৪ আগস্ট, ১৯৯৩ তারিখে কাম্বারল্যান্ডের ব্যারো-ইন-ফার্নেস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটিংয়ের দিকে অধিক গুরুত্বারোপ করে থাকেন। ডানহাতে ব্যাটিং করে থাকেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। ইংল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ইংল্যান্ডের আগ্রাসী ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে। বড় ধরনের মারে অভ্যস্ত। লেগ-ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি দূর্দান্ত ফিল্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ২০১৬ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বার্মিংহাম ফোনিক্স, ইংল্যান্ড লায়ন্স, কাম্বারল্যান্ড, করাচী কিংস, পেশাওয়ার জালমি, পাঞ্জাব কিংস ও রাজস্থান রয়্যালসের পক্ষে খেলেছেন।
২০১৪ সালকে ঘিরে পেশাদারী পর্যায়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। টি২০ ক্রিকেটে প্রতিশ্রুতিশীলতার স্বাক্ষর রাখতে সচেষ্ট হন। বেশ কয়েক বছর যাবৎ ল্যাঙ্কাশায়ার লাইটনিংয়ের পক্ষে টি২০ ক্রিকেটে অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হন। এপ্রিল, ২০১৫ সালে ২১ বছর বয়সে ন্যান্টউইচ ক্লাবের পক্ষে ১৩৮ বল থেকে ৩৫০ রান তুলেছিলেন। ২০১৬ সালে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে ২১ বলে অর্ধ-শতক হাঁকিয়ে টি২০তে ল্যাঙ্কাশায়ারের দ্রুততম রেকর্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। পরবর্তীতে ব্ল্যাস্টে জশ বাটলার তাঁর এ রেকর্ড ভেঙ্গে ফেললেও ঐ বছর টি২০ ব্ল্যাস্টে ১৩৬ স্ট্রাইক-রেটে ৩৪৫ রান তুলেছিলেন।
ল্যাঙ্কাশায়ারের কোচ অ্যাশলে জাইলস তাঁকে সকল স্তরের ক্রিকেটে যুক্ত করলে তিনি দুই হাত নিয়ে গ্রহণ করেন। ১৭ এপ্রিল, ২০১৬ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত নটস বনাম ল্যাঙ্কাশায়ারের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। ৭০ রানের মনোমুগ্ধকর ইনিংস খেলেছিলেন ও ল্যাঙ্কাশায়ারের ৮ উইকেটের বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। চ্যাম্পিয়নশীপে ল্যাঙ্কাশায়ারের শীর্ষ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। টানটনে সমারসেটের বিপক্ষে প্রথম শতক হাঁকান।
২০১৭ সাল থেকে ইংল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২৩ জুন, ২০১৭ তারিখে টানটনে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জগতে প্রবেশ করেন। মাঝারিসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮ বল থেকে ১৬ রান তুলেন। এরপর সিরিজের পরবর্তী খেলায় শূন্য রান তুলেছিলেন। ইংল্যান্ড দলে স্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। এরপর, ২৬ মার্চ, ২০২১ তারিখে পুনেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে ওডিআইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন।
২০২২-২৩ মৌসুমে বেন স্টোকসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের সদস্যরূপে পাকিস্তান গমন করেন। ১ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। উইল জ্যাকসের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৯ ও ৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। তবে, অলি রবিনসনের অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৭৪ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। এরপর, হাঁটুতে আঘাতের কারণে সফর শেষ না করেই যুক্তরাজ্যে ফিরে আসেন। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে অবকাশকালীন সময় অতিবাহিত করেন।
