান্ত ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৯৯ রানে জয় পেলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
