৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে মন্টসেরাটে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
স্ট্যানফোর্ড সুপার সিরিজ খেলার জন্যে মনোনীত হলেও তাঁকে খেলানো হয়নি। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে লিওয়ার্ড আইল্যান্ডস দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, স্ট্যানফোর্ড সুপারস্টার্স ও মন্টসেরাটের পক্ষে খেলেছেন। ২০০২-০৩ মৌসুম থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। স্বল্প কয়েকটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন।
২০০৮ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে চারটিমাত্র টেস্ট, ১০টি ওডিআই ও তিনটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। নভেম্বর, ২০০৮ সালে পাকিস্তান বিপক্ষে খেলার জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওডিআই দলের সদস্যরূপে মনোনীত করা হয়। ১২ নভেম্বর, ২০০৮ তারিখে আবুধাবিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। এরফলে, মন্টসেরাটের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে খেলার সুযোগ পান। অভিষেক খেলায় তেমন ব্যর্থতার পরিচয় দেননি। ৩/৪৭ পেয়েছিলেন।
২০০৮-০৯ মৌসুমে ক্রিস গেইলের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১১ ডিসেম্বর, ২০০৮ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্রেন্ডন ন্যাশের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ০* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৮৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। জেরোম টেলরের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
২০০৯ সালে ক্রিস গেইলের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১৪ মে, ২০০৯ তারিখে চেস্টার-লি-স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/১১৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ০* ও ৪* রান সংগ্রহ করেছিলেন। জেমস অ্যান্ডারসনের অসাধারণ বোলিং দাপটে সফরকারীরা ইনিংস ও ৮৩ রানে পরাভূত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের পূর্বেই ২০০৯ সালে লিচেস্টারশায়ারের পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। তবে, ব্রিটিশ পাসপোর্ট ব্যবহারের কারণে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে যোগ দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে।
ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সালে ক্রীড়ায় অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ মন্টসেরাটের প্রথম জাতীয় যুব পুরস্কার লাভের জন্যে মনোনীত হন।
