৬ জুলাই, ১৯৩৯ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৬০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৫৬-৫৭ মৌসুম থেকে ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। তবে, তাঁর খেলোয়াড়ী জীবন সাধারণমানের ছিল। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে দিল্লির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২৮.২৩ গড়ে ১২১৪ রান তুলেন। ১৯৬০-৬১ মৌসুমে সাউদার্ন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ১৭০ রান তুলেন। অন্য কোন প্রথম-শ্রেণীর খেলায় ৭৫-এর অধিক রান তুলতে পারেননি।
১৯৬০ সালে ভারতের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৬০ তারিখে মাদ্রাজে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে এজি মিল্খা সিংয়ের সাথে তাঁর অন্তর্ভুক্তি অনেকাংশে অদ্ভূতভাবে ঘটেছিল। ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে পঙ্গাল টেস্টকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেটে ১৫৪, ১৬, ৬০ ও ৮৮ রান তোলার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে দলে নেয়া হয়। ঐ মৌসুমে রিচি বেনো’র নেতৃত্বাধীন সফররত অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে দুইটি প্রস্তুতিমূলক খেলায় ৭৩ ও ২০ রান তুলেছিলেন।
অংশগ্রহণকৃত টেস্টটিতে বেশ হিমশিম খান। ওয়ালি গ্রাউটের দ্রুতগতির বলটি তিনি মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হলে অ্যালান ডেভিডসন তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের একমাত্র স্ট্যাম্পিং করেন। শূন্য রানে বিদেয় নেয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে অ্যালান ডেভিডসন তাঁকে ৩ রানে বোল্ড করেন। খেলায় তাঁর দল ইনিংস ও ৫৫ রানে পরাজিত হলে পাঁচ টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। এভাবেই তাঁর পুরো টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবন শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ক্রিকেট জগৎ থেকে অবসর গ্রহণের পর ডিডিসিএ’র প্রশাসনে যুক্ত হন। জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্যরূপে মনোনীত হন। ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে নয়াদিল্লিতে ৮০ বছর ১৯৭ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
